আজ রোববার (৮ মার্চ) দেশটির সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। ইরানের এ হামলায় আরও ১২ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে সৌদি সিভিল ডিফেন্স। তবে হতাহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেশী ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে ইরান সুসম্পর্ক চায়, এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, শত্রু দেশগুলো বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে।
ফোনালাপে দুই নেতা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি উত্তেজনা কমানো এবং নতুন করে সংঘাত এড়াতে রাজনৈতিক সমাধানের পথকে সমর্থনের কথাও উল্লেখ করা হয়।
তেহরানের লবণপানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর রোববার বাহরাইনের একটি পানি শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ওই মুখপাত্রের এমন বক্তব্য প্রচার করেছে।
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই বিস্ফোরণে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতির পর এমন মন্তব্য করলেন ট্রাম্প। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, যুক্তরাজ্যের দুটি প্রধান বিমানবাহী রণতরির একটি এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে পূর্ণ প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মহাসচিব আলী লারিজানি জানান, গত এক সপ্তাহ আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন অভিযানে এসব সেনাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে তেহরান।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি জানান, বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরে ইরানি হামলায় ২১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আইআরজিসি ইরানের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী একটি সংস্থা। সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনীতি, শিক্ষা ও অর্থনীতিতেও এ বাহিনীর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ বিমান হামলার কঠোর জবাব হিসেবে অভিহিত করেছে।
সার্বিক চিত্র বলছে, এক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়ে ইরান যুদ্ধের সূত্র ধরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একের পর এক নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত ইরানে সামরিক সাফল্য অর্জন করা গেলেও তাকে স্পষ্ট কোনো ভূরাজনৈ
শুক্রবার আইআরজিসি এ হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। ইরানের এ বাহিনী বলছে, হরমুজ প্রণালির কিশ দ্বীপে পানি শোধনাগারে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই আক্রমণ চালিয়েছে।
জর্ডানের বিমান বাহিনী ১০৮টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আটকাতে ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলেও জানানো হয়।
শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা ইরানে ‘খুব ভালো’ করছে- ‘এটা অসাধারণ হয়েছে’।
প্রসঙ্গত, ইরান তার আশপাশের যেসব দেশে হামলা চালিয়ে সেগুলোর কাছে আজ দুঃখপ্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। কোনো দেশ থেকে ‘প্রথমে হামলা না হলে’ আক্রমণ করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।