প্রশাসন, আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের সেবা করার বদলে অনেক সময় ক্ষমতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। উপনিবেশবাদ, সামন্তবাদ কিংবা আধুনিক আমলাতান্ত্রিক কাঠামো— সব জায়গায় একই প্রশ্ন ফিরে এসেছে: রাষ্ট্র কি মানুষের জন্য, নাকি মানুষ রাষ্ট্রের জন্য?
বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা। বন্ধুর কোনো কথায় কষ্ট পাওয়া, ভুল বোঝা বা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া— এসব মানবিক। প্রকৃত বন্ধুত্বের সৌন্দর্য এখানেই যে সেখানে ক্ষমা আছে, সংশোধনের সুযোগ আছে। যে সমাজে ক্ষমা নেই, সেখানে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
এই সাহসিকতার মূল্য তাকে দিতে হয় জীবনের বিনিময়ে। হত্যাকারীরা তার কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেয়, লোহার স্ট্যান্ড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করে, শরীর ক্ষতবিক্ষত করে এবং পরে গুলি চালায়। এরপর তাকে গণকবরে নিক্ষেপ করা হয়।
প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অনলাইন ভর্তি ও নিয়োগ-প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা, আর্থিক লেনদেনে ডিজিটাল নজরদারি জোরদার করা— এসব পদক্ষেপ দুর্নীতি কমাতে কার্যকর হতে পারে। একই সঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনো প্রভাবশ
একই আসনের ফলাফল নিয়ে একেকটি মাধ্যমে একেক রকম তথ্য প্রকাশ পেতে থাকে। কোনো চ্যানেলের স্ক্রলে যে সংখ্যা ভেসে উঠছে, অনলাইন পোর্টালে হয়তো দেখা যায় ভিন্ন সংখ্যা। আর সামাজিক মাধ্যমে ছড়াচ্ছে আরও ভিন্ন তথ্য। সাধারণ দর্শক বা ভোটার বুঝতে পারেন না, কোন তথ্যটি আংশিক। আর কোনটি সর্বশেষ।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬— ৯৩ বছরের দীর্ঘ জীবন পেরিয়ে তিনি পাড়ি দিলেন অনন্তলোকের পথে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই কথাশিল্পী রেখে গেলেন তার কালজয়ী সাহিত্যকর্মের বিশাল ভান্ডার, অসংখ্য চরিত্র, অগণিত পাঠকের আবেগ এবং কয়েক প্রজন্মের মানসগঠনে গভীর ছাপ।
বাঙালির জাতীয় জীবনে একুশে ফেব্রুয়ারি একটি ঘটনা যা এ দেশের বহু মানুষকে বিভিন্নভাবে ছুঁয়ে গেছে এবং সেদিন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত একুশে ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন অর্থ, ব্যঞ্জনা, দ্যোতনা ও তাৎপর্য নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে।
আমাদের বড় পরিচয়— আমরা বাঙালি, আমাদের ভাষা বাংলা। আমাদের সংস্কৃতি, সাহিত্য, চিন্তা ও বোধ একসূত্রে গাঁথা। বাঙালি হিসেবে অহংকার করার মতো আমাদের রয়েছে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। আজ আমাদের গর্বিত পরিচয়— মাতৃভাষার জন্য আমরা রক্ত দিয়েছি; আমরা একুশের উত্তরাধিকার।
ভাসানী বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘আমি বর্তমান মুসলিম লীগওয়ালাদের মতো মনে করি না যে ভারতের মুসলমানদের প্রতি আমাদের কোনো দায়িত্ব নাই। পাকিস্তানের প্রতি আমাদের দেশপ্রেমের জন্য খাজা নাজিমউদ্দীনের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন পড়ে না। এ দেশের জনসাধারণ ভালো করিয়াই জানেন, বিগত ১৯৪৬ সালে যখন পাকিস্তান ইস্যুর ওপর নির্বাচন
তারেক রহমান নিজেকে সেই আদর্শিক ধারার উত্তরসূরি হিসেবে তুলে ধরেছেন। তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা, উদ্যোক্তা তৈরি এবং আধুনিক প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে তার কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
কাজী আরেফ আহমেদ ছিলেন পরিপূর্ণ এক সংগ্রামী নেতা। ক্ষমতার মোহ তাকে কখনোই আচ্ছন্ন করতে পারেনি। একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে তিনি দেশের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। তার মৃত্যুদিবসে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আমাদের চোখের সামনে বহু রূপে বর্ণচোরা নতুন খোলস পরে চারপাশে সুশীল কিংবা শক্তিধর সেজে দাঁড়াবে— স্বদেশ-স্বাধীনতা, একাত্তরের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের ৫৪ বছরের রাষ্ট্র বাংলাদেশের গৌরবময় মাহাত্ম্য ও অর্জনের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস-ঘৃণা ছড়াবে— এই কলঙ্ক তারা ঢাকবে কীভাবে?
গণভোট ও জনরায় কার্যকর হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী, বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, নিরপেক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক আস্থা নিশ্চিত হতে পারে। ফলে দেশের জনগণ সচেতনভাবে, আবেগতাড়িত না হয়ে যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অতি লোভনীয় উদীয়মান অর্থনীতির এই দেশ কি বহির্শক্তির খেলার মাঠে পরিণত হবে, নাকি বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় একাট্টা হয়ে নিজেদের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতিকার নিজেরাই করবে— তা নিয়ে ভাবনার সময় এসেছে।
আমি যে নারী নির্যাতন মামলার ভিকটিম, সেই কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর আমার বাবা— তাকেও শুনতে হয়েছে, ‘এত কিছুর পর মেয়েকে কেন রাজনীতি করতে দেয়!’ ৫ আগস্টের পর ভেবেছিলাম আমার লড়াই শেষ। কিন্তু তারপর অনলাইনে কিছু আইডির এমন হ্যারাসমেন্ট ও স্লাট-শেমিং আমি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারিনি।
এভাবেই লাখ লাখ ভোটারকে একত্রিত করতে সক্ষম একটি নির্বাচন দলীয় কর্মী বাহিনীর একত্রিতকরণের একটি অপারেশনে পরিণত হয়। ফলে শুধু ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনাতেই কয়েক লাখ সংগঠিত কর্মী মাঠে নামাতে হয়। এই মানুষগুলো স্বেচ্ছাসেবী নন, তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় অর্থ, প্রভাব ও সুবিধার আশ্বাস দিয়ে।