মেধার পক্ষে দাঁড়ানো মানে শুধু পরীক্ষার্থীর পক্ষে দাঁড়ানো নয়; এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নৈতিক মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানো। এখন সাহসী সিদ্ধান্তের সময়— রাষ্ট্রকে মেধার পক্ষে দাঁড়াতে হবে।
সম্ভবত সেই দিক বিবেচনায় আজ শনিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার হতে প্রয়োজনীয় তেল ক্রয় করছে। ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই। দ
প্রতিমন্ত্রী যখন বলেছেন প্রতিদিন সরকারের ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার কথা, তখন ধরে নেওয়া যায় যে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা কোনো কর্মকর্তা হিসাবটি তাকে জানিয়েছেন। কিন্তু সেটি কীভাবে, সে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী তথা সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা দরকার, যেন এ নিয়ে গণবিভ্রান্তির অবসান ঘটে।
মুক্তিযুদ্ধ কেবল একটি ঘোষণা বা একটি ঘটনার ফল নয়; এটি ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংস্কৃতিক আন্দোলন, অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং একটি জাতির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের চূড়ান্ত রূপ। এই লড়াইয়ে নেতৃত্ব, প্রেরণা, ত্যাগ ও সাহস— সবকিছু মিলেই তৈরি হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয় পাকিস্তান জন্মের পরপরই। প্রথমে এমন কথা উচ্চারণ বিপজ্জনক ছিল বলেই এ দেশের মানুষকে প্রথমে ভাষা আন্দোলন ও তারপর স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। একপর্যায়ে স্বায়ত্তশাসনের ধারণাটি স্বাধীনতার ধারণায় পর্যবসিত হয়।
গণপরিবহন, শ্রমবাজার, কৃষি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই মধ্যস্বত্বভোগী ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার কারণে প্রকৃত উৎপাদক বা ভোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষক ন্যায্যমূল্য পান না, শ্রমিক তার পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পান না, কিন্তু মধ্যবর্তী একটি শ্রেণি অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লাভবান হয়। এটি একটি অসম অর্থনৈতিক কাঠামোর প্রতিফলন।
প্রকাশক ও উদ্যোক্তা প্রকৌশলী মেহেদী হাসান অমিকন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এবং বাংলাপ্রকাশ ও লেকচার পাবলিকেশন্স পিএলসির প্রকাশক। বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্প ও অমর একুশে বইমেলা নিয়ে রাজনীতি ডটকমের মুখোমুখি হয়েছেন জ্ঞান-অর্থনীতির স্বপ্নদ্রষ্টা মেহেদী হাসান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাহরিয়ার শরিফ।
ঈদুল ফিতর কেবল একটি উৎসব নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক উপলব্ধি, একটি নৈতিক শিক্ষা, একটি সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন। কোরআন ও হাদিসের আলোকে যদি আমরা ঈদের দিনকে যথাযথভাবে পালন করতে পারি, তাহলে এটি আমাদের জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
ঈদযাত্রার ভোগান্তি কোনো অনিবার্য বাস্তবতা নয়, এটি একটি ব্যবস্থাগত দুর্বলতার ফল। সঠিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। অভিযান নয়, প্রয়োজন একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো— যেখানে নিয়মই হবে প্রধান নিয়ন্ত্রক, ব্যক্তি নয়।
মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনে চলমান সংঘাত এখন আর কেবল আঞ্চলিক সমস্যা নয়; বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতির ‘সাপ্লাই চেইনে’র জন্য বড় একটি ধাক্কা। যুদ্ধ কেবল অবকাঠামো ধ্বংস করছে না, বরং জ্বালানি ও বাণিজ্যের বৈশ্বিক স্নায়ুতন্ত্রকে অচল করে দিচ্ছে।
দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত একটি কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে— এটি শুধু একটি তাত্ত্বিক ধারণা নয়, বরং বাস্তবতার প্রমাণ রয়েছে। ইতিহাসে খলিফা হযরত উমর (রা.) এবং হযরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর শাসনামলে এমন সময় এসেছে, যখন জাকাত গ্রহণ করার মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ইসলাম মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে নৈতিকতার সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। অর্থ উপার্জন বৈধ, সম্পদ অর্জনও বৈধ। কিন্তু সেই সম্পদের ভেতরে সমাজের দুর্বল মানুষের অধিকার আছে। এই বোধ তৈরি করাই জাকাত ব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য। ফলে জাকাত শুধু আধ্যাত্মিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্বও।
হুটহাট করে প্রথম শ্রেণিতেই শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা চালুর বদলে অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি নীতি-কৌশল প্রণয়ন করা গেলে সেটিই বরং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
যেখানে শিক্ষকের নৈতিকতার এমন অবক্ষয় বিদ্যমান, সেখানে এই ভর্তি পরীক্ষা মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের সুযোগ কেড়ে নেয়। কারণ একজন রিকশাচালক বা সামান্য কর্মচারীর মেধাবী সন্তান এই টাকার লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারে না। এমনকি কারও কারও পক্ষে তো অনেক স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহের
এই ৪৬ বছর বয়সের মধ্যে তিনি পাকিস্তান আন্দোলন করেছেন, কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা সামলাতে আসন্ন সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে ফরিদপুরে রেখে নেতার নির্দেশ মাথা পেতে নিয়েছিলেন। তিনি আবার সিলেট পাকিস্তানে থাকবে না ভারতে যাবে— সে বিষয়টি নির্ধারণের গণভোটে পাকিস্তানের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন। আমাদের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা এবং রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, সংসদ সদস্যরা কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন, তারা পুরো দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ফলে সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে তাদের আচরণ সাধারণ জনগণের কাছে একটি প্রতীকী বার্ত