বর্তমান বাস্তবতায় জনপ্রশাসনকে আরও গণমুখী করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষমতায়িত করার আলোচনা বহুদিনের। এখনো অনেক ক্ষেত্রে মাঠ প্রশাসন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। এতে সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তির শিকার হন।
ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে প্রত্যাশা থাকবে, তারা যেন ধর্মীয় উগ্রতা বা বিভাজনের রাজনীতি থেকে সরে এসে বৃহত্তর মানবিকতা, সার্বজনীনতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয়তাবাদের পথে এগোয়। ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগানটি যদি সত্যিকার অর্থে একটি ঐক্যের আহ্বান হয়ে ওঠে, তবে তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য হত
বিজেপির নেতৃত্বে দিল্লির কেন্দ্র সরকার ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ককে উচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে, যা বাংলাদেশের এখনকার নতুন সরকারের সঙ্গেও টেকসই সম্পৃক্ততা ও যোগাযোগের মাধ্যমে প্রমাণিত। এটি ইঙ্গিত দেয়, নির্বাচনি প্রচারের ‘পলিটিক্যাল রেটোরিক’ তাদের দেশীয় রাজনীতির জন্য লাভজনক হতে প
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উন্মুক্ত ও নিয়ন্ত্রণহীন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। সেখানে নানা ধরনের আচরণ ও কার্যকলাপ শিশুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য ক্ষতিকর। প্রতারণা ও হয়রানির ঝুঁকির পাশাপাশি শিশুরা অনলাইন বুলিংয়েরও শিকার হয়।
এ দেশ এখনো পর্যন্ত মীরজাফর, ঘষেটি বেগম, জগৎ শেঠ এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির (ইন্ডিকো) কর্মকর্তাদের ষড়যন্ত্রমুক্ত হতে পারেনি। ওদের ওপর সরকারসহ প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি। জাতীয় ঐক্য সুসংহত হওয়ার বিষয়টিও জরুরি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) হঠাৎ করে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক (OPEC) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতির কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করে।
সুশাসন, যাকে আমরা রাষ্ট্রপরিচালনার কার্যকর পদ্ধতি বলি, সেটি মূলত সেই কাঠামো যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নীতিমালা বাস্তবায়ন ও নাগরিক সেবার মান নির্ধারিত হয়। যখন এই প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক উন্নয়ন এক
পহেলা মে এক দিনের আন্দোলনের ফসল নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে দাবি আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে কিছুটা প্রাপ্তি ও স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে এই দিনে। কাজেই ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ শ্রমিকের মর্যাদা বৃদ্ধি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন।
বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একসময়ের মিত্র জামায়াত-শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তা কিছুটা একাত্তরের বিভাজন বা আদর্শিক হলেও এর মূল কারণ ‘দখলদারি’। ছাত্র রাজনীতির উপযোগিতা বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সই হওয়া অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান পুনর্নির্ধারণের একটি সূচক।
‘তৌহিদি জনতা’ একক সুসংগঠিত দল নয়, বরং ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে কিছু কট্টরপন্থি এবং স্থানীয় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর একটি ‘মব’ বা উগ্রবাদী অ্যাকশন টিম, যা প্রশাসনিক দুর্বলতা ও শূন্যতার সুযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
এটি নয়াদিল্লির সেই স্বীকৃতিকে তুলে ধরে— ঢাকার সঙ্গে তার সম্পর্কটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে তা দূরত্ব বজায় রেখে পরিচালনার বিষয় নয়। যখন কোনো সরকার পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন কৌশলী রাজনীতিককে নিয়োগ দেয় তখন তা প্রায়শই স্বীকার করে নেওয়া হয়, প্রশ্নাধীন সম্পর্কটি অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আঞ্চলিক কৌশল ও দীর্ঘ
হজ শুধু একটি ইবাদত নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রশিক্ষণ। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন এবং সমাজের জন্য একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠেন। ব্যক্তি পরিবর্তনের মাধ্যমেই সমাজ উন্নয়ন সম্ভব— এই চিরন্তন সত্য হজ আমাদের শিখিয়ে দেয়।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের জন্ম ও বিকাশ একটি নির্দিষ্ট আদর্শিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে— প্রগতিশীলতা, অসাম্প্রদায়িকতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষা। এই চারটি স্তম্ভ কেবল রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক দর্শনেরও প্রতিনিধিত্ব করে। ফলে তাদের প্রতিটি আন্দোলন, প্রতিটি কর্মসূচি সরাসরি
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব দেশের সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি অগ্রাধিকারে রাখলে এবং পূর্বের ন্যায় দ্বিপাক্ষিক, ত্রিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে আশা করা যায়।
ভবিষ্যতের বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শুধুমাত্র ডিগ্রি নয়, বরং বাস্তব দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা অপরিহার্য। মানবসম্পদ উন্নয়নে একাডেমিক শিক্ষা ও কর্পোরেট বাস্তবতার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ই হতে পারে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি।
এ বছর ধর্মমন্ত্রীকে সরাসরি মাঠে গিয়ে হজযাত্রীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া তিনি হজযাত্রা ও এর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এসবের মাধ্যমে যেসব বাস্তব সমস্যা খুঁজে পাচ্ছেন, দ্রুত সেগুলো সমাধানেরও উদ্যোগ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতার একটি