তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ যখন অবকাঠামোগত যুদ্ধের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ইরানের `বৈধ লক্ষ্যবস্তু’র পরিধিও বাড়ছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি টাস্কফোর্সের মাধ্যমে পররাষ্ট্র দপ্তর ৩০ হাজার নাগরিককে ফিরে আসতে সহায়তা করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার সিনেটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, ইরানি হামলার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ক্যানবেরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন হরমুজ প্রণালিতে থাকা অকার্যকর মাইন বসানো দশটি ইরানি নৌযানে মার্কিন বাহিনী হামলা করেছে।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরাইলের বিভিন্ন শহর, যার মধ্যে তেল আবিব ও হাইফা রয়েছে। এছাড়া ‘পশ্চিম জেরুজালেম’ এলাকাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়—এটি বিতর্কিত জেরুজালেম শহরের সেই এলাকা যা বর্তমানে পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এ কারণে আমাদের বিশেষ বাজেটের প্রয়োজন। কয়েক বিলিয়ন শেকেল (ইসরায়েলি মুদ্রা) লাগবে প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য এই যুদ্ধের জন্য।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জেরুজালেম পোস্ট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়া নিয়ে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ভিত্তিহীন। এর পক্ষে কোনো প্রমাণ বা সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
একই কথা উল্লেখ করে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, ‘শুরুর দিকের তুলনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে এবং অভিযান শুরুর পর থেকে একমুখী ড্রোন হামলার হার ৮৩ শতাংশ কমেছে।’
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে জ্বালানি সাশ্রয় ও দামের অস্থিরতা সামাল দিতে হোম অফিস পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়েছে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। দেশ দুটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মঙ্গলবার বাসা থেকে অফিস করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আল-সুদানি ফোনালাপে জোর দিয়ে বলেন, ইরাকের আকাশসীমা, ভূখণ্ড ও জলসীমা যেন কোনো প্রতিবেশী দেশ বা আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক হামলার জন্য ব্যবহার করা না হয়।
ইরানের হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেওয়ার ‘চিন্তাভাবনা’ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে বলে জানিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার জবাবে এই ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ‘এমেক হা-এলা’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়।
বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হচ্ছে যে, নেতানিয়াহু যে বাঙ্কারে বা সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে আইআরজিসি-র নজিরবিহীন নিখুঁত হামলার সময় তিনি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাদের প্রতিবেদকেরা তেহরানে সোমবার রাতে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। তবে বিস্ফোরণের লক্ষ্যবস্তু এবং প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সমর্থনে ইরানজুড়ে বড় ধরনের সমাবেশে অংশ নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ।