ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কোনো স্বয়ংক্রিয় অর্জন নয়। এটি অর্জন করতে হয় সুশাসন, মানসম্মত শিক্ষা, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং তরুণদের ইতিবাচক শক্তিকে সঠিক পথে পরিচালনার মাধ্যমে। বাংলাদেশের সামনে এখনও সেই সুযোগ রয়েছে। এখন প্রয়োজন সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।
কী আছে চাকমা ভাষা ও হরফে রচিত পাঠ্যবইগুলোতে? বইগুলো পর্যালোচনায় অসংখ্য ভুল, অসঙ্গতি ও মানহীন রচনা পাওয়া গেছে। রয়েছে ভুলে ভরা বানান, শব্দের অপপ্রয়োগ, দুর্বল লিখনশৈলী ও ধারাবাহিকতার অভাব। পেশাদারিত্বের বিশাল অনুপস্থিতি স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। ভিনভাষার ছড়াকে অনুকরণ করে চাকমারূপ দেওয়া হয়েছে। এখানে কিছু অসঙ
অশালীন ভাষার এই বিস্তার কেবল আবেগের বহির্প্রকাশ নয়, অনেক ক্ষেত্রেই এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল। যখন কোনো গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্ককে যুক্তির জায়গা থেকে সরিয়ে অপমান, কুরুচি ও যৌন ইঙ্গিতের দিকে নিয়ে যায়, তখন প্রকৃত রাজনৈতিক প্রশ্নগুলো আড়ালে চলে যায়। নীতির আলোচনা হারিয়ে যায়, জবাবদিহি দুর্বল হয়, আর জনপরিসর
জানাজার দিনে সাক্ষাৎকার নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে আমার চেহারা ছিল স্যারের কাছে পরিচিত। অনেকদিন পর কাছে পেয়ে উনি মন খুলে কথা বললেন। বেশ স্বাভাবিকভাবে কুশলাদি জিজ্ঞাসা করলেন। উনি যে সন্তানহারা বাবা, তা তখন মনে হয়নি। ওনার মনোবল দেখে বিস্মিত হয়েছিলাম।
দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতা ও আস্থাহীনতার পর দেশের পুঁজিবাজার আবার ধনাত্মক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। জাতীয় বাজেটে কর-সুবিধা ও নীতি-সহায়তার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে বাজারে দৃশ্যমান। তবে এ ইতিবাচক ধারা ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
ঘোষিত মুদ্রানীতিতে নীতিসুদহার ১০ শতাংশ (অপরিবর্তিত) এবং এসএলএফ ১১ শতাংশ (অপরিবর্তিত) রাখা হয়েছে। তবে এসডিএফ ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এ নীতির ফলে ধীরে ধীরে মূল্যস্ফীতি কমবে, ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং অর্থনীতি স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে শুরু করবে।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো— এই ভাষা কেবল বেনামি অ্যাকাউন্টে সীমাবদ্ধ নয়; শিল্পী, শিক্ষক, লেখক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও জনপ্রিয় অনলাইন ব্যক্তিত্বদের মধ্যেও এর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে— আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের সামনে কী ধরনের ভাষা ও সংস্কৃতির উদাহরণ রেখে যাচ্ছি?
কিন্তু যখন এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে ধর্মীয় প্রতীক, ঈমানের পরিচয় কিংবা পবিত্র বিশ্বাসকে বিনোদনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় দাঁড় করানো হয়, তখন বিষয়টি আর শুধুমাত্র খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তখন এটি বিবেক, মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
জুলাইয়ে দাঁড়িয়ে এই লেখার মাধ্যমে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং রাষ্ট্র, সমাজ ও ইতিহাসের কাছে দাবি রাখি— এই দেশ, এই ইতিহাস যেন তাদের নামেও উচ্চারিত হয়। দীর্ঘ জুলাইয়ে ঝরে যাওয়া অসংখ্য নারীর প্রাণ, যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হলেও নারীদের লড়াই এখনো চলমান।
বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর— সবখানেই অসংখ্য মেধাবী শিশুর জন্ম হচ্ছে। তারা প্রশ্ন করতে জানে, নতুন কিছু ভাবতে জানে, স্বপ্ন দেখতে জানে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বিপুল সম্ভাবনার একটি বড় অংশ সঠিক পরিচর্যা, দিকনির্দেশনা ও সহায়ক পরিবেশের অভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
প্রথম দৃষ্টিতে এমপি নুরুন্নিসার বক্তব্যকে সমঅধিকারের পক্ষে একটি যুক্তি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও জননীতির আলোচনায় সমতা (Equality) ও ন্যায়সঙ্গত সমতা (Equity) এক বিষয় নয়। অনেক সময় সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে রাষ্ট্রকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়। এ
স্বয়ং রাসুল (সা.) এ মাসকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বিশ্ববাসীর প্রতি তার দায়িত্ব, অর্থাৎ মানুষকে শান্তির ধর্ম ইসলামের পথে আহ্বান করার কাজ শুরু করেছিলেন মহররম মাসে। তবে এ কথা সত্য— ১০ মহররম কারবালা প্রান্তরে দলবলসহ হজরত ইমাম হুসাইনের (রা.) শহিদ হওয়ার ঘটনা এ দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর
ভবিষ্যৎ চুক্তির আইনি প্রকৃতি নিয়ে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের এমন একটি প্রস্তাব তা দূর করতে পারে। সে ক্ষেত্রে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আইনি বাধ্যবাধকতার উৎস হবে মূলত জাতিসংঘ সনদ। কিন্তু এখানেই দেখা দেয় বড় ধরনের একটি দ্বন্দ্ব। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন ও ইরান— উভয় পক্ষই সাম্প্রতিক সময়ে জাতিসংঘ সনদের ম
এ অবস্থায় শেয়ারটি ইতোমধ্যেই ফোর্স সেলের আওতায় চলে এসেছে। সাধারণত মার্জিন ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা শেয়ারের মূল্য নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে গেলে ব্রোকারেজ হাউসগুলো শেয়ার বিক্রি করে ঋণ সমন্বয়ের চেষ্টা করে। কিন্তু বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে সেই ফোর্স সেলও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। কারণ বাজারে ক্রেতা নে
আরও উদ্বেগজনক ছিল কিছু ক্ষেত্রে নারী হাজিদের প্রতি অমার্জিত ভাষার ব্যবহার। আরাফার ময়দানে নারীদের জন্য পর্যাপ্ত পর্দার ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও এ বিষয়ে অভিযোগ বা প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের প্রতি যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা অনেকের কাছেই আপত্তিকর বলে মনে হয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির শঙ্কা— যে দুটি বিষয়কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন— সেগুলো এখনো পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়নি। ইঙ্গিত মিলছে, কাঠামোগত চুক্তির পরবর্তী আলোচনায় এসব বিষয়ই