গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করা তাদের মৌলিক নীতির অংশ এবং তেহরান এই নীতির প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ তল্লাশি চৌকিতে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা প্রথমে চৌকিতে ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে, বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ি চৌকির সীমানা প্রাচীরে সজোরে ধাক্কা দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। শক্তিশালী এই বিস্ফোরণে ভবনের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং
জম্মু-কাশ্মীরের যেসব এলাকাকে ভারত নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে, সেখানে চীনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে কড়া আপত্তি জানিয়েছে নয়া দিল্লি। একই সঙ্গে ১৯৬৩ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভারতীয় ভূখণ্ড চীন ‘অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে’ বলেও অভিযোগ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের ‘বিবেচনায় নেই’ বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সূত্র। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে তারা বলেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার শিক্ষামন্ত্রীর ‘পাশেই রয়েছে’। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছ
কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের পর দলটি জানিয়েছে— শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ অথবা তাকে বরখাস্ত করা ছাড়া এই আন্দোলনের সমাধান হবে না। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় নিয়েছে। ততক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় অসদুপায় ঠেকাতে আইন আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের মোদি সরকার। বিদ্যমান আইনে সংশোধনী এনে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ কোটি রুপি জরিমানার বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এরপর দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘আমাকে ভয় দেখিয়ে সরানো যাবে না। আমি ঠিক করেই নিয়েছিলাম, প্রয়োজন হলে পুলিশ আমাকে চাপা দিয়েই চলে যাক।’
ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী চলমান আন্দোলন থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে থাকার নির্দেশনা দেওয়ায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) কড়া সমালোচনা করেছেন। আজ শুক্রবার তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করায় শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার সাহস তাদের হলো কীভাবে?
ইরাকের আল-আহদ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ইরনা’ জানায়, কুয়েতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটেছে, যার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দক্ষিণ ইরাক থেকেও সেই শব্দ শোনা যায়। তবে এসব বিস্ফোরণের বিষয়ে জর্ডান বা কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল যে, জরুরি ক্ষমতার আওতায় ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে যে শুল্ক আরোপ করেছিল, তার আইনি বৈধতা ছিল না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক জানান, বিভিন্ন শর্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর এবং দেশে সম্ভাব্য সহিংসতা এড়ানোর স্বার্থে তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) এই রদবদল ঘটালেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কিন্তু থামেনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে যন্তর মন্তরে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে এ পরিস্থিতির মাঝেই রাতে অনশন ভেঙে মেদা
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তরুণ বয়সে ওড়িশায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন— এমন একটি পুরোনো ছবি সম্পর্কে অভিজিৎকে প্রশ্ন করেছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। জবাবে তিনি দীপকে বলেন, ‘তাহলে আমার মনে হয় তারও আমাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়া উচিত। আমরা তাকে স্বাগত জানাব। এমনকি তার পদত্যাগ
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে সহিংসতায় সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট বাতিল করা হতে পারে। দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লির কেন্দ্রীয় অংশ এবং বিক্ষোভস্থলের আশপাশে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য, সরকারের নির্
সরকারের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় চারবার আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার বাসভবনে নয়, জন্তর মন্তর বা আন্দোলনস্থলের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে হবে।