মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের চুক্তিতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা অস্বীকার করলেও এ আলোচনা ‘একদম বাস্তব’ বলে দাবি করে
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো বাংলাদেশের সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সংস্থার পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নেভাডার উত্তরে একটি এলাকায় প্রশিক্ষণের সময় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ‘লাইটনিং-২ স্টেলথ’ মডেলের এই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এর পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করায় প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হয়েছেন।
আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কারিগরি ত্রুটিকে সন্দেহ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বিমানে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি—অর্থাৎ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা নেই। ক্রিমিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে নিহত ওই বাংলাদেশির নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে ইরানের ড্রোন হামলায় ‘ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড’ ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা কুনা বুধবার (১ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছানোয় তারা এখন এ যুদ্ধ শেষ করার কথা ভাবছে। তবে এ সময়ের মধ্যে ইরান কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের এই ভাষণে যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে নতুন কোনো দিকনির্দেশনা থাকতে পারে।
পাঁচ দফা প্রস্তাবের প্রথমেই বলা হয়েছে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির কথা। চীন ও পাকিস্তান উভয়ই অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ও সংঘাত বিস্তারের সম্ভাবনা রোধের আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা প্রতিটি যুদ্ধ-প্রভাবিত এলাকায় পৌঁছানো নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন, তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে গিয়ে এসব দেশকে নিজেদের মতো করে তেল জোগাড় করতে হবে। অবশ্য অন্য একটি বিকল্পও দিয়েছেন তিনি— চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জ্বালানি কিনতে পারবে তারা।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোররাতে ইস্পাহানের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র গুদামে এ হামলা চালানো হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দেশটির এক ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের মাশহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় একটি বেসামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরানি বিমান পরিষেবা সংস্থা ‘মাহান এয়ারে’র বিমানটি ভারতের নয়াদিল্লি থেকে মানবিক সহায়তা (ত্রাণ) সংগ্রহে যাওয়ার আগে হামলার শিকার হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।