
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হওয়ার খবরের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও, ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তা আবার ঊর্ধ্বমুখী। চুক্তির খুঁটিনাটি তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। ফলে বিনিয়োগকারীদের সংশয়ে বিশ্ব তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে দুই দেশের পক্ষ থেকে প্রাথমিক চুক্তির ঘোষণা এলেও এর খুঁটিনাটি বিষয়গুলো এখনো অস্পষ্ট। এছাড়া বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালী কবে নাগাদ পুরোপুরি সচল হবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। এসব কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ২৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড অয়েলের দাম ৪৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮১ দশমিক ১২ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে, গত সোমবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার খবরের প্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশের কাছাকাছি কমে গিয়েছিল। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সময়সীমা নিয়ে তৈরি হওয়া নতুন অনিশ্চয়তা আবারও দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে উসকে দিয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা এখন চুক্তির পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এবং প্রকৃত সরবরাহের অবস্থার দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন।
রাজনীতি/এসআর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হওয়ার খবরের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও, ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তা আবার ঊর্ধ্বমুখী। চুক্তির খুঁটিনাটি তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। ফলে বিনিয়োগকারীদের সংশয়ে বিশ্ব তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে দুই দেশের পক্ষ থেকে প্রাথমিক চুক্তির ঘোষণা এলেও এর খুঁটিনাটি বিষয়গুলো এখনো অস্পষ্ট। এছাড়া বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালী কবে নাগাদ পুরোপুরি সচল হবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। এসব কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ২৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮৩ দশমিক ৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড অয়েলের দাম ৪৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮১ দশমিক ১২ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে, গত সোমবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার খবরের প্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশের কাছাকাছি কমে গিয়েছিল। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সময়সীমা নিয়ে তৈরি হওয়া নতুন অনিশ্চয়তা আবারও দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে উসকে দিয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা এখন চুক্তির পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এবং প্রকৃত সরবরাহের অবস্থার দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন।
রাজনীতি/এসআর

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ (সোমবার, ১৩ জুলাই) পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৪৬ বিলিয়ন (৩৬,৫৪৬ দশমিক ১৪ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের জুনে এসব ব্যাংকে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে গত ১১ মাসের ব্যবধানে রাষ্ট্রায়াত্ত ৯ ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩৫ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা। শতকরা খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
৬ দিন আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের নেওয়া আইএমএফের কর্মসূচি জনস্বার্থবিরোধী ছিল। ওই কর্মসূচিতে এমন কিছু শর্ত ছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকারের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার সেই কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে।
৬ দিন আগে
মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর এর জবাবে ইরানে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই তেলের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়।
১১ দিন আগে