শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।
সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।
ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও
ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন, পিস টিভিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরুর পর ২০১৬ সালে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে দেশটিতে তাকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়।
বাব আল-মান্দেব বন্ধ করে দিলে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক পরিস্থিতিতে পড়তে পারে, যেখানে জ্বালানির দাম বাড়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে। কিন্তু হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সত্ত্বেও অতীতে হুতিদের দমন করা যায়নি। একই সময়ে ইরানের সঙ্গে
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাত বছর পর ভারত সফরে এসেছেন। ব্রিকসকে তিনি গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল বিশ্বের একটি ‘প্রধান জোট’ হিসেবে উল্লেখ করেন। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে স্বনির্ভরতার একটি মডেল হিসেবেও তিনি ব্রিকসকে তুলে ধরেন। তার মতে, উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়ন এগিয়ে নিতে জোটটির ভূমিকা রাখা উচিত।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে শুরু হওয়া ব্রিকস সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি (ইরান যুদ্ধ) খুব শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে। সম্ভবত মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পরপরই এর সমাপ্তি ঘটবে। নির্বাচনকে জটিল করে তুলতেই তারা (ইরান) যতটা সম্ভব সময় ক্ষেপণ করার চেষ্টা করছে। তবে আমার মনে হয় জনগণ বিষয়টি ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে।’
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ড্রোন হামলার পরপরই পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এর অবস্থা যাচাই করতে জরুরি ও বিশেষায়িত কারিগরি দল মোতায়েন করা হয়। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব কাজ করছে।
স্যাটেলাইটের এসব ছবি নিয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের পাওয়া তথ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে এর পক্ষে প্রমাণ চেয়েছেন চীনা কর্মকর্তারা। ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাস নির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বলেছে, ইরানের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা আন্তর্জা
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘোষণায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’ নিন্দা জানানো হবে। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের মধ্যে ব্রিকসের এমন অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এক্সে দেওয়া পোস্টে শু ফেইহং লেখেন, ‘দুই নেতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে। কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা করবে, যোগাযোগ বাড়াবে, সহযোগিতা জোরদার করবে এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। একই সঙ্গে দুই দেশ ভালো প্রতিবেশী হিসেবে
বাংলাদেশে জ্বালানির উচ্চমূল্য আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বিনিময় হার, বিদ্যুৎ ভর্তুকি এবং মূল্যস্ফীতির ওপর একযোগে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বাড়লে রপ্তানিকারক ও ক্ষুদ্র ব্যবসার নগদ প্রবাহ দুর্বল হতে পারে। এর পরোক্ষ প্রভাব ব্যাংকের ঋণমান ও খেলাপি ঋণের ওপরও পড়তে পারে।
ভারতের সভাপতিত্বে এবারের সম্মেলন এমন একসময়ে হচ্ছে, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের সংকট, বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা— সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের টানাপোড়েন চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫৮.৬ কিলোমিটার (২২২.৮ মাইল) গভীরে।