
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক জোটে যাওয়া বা আসন সমঝোতায় সম্মতি জানিয়ে এবার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ১৭০ নেতা। এর আগে এই জোটে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন দলের ৩০ নেতা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গুরুত্বপূর্ণ এই নীতিগত বিষয়ে নিজেদের সম্মতি ও নির্বাচনকে সামনে রেখে বাস্তবতার আলোকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা চিঠিতে তুলে ধরেন ৩০ এনসিপি নেতা।
এর আগে দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন জানিয়েছেন, ‘ফাইনালি জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি জোটে যাচ্ছে। আগামীকাল (রোববার) ঘোষণা দেওয়া হবে।’
এনসিপি আহ্বায়ককে দেওয়া চিঠিতে নেতারা বলেন, আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীরা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে দলীয় আদর্শ, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ কৌশলগত অবস্থানকে সমুন্নত রাখার স্বার্থে এই মতামত পেশ করছি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে টেকসই করা এবং একটি জনমুখী ও দায়বদ্ধ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিকভাবে সময়োপযোগী ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি।
নেতারা বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় স্বার্থ, জাতীয় স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের বৃহত্তর লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনসিপি যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা কিংবা জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়, সে বিষয়ে আমাদের পূর্ণ সমর্থন ও সম্মতি রয়েছে। নির্বাহী কাউন্সিলের সুপারিশের আলোকে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেওয়া যেকোনো জোট বা নির্বাচনি সমঝোতা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট সমর্থন ও আস্থা রয়েছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তে সম্মতি দেওয়া নেতারা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে এনসিপি একটি সময়োপযোগী, গ্রহণযোগ্য ও ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে উপনীত হবে, যা দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে। এ বিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় ও যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রত্যাশা রেখে আমাদের সম্মতির বিষয়টি সদয় অবগতির জন্য উপস্থাপন করা হলো।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব, সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, জাভেদ রাসীন, আরিফুর রহমান তুহিন, সাইফুল্লাহ হায়দার, আতাউল্লাহ, মাহমুদা মিতু, মাহিন সরকার, এহতেশাম হক, আশিকিন আলম, ডা. আব্দুল আহাদ, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, আলী নাসের খান, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, দিলশানা পারুল, মাহবুব আলম, হাফসা জাহান, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত,জুবায়রুল হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনায়েদ, কৈলাশ চন্দ্র রবিদাসসহ অন্যরা এই চিঠি দিয়েছেন।
এর আগে যে ৩০ নেতা জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানিয়ে নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন তাদের মধ্যে দুজন একমত হননি বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ গ্রুপেও বিষয়টি তারা জানিয়েছেন বলে এনসিপি সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে এরই মধ্যে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এনসিপি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে মনোনয়ন পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন শনিবার। পরে তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণাও দিয়েছেন।
এনসিপির নেতাকর্মীদের কারও কারও ধারণা, জামায়াতের সঙ্গে দলটির জোটের ইস্যুতে একমত পোষণ না করার কারণেই তাসনিম জারা পদত্যাগ করেছেন। তবে এ বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক জোটে যাওয়া বা আসন সমঝোতায় সম্মতি জানিয়ে এবার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ১৭০ নেতা। এর আগে এই জোটে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন দলের ৩০ নেতা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গুরুত্বপূর্ণ এই নীতিগত বিষয়ে নিজেদের সম্মতি ও নির্বাচনকে সামনে রেখে বাস্তবতার আলোকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা চিঠিতে তুলে ধরেন ৩০ এনসিপি নেতা।
এর আগে দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন জানিয়েছেন, ‘ফাইনালি জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি জোটে যাচ্ছে। আগামীকাল (রোববার) ঘোষণা দেওয়া হবে।’
এনসিপি আহ্বায়ককে দেওয়া চিঠিতে নেতারা বলেন, আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীরা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে দলীয় আদর্শ, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ কৌশলগত অবস্থানকে সমুন্নত রাখার স্বার্থে এই মতামত পেশ করছি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনর্গঠন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে টেকসই করা এবং একটি জনমুখী ও দায়বদ্ধ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিকভাবে সময়োপযোগী ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি।
নেতারা বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় স্বার্থ, জাতীয় স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের বৃহত্তর লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনসিপি যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা কিংবা জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়, সে বিষয়ে আমাদের পূর্ণ সমর্থন ও সম্মতি রয়েছে। নির্বাহী কাউন্সিলের সুপারিশের আলোকে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেওয়া যেকোনো জোট বা নির্বাচনি সমঝোতা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট সমর্থন ও আস্থা রয়েছে।
জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তে সম্মতি দেওয়া নেতারা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে এনসিপি একটি সময়োপযোগী, গ্রহণযোগ্য ও ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে উপনীত হবে, যা দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে। এ বিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় ও যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রত্যাশা রেখে আমাদের সম্মতির বিষয়টি সদয় অবগতির জন্য উপস্থাপন করা হলো।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব, সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, জাভেদ রাসীন, আরিফুর রহমান তুহিন, সাইফুল্লাহ হায়দার, আতাউল্লাহ, মাহমুদা মিতু, মাহিন সরকার, এহতেশাম হক, আশিকিন আলম, ডা. আব্দুল আহাদ, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, আলী নাসের খান, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, দিলশানা পারুল, মাহবুব আলম, হাফসা জাহান, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত,জুবায়রুল হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনায়েদ, কৈলাশ চন্দ্র রবিদাসসহ অন্যরা এই চিঠি দিয়েছেন।
এর আগে যে ৩০ নেতা জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানিয়ে নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন তাদের মধ্যে দুজন একমত হননি বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ গ্রুপেও বিষয়টি তারা জানিয়েছেন বলে এনসিপি সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে এরই মধ্যে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এনসিপি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে মনোনয়ন পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন শনিবার। পরে তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণাও দিয়েছেন।
এনসিপির নেতাকর্মীদের কারও কারও ধারণা, জামায়াতের সঙ্গে দলটির জোটের ইস্যুতে একমত পোষণ না করার কারণেই তাসনিম জারা পদত্যাগ করেছেন। তবে এ বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সেখানে বলা হয়, অনেক জায়গায় আমাদের প্রার্থীরা অল্প ভোটে রহস্যজনকভাবে হেরে গেছেন। ফলাফলে বারবার গরমিল ও সাজানো দেখা যাচ্ছে এবং প্রশাসনও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি বলে মনে হচ্ছে। এসব কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্যই আমার পথচলা শুরু। এটি কোনো একক নির্বাচনী লড়াই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতন নাগরিকত্বের চর্চাই ভবিষ্যৎ রাজনীতির ভিত্তি হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯ আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে বিজয়ী হয়েছে। ১১ দলীয় জোট থেকে আরো কয়েকজন প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার পাশে ছিল সাধারণ মানুষ। তাদের সমর্থন ও আস্থার কারণেই আমি বিজয়ী হয়েছি।
৯ ঘণ্টা আগে