যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রেখে একটি নির্ধারিত সীমারেখায় অবস্থান নেয়। তবে এরপর থেকেই ধীরে ধীরে তারা পশ্চিমমুখী অগ্রসর হয়ে হামাস-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর দিকে নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করে আসছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী বিস্ত
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির যে খসড়া, তাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও এ প্রণালি থেকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের আটকে থাকা ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের প্রস্তাব রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিবদমান এসব ইস্যুতে সমঝোতা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে এখনো চূড়ান
এক ঘোষণায় ডব্লিউএইচও জানায়, সম্ভাব্য চিকিৎসাগুলোর কার্যকারিতা যাচাই করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করা হবে। সংস্থাটি এরই মধ্যে বাইরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মিলে সম্ভাব্য ওষুধ ও টিকার তালিকা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে।
এক বিবৃতিতে সংঘর্ষে জড়িত ফার্কের একাংশ সংঘর্ষ ও প্রাণহানির তথ্য জানায়। পরে কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দেশটির সেনাবাহিনীও ওই এলাকায় সংঘর্ষের কথা স্বীকার করেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে সরকারিভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
দূতাবাস সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মোমিন মিয়া ও নরসিংদীর জয়েনা আক্তার। আহত দুই শিশুর পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্ফোরণে জয়েনা তার পা হারিয়েছেন। দূতাবাস জানিয়েছে, দুই শিশু আহত তিনজনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
এই চুক্তিতে কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রয়েছে, নাকি ড্রোনের মতো হামলার সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত আছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিবিসিকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুপক্ষই একটি চুক্তি সই করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পাশাপাশি স্থল সামরিক সরঞ্জাম এবং তালেবান সরকারের সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ
নতুন এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে নৌযান চলাচল করতে পারবে। আর দুই দেশের কূটনীতিক ও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো সমাধানের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কটা চরম গোলমেলে ও বিভ্রান্তিকর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— দুই দেশ কি আসলেই শান্তির কাছাকাছি রয়েছে, নাকি ফের একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে?
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোররাতের দিকে যখন শিক্ষার্থীরা সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, ঠিক তখনই উতুমিশি গার্লস একাডেমিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। শিক্ষামন্ত্রী জানান, একটি স্কুলের আবাসিক ভবনের (ডরমিটরি) প্রথম তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তেই তা পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ভবনটি 'সম্পূর্ণ ধ্বংস' হয়ে গেছে।
আইআরআইবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানায়, ‘চারটি জাহাজ নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল।’
এই পালটা আক্রমণ শত্রুদের জন্য একটি গুরুতর সতর্কবার্তা, যাতে তারা বুঝতে পারে যে তাদের কোনো আগ্রাসনই জবাবহীন থাকবে না। একই সাথে তারা সতর্ক করেছে যে, শত্রু যদি আবারও এ ধরনের ধৃষ্টতা দেখায় তবে এর চেয়েও ‘আরও বেশি নিষ্পত্তিমূলক’ প্রতিক্রিয়া জানানো হবে এবং এর ফলশ্রুতিতে যেকোনো পরিণতির জন্য আক্রমণকারী দেশ
ওই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এ হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, হামলার পাশাপাশি ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে অন্তত তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
জিসিএইচকিউ পরিচালক অ্যান কিস্ট-বাটলার তার প্রথম জনসমক্ষে দেওয়া বক্তৃতায় এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যের জন্য বর্তমান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের রূপরেখা ব্যাখ্যা করেন।
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, হজরত ইবরাহিম (আ.) যখন মহান আল্লাহর নির্দেশে তার পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন শয়তান তাকে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করতে প্ররোচিত করার চেষ্টা করেছিল। সেই সময় হজরত ইবরাহিম (আ.) তিন স্থানে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করেছিলেন। হাজিদের এই আনুষ্ঠানিকতা সেই
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার খসড়া সামনে এসেছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। মার্কিন ওই খসড়া অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আবার যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে তেহরান, যার বিনিময়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হবে নৌ অবরোধ ও
এরদোয়ান বলেন, ধর্মীয় উৎসবগুলো মূলত সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সংহতিকে শক্তিশালী করার দিন। তবে এবার গাজা উপত্যকার চলমান পরিস্থিতি তুরস্কসহ পুরো বিশ্বের মুসলমানদের ঈদ উদ্যাপনে বিষাদের ছায়া ফেলেছে।