
বিবিসি বাংলা

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বা বিএনসিসি নিয়োগ করার বিষয়ে নিজেদের আপত্তির কথা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে বিএনপি।
রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) সদস্যদের যারা ছাত্র, তাদেরকে নির্বাচনের কাজে যুক্ত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা তারা শুনেছেন, যদিও এটা চূড়ান্ত হয়নি।
ছাত্রদের সংসদ নির্বাচনের মতো জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা ঠিক হবে না বলে তারা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই কাজে যুক্ত হলে তারা ও তার প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে সেজন্য ভালো হয়, তাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সর্ম্পৃক্ত না করা।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে আইনে যাদের উল্লেখ আছে তাদেরকে নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত।
ইসি তাদের এই কথার যৌক্তিকতা স্বীকার করে এ বিষয়ে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন আসনে অস্বাভাবিক ‘ভোটার মাইগ্রেশন’ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত এক দেড় বছরে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর ভোটারের মাইগ্রেশন হয়েছে (ভোটার স্থানান্তর)। বিশেষ বিশেষ কিছু এলাকায় অনেক নতুন ভোটার হয়েছে, যেটা অস্বাভাবিক। এটা কখনো আগে হয়নি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে আলোচনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল ভোটার মাইগ্রেশনের বিষয়টি তুলে ধরলে ইসি তাদেরকে জানান, তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগে খোঁজ করে জানতে পেরেছেন কোনো আসনে দু তিন হাজারের বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়নি।
ইসির এমন বক্তব্যে বিএনপি সন্তুষ্ট নয় জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারা নিশ্চিত জানেন, প্রকৃতপক্ষে অনেক বেশি ভোটার মাইগ্রেশন হয়েছেন। যারা ইসিকে এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করেছেন, তারা সঠিক তথ্য দেননি।
বিভিন্ন জায়াগায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, কেউ কেউ কোনো দলের পক্ষে বক্তৃতা করতে ধর্মীয় আবেগ ও বিশ্বাসকে আঘাত করছেন। কিন্তু ইসি কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বা বিএনসিসি নিয়োগ করার বিষয়ে নিজেদের আপত্তির কথা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে বিএনপি।
রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) সদস্যদের যারা ছাত্র, তাদেরকে নির্বাচনের কাজে যুক্ত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা তারা শুনেছেন, যদিও এটা চূড়ান্ত হয়নি।
ছাত্রদের সংসদ নির্বাচনের মতো জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা ঠিক হবে না বলে তারা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই কাজে যুক্ত হলে তারা ও তার প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে সেজন্য ভালো হয়, তাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সর্ম্পৃক্ত না করা।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে আইনে যাদের উল্লেখ আছে তাদেরকে নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত।
ইসি তাদের এই কথার যৌক্তিকতা স্বীকার করে এ বিষয়ে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন আসনে অস্বাভাবিক ‘ভোটার মাইগ্রেশন’ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত এক দেড় বছরে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর ভোটারের মাইগ্রেশন হয়েছে (ভোটার স্থানান্তর)। বিশেষ বিশেষ কিছু এলাকায় অনেক নতুন ভোটার হয়েছে, যেটা অস্বাভাবিক। এটা কখনো আগে হয়নি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে আলোচনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল ভোটার মাইগ্রেশনের বিষয়টি তুলে ধরলে ইসি তাদেরকে জানান, তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগে খোঁজ করে জানতে পেরেছেন কোনো আসনে দু তিন হাজারের বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়নি।
ইসির এমন বক্তব্যে বিএনপি সন্তুষ্ট নয় জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারা নিশ্চিত জানেন, প্রকৃতপক্ষে অনেক বেশি ভোটার মাইগ্রেশন হয়েছেন। যারা ইসিকে এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করেছেন, তারা সঠিক তথ্য দেননি।
বিভিন্ন জায়াগায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, কেউ কেউ কোনো দলের পক্ষে বক্তৃতা করতে ধর্মীয় আবেগ ও বিশ্বাসকে আঘাত করছেন। কিন্তু ইসি কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে