রিজভী জানান, দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এরপর বেলা ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ দলের সব পর্যায়ের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে ২৫৩টি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করে। সেদিন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছিল না ইসলামী আন্দোলন। দলটির জোটে থাকা নিয়ে পরিষ্কার ঘোষণাও ছিল না। তাদের জন্য বাকি ৪৭টি আসন রাখার ইঙ্গিত দিয়েছিল জামায়াত। তবে গতকাল শুক্রবার ব
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড (দাসেরকান্দি) শাখার সভাপতি গাজী নাসির উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাজী আক্তার হোসেন ও কাজী খালেদ হোসেনসহ ১০ জন নেতাকর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলা মোটর পার্টি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
আসুন ভালো নির্বাচনের জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা জানি ভালো নির্বাচন হলে এই দেশে যে সরকার আসবে, সেই সরকার হবে শহীদ জিয়ার সরকার। যে সরকার আসবে, সেটি হবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার। আর সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসু
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরর পক্ষে সাংগঠনিকভাবে কাজ না করায় ওই আসনের বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করেছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি।
স্বজনদের এসব আর্তনাদ স্পর্শ করে তারেক রহমানকেও। মঞ্চেই বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখা যায় তাকে। তার কানে হয়তো বাজে, ‘কত বছর আসে যায়, বাবা তো আর আসে না।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক। তার চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।’
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই দাবি করেন তিনি।
আসন সমঝোতায় ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনের ভবিষ্যৎ এবং ইসলামী আন্দোলনকে জোটে ফেরানোর কৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থাকলেও বাস্তবে পুরোনো কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোই টিকে থাকে। নতুন রাজনৈতিক ধারা গড়ে তুলতে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ ও বাধার মুখোমুখি হতে হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক বিতর্কে ব্যক্তি আক্রমণ নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার পথে বড় অন্তরায় বলে
সব মিলিয়ে এনসিপি এখন সারাদেশে ৪০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিতিতে বর্তমানে জোটের ভেতর আসন পুনর্বিন্যাসের কাজ চলছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর জামায়াতের আমির যে জাতীয় সরকারের কথা বলেছিলেন, সেটিও সন্দেহের উদ্রেক করেছে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে। তারা ভাবছে, বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে গোপন কোনো সমঝোতা হয়েছি কি না, যার মধ্য দিয়ে পাতানো একটি নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ‘নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন। এতে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।