
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখার নানা ধাপ তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ জাসদ।
দলটি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও জুলাই সনদের জন্য যে গণভোটের প্রস্তাব করা হয়েছে তাকে ‘গোঁজামিলে পূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে তার বাইরে যেকোনো প্রস্তাবই অনৈক্যের কারণ হতে পারে আশঙ্কা দলটির।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এক যুক্ত বিবৃতিতে দলের এমন অবস্থান তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ জাসদের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যেসব বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে সেগুলোই জাতীয় সনদ। এর বাইরে কোনো বিষয় সরকার যদি চাপিয়ে দিতে চায়, সেটি অনৈক্যকে অমীমাংসেয় করে তুলবে।
গণভোট প্রসঙ্গে শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান বলেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য জাতীয় সংসদে আলোচনার আগে গণভোট অপ্রয়োজনীয়। তারপরও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সর্বসম্মত প্রস্তাবগুলোতে গণভোট নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু এ গণভোট দিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করা যাবে না।
সাংবিধান বিদ্যমান থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি করাকে সংবিধানসম্মত নয় বলে মনে করছে বাংলাদেশ জাসদ। দলটি বলছে, প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ দ্বারা গণভোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই সময়ে হতে পারে। তবে জাতীয় সংসদকে নতুন নামে (সংবিধান সংস্কার পরিষদ) অভিহিত করে দ্বৈত স্বত্ত্বা প্রদান করা সংবিধানবিরোধী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কিছু দলের অবাস্তব দাবিকে জুলাই সনদ বলে চালিয়ে দেওয়া গণতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচায়ক নয়। গণভোটের জন্য যেভাবে চারটি প্রশ্নের প্রস্তাব করা হয়েছে তা গণভোটকে হাসি-ঠাট্টার বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে।
শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান বলেন, আমরা যথাসময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজনকে স্বাগত জানাই। কিন্তু গোঁজামিলে পূর্ণ গণভোটকে গ্রহণ করতে পারছি না। নির্বাচন কমিশন আর দেরি না করে জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা করবেন, জাতি সেটাই আশা করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শিরোনামের আদেশে অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সইয়ের পর সেটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেই আদেশের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি জানান, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট হবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখার নানা ধাপ তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ জাসদ।
দলটি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও জুলাই সনদের জন্য যে গণভোটের প্রস্তাব করা হয়েছে তাকে ‘গোঁজামিলে পূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে তার বাইরে যেকোনো প্রস্তাবই অনৈক্যের কারণ হতে পারে আশঙ্কা দলটির।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এক যুক্ত বিবৃতিতে দলের এমন অবস্থান তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ জাসদের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যেসব বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে সেগুলোই জাতীয় সনদ। এর বাইরে কোনো বিষয় সরকার যদি চাপিয়ে দিতে চায়, সেটি অনৈক্যকে অমীমাংসেয় করে তুলবে।
গণভোট প্রসঙ্গে শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান বলেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য জাতীয় সংসদে আলোচনার আগে গণভোট অপ্রয়োজনীয়। তারপরও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সর্বসম্মত প্রস্তাবগুলোতে গণভোট নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু এ গণভোট দিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করা যাবে না।
সাংবিধান বিদ্যমান থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি করাকে সংবিধানসম্মত নয় বলে মনে করছে বাংলাদেশ জাসদ। দলটি বলছে, প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ দ্বারা গণভোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই সময়ে হতে পারে। তবে জাতীয় সংসদকে নতুন নামে (সংবিধান সংস্কার পরিষদ) অভিহিত করে দ্বৈত স্বত্ত্বা প্রদান করা সংবিধানবিরোধী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কিছু দলের অবাস্তব দাবিকে জুলাই সনদ বলে চালিয়ে দেওয়া গণতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচায়ক নয়। গণভোটের জন্য যেভাবে চারটি প্রশ্নের প্রস্তাব করা হয়েছে তা গণভোটকে হাসি-ঠাট্টার বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে।
শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও নাজমুল হক প্রধান বলেন, আমরা যথাসময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজনকে স্বাগত জানাই। কিন্তু গোঁজামিলে পূর্ণ গণভোটকে গ্রহণ করতে পারছি না। নির্বাচন কমিশন আর দেরি না করে জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা করবেন, জাতি সেটাই আশা করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শিরোনামের আদেশে অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সইয়ের পর সেটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেই আদেশের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি জানান, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট হবে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে