ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির উদ্যোগে আয়োজিত এই স্মরণসভায় হাজারো সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্য, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেও
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সকল প্রকার জাহাজকে তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে ২০ শতাংশ হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের দেশগুলোর জাহাজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছিল।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে চরম বার্তা দিয়ে বলেন, জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে তিনি শেষের জন্য রেখে দিচ্ছেন, তবে শেষ পর্যন্ত সেগুলোতেও হামলা হবে। যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে, তবে আগামী সপ্তাহে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
কুয়েতের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দিতে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে দেশটির জনসাধারণকে কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাবিষয়ক নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন লক্ষ্য করে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর কঠোর হামলা অব্যাহত রাখবে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু রাষ্ট্রে’ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
শুমার বলেন, ‘‘প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষই আমাদের সেনাদের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে সরিয়ে আনা এবং যুদ্ধ বন্ধ করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। ট্রাম্পের উচিত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলা।’’
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউজের ভেতরেও লক্ষ্যবস্তু বানানোর সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।’
এর আগে ২০২২ সালে সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছিল হুতিরা। এরপর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সোমবারের হামলার মধ্য দিয়ে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, "প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই দুঃসাহসিক হামলার নিন্দা জানায়, যা একটি গুরুতর লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট অবমাননা। এটি অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।"
আইআরজিসির একটি বিবৃতির বরাত দিয়ে জানা গেছে, বাহরাইনে মার্কিন এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় তাদের জ্বালানি সংরক্ষণাগারে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। এছাড়া ঘাঁটিতে থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, এয়ার কন্ট্রোল রাডার, সি-র্যাম আগাম সতর্কীকরণ রাডার ব্যবস্থা এবং মানববিহীন সারফেস ভেসেল নিয়ন্ত্
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরানের অভ্যন্তরে একটি পারমাণবিক স্থাপনায়ও হামলা চালানোর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন।
চারজন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় ফেরানোর চেষ্টা হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে হরমুজ প্রণালির অভিভাবক হিসেবে পরিচয় দেবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে ব্যয় হবে, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত সব পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
যুক্তরাজ্য সরকার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে তেহরানের সঙ্গে লন্ডনের কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।