
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের ওপর থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং মামলাটিও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এই আদেশ দেন।
বাদীরা মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করায় আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে ৩০ জুলাই জিএম কাদেরের দলীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল।
বুধবার (১৩ আগস্ট) জিএম কাদেরের আইনজীবী মনোয়ার হোসাইন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ২ আগস্ট মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন বাদীপক্ষ। ১২ আগস্ট শুনানি শেষে আদালত তাদের প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে মামলার বাদী পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ জুলাই জিএম কাদের ও মাহমুদুল আলমের দলীয় কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এই আদালত। একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ ১০ জনের প্রাথমিক পদসহ সাংগঠনিক পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাদের পদ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তারা হলেন—জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক-২ এম. এ রাজ্জাক খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ (চট্টগ্রাম), প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আকতার (ফেনী), প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম জহির (টাঙ্গাইল), প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা আল মাহমুদ (জামালপুর), প্রেসিডিয়াম সদস্য জসীম উদ্দিন (নেত্রকোনা) এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য আরিফুর রহমান খান (গাজীপুর)।
আদালত ওই দিনের আদেশে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ক্রমানুসারে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেন।
মোকাদ্দমার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থিভাবে জিএম কাদেরকে পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর জিএম কাদের পার্টির সম্মেলন ও কাউন্সিল ডেকে অবৈধভাবে নতুন গঠনতন্ত্র অনুমোদন করেন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৮ জুন প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ ৭ জনকে, পরে আরও ৩ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং জাতীয় পার্টির ওয়েবসাইট থেকেও তাঁদের নাম মুছে ফেলা হয়।
যাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল ইসলাম মাহমুদসহ ১০ জনের পক্ষে গত ১০ জুলাই এই মামলাটি দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, জিএম কাদেরের কার্যক্রমে ও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর গত ৯ আগস্ট জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয় আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে এবং মহাসচিব করা হয় রুহুল আমিন হাওলাদারকে। পাশাপাশি সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন কাজী ফিরোজ রশিদ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাবেক মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু।
তবে জি এম কাদেরের অংশ নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের ওপর থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং মামলাটিও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এই আদেশ দেন।
বাদীরা মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করায় আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে ৩০ জুলাই জিএম কাদেরের দলীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল।
বুধবার (১৩ আগস্ট) জিএম কাদেরের আইনজীবী মনোয়ার হোসাইন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ২ আগস্ট মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন বাদীপক্ষ। ১২ আগস্ট শুনানি শেষে আদালত তাদের প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে মামলার বাদী পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ জুলাই জিএম কাদের ও মাহমুদুল আলমের দলীয় কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এই আদালত। একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ ১০ জনের প্রাথমিক পদসহ সাংগঠনিক পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাদের পদ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তারা হলেন—জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক-২ এম. এ রাজ্জাক খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ (চট্টগ্রাম), প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আকতার (ফেনী), প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম জহির (টাঙ্গাইল), প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা আল মাহমুদ (জামালপুর), প্রেসিডিয়াম সদস্য জসীম উদ্দিন (নেত্রকোনা) এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য আরিফুর রহমান খান (গাজীপুর)।
আদালত ওই দিনের আদেশে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ক্রমানুসারে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেন।
মোকাদ্দমার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থিভাবে জিএম কাদেরকে পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর জিএম কাদের পার্টির সম্মেলন ও কাউন্সিল ডেকে অবৈধভাবে নতুন গঠনতন্ত্র অনুমোদন করেন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৮ জুন প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ ৭ জনকে, পরে আরও ৩ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং জাতীয় পার্টির ওয়েবসাইট থেকেও তাঁদের নাম মুছে ফেলা হয়।
যাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল ইসলাম মাহমুদসহ ১০ জনের পক্ষে গত ১০ জুলাই এই মামলাটি দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, জিএম কাদেরের কার্যক্রমে ও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর গত ৯ আগস্ট জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয় আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে এবং মহাসচিব করা হয় রুহুল আমিন হাওলাদারকে। পাশাপাশি সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন কাজী ফিরোজ রশিদ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাবেক মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু।
তবে জি এম কাদেরের অংশ নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গঠিত জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি প্রথমবারের মতো আগামী ৪ আগস্ট বৈঠকে বসছে। তবে সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন— এ মৌলিক মতপার্থক্যের কারণে বিরোধী দল এখনো কমিটিতে যোগ না দেওয়ায় তাদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি পদ শূন্যই থাকছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
১৪ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১৮ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে