মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জয়পুরহাটে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেছেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থান—সব আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, ন্যায়বিচার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা। জনগণের রায়ে গঠিত বর্তমান স
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না। এমনকি কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জলবায়ু মোকাবিলা, বেকারত্ব দূর করাসহ নানা কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেয়া হচ্ছে। তবে কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন হবে না যদি, গণমাধ্যমকে সঠিকভাবে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে দেওয়া না হয়। আমি তাই গণমাধ্যমের অভিভাবক হতে চাই।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতি দূর নয়, নৈতিকতার দুর্নীতি দূর করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারের টাকা নেবেন, কিন্তু কেউ পাস করবে না। তাহলে কি সেই টাকা হারাম হবে না?’
আগামীর বাংলাদেশ বাকস্বাধীনতার বাংলাদেশ, সমৃদ্ধির বাংলাদেশ উল্লেখ করে নবনিযুক্ত কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশীদ বলেছেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার এ লক্ষ্যেই কাজ করবে।
তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যতটা ধ্বংস হয়েছে আমরা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি। দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি, অনাচার, অযোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া সব মিলিয়ে এই সর্বনাশ হয়েছে। এই অবস্থা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি ও কর্মসূচি প্রশাসনিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
গত বৃহস্পতিবারের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি কাজে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও অফিস করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সরকারি কার্যক্রমে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে তার এ পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
মন্ত্রী দেশে 'মব কালচার' বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের অপসংস্কৃতি দেশ গড়ার পথে বড় বাধা। তিনি সবাইকে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে সরকারকে সহযোগিতা করার এবং নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে দেশ গঠনে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
এক্স হ্যান্ডেলে এক শোকবার্তা তিনি লিখেছেন, ‘শংকরের প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে তিনি মানুষের জীবনকে অসাধারণ সংবেদনশীলতা ও অন্তর্দৃষ্টির সঙ্গে লেখায় তুলে ধরেছেন।’
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুন কুমার চৌধুরী-এর নেতৃত্বে এই শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালিত হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন তারা।
১৯৫২ সালের সেই বীর সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে আবালবৃদ্ধবনিতা সবার হাতে ছিল শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ আর পরম শ্রদ্ধার অর্ঘ্য পুষ্পস্তবক। 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানে গানে পুরো এলাকা হয়ে উঠেছে এক আবেগময় শোকের মিছিল।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিযুক্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (মির্জা আব্বাস), নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে প্রধানমন্ত্রীর ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হতেই কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বেদীতে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত হয়। তাতেও অংশ নেন তারেক রহমান। এ সময় ক্ষমতাসীন বিএনপির মন্
এ অবস্থায় প্যাভিলিয়নের বিপরীতে ছোট স্টল নিয়ে যেনতেনভাবে মেলায় অংশ নেওয়া মূলধারার সৃজনশীল প্রকাশকদের জন্য চরম অমর্যাদাকর হবে বলে মনে করছে প্রকাশক ঐক্য।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ভাষা শহিদ এবং ৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন ও ২০২৪-এর স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ এ যাবৎকালে দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সব শহিদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।’