
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের ও দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়টি ফের সামনে এসেছে। দুইজনই জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাল্টাপাল্টি চিঠি দিয়েছেন।
শনিবার জিএম কাদেরের পক্ষে দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু স্বাক্ষরিত চিঠি নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে দেয়া হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, আপনাকে জানানো যাচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী জাতীয় পার্টির ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে দলের প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
চিঠিতে জিএম কাদের তার ৪টি নমুনা স্বাক্ষর প্রদান করেন।
অন্যদিকে, দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের দেয়া চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আগের তিনটি সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এবারও চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটা হবে শুধু নির্বাচনী জোট।
চিঠিতে তিনি বলেন, নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবেন। এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা লাঙ্গল কিংবা প্রার্থীর ইচ্ছানুসারে মহাজোটে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
এদিকে এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, এখন পর্যন্ত সংলাপের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। বিএনপিও সংলাপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি, সরকারি দলও সংলাপ প্রত্যাখান করেছে। এরকম অবস্থায় জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাবে কি না এ প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে। আগামী ২-১ দিনের মধ্যে আমরা জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতারা, প্রয়োজনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মিটিং ডেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কিংবা না নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের ও দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়টি ফের সামনে এসেছে। দুইজনই জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পাল্টাপাল্টি চিঠি দিয়েছেন।
শনিবার জিএম কাদেরের পক্ষে দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু স্বাক্ষরিত চিঠি নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে দেয়া হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, আপনাকে জানানো যাচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী জাতীয় পার্টির ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে দলের প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
চিঠিতে জিএম কাদের তার ৪টি নমুনা স্বাক্ষর প্রদান করেন।
অন্যদিকে, দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের দেয়া চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আগের তিনটি সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এবারও চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটা হবে শুধু নির্বাচনী জোট।
চিঠিতে তিনি বলেন, নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবেন। এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা লাঙ্গল কিংবা প্রার্থীর ইচ্ছানুসারে মহাজোটে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
এদিকে এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, এখন পর্যন্ত সংলাপের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। বিএনপিও সংলাপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি, সরকারি দলও সংলাপ প্রত্যাখান করেছে। এরকম অবস্থায় জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাবে কি না এ প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে। আগামী ২-১ দিনের মধ্যে আমরা জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতারা, প্রয়োজনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মিটিং ডেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কিংবা না নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে