
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে। ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ শিরোনামের এই প্যানেলের নেতৃত্বে রাখা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ও আবু বাকের মজুমদারকে।
বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেন জুলাই আন্দোলনের শহিদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া। এ সময় প্যানেলের প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিও তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মতো এই প্যানেলটিও গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে প্রার্থী দেয়নি। জুলাই আন্দোলনে আহত সানজিদা আহমেদ তন্বী স্বতন্ত্র হিসেবে এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বাগছাস তাকেই সমর্থন দিয়েছে।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে ডাকসু নির্বাচনের জন্য ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)। ছবি ফোকাস বাংলা
‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল থেকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী হয়েছেন বাগছাসের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এই প্যানেলের প্রার্থী বাগছাসের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার। সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রার্থী করা হয়েছে আশরেফা খাতুনকে। তিনি বাগছাসের কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন।
এই প্যানেল থেকে ১৩টি সদস্য পদেও প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মো. মাসউদুজ্জামান, ফেরদৌস আইয়াম, ইসমাঈল, তাপসী রাবেয়া, মো. আরমানুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, রিফতি আল জাবেদ, আশরাফ অনিক, রওনক জাহান, মাহফুজা নওয়ার নওরীন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আরিফুর রহমান ও ফেরদৌস আলম।
এর আগে ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে ৬৫৮টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। আর হল সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৮টি হলে বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৪২৭টি মনোনয়নপত্র। আজ বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন আগ্রহীরা। এ সময়ের মধ্যে ৫০৯ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ ছাড়াও আরও সাতটি প্যানেল বিভিন্ন নামে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে। বাকি সাত প্যানেল হলো— ছাত্রদল প্যানেল, ছাত্রশিবিরের ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’, উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র ঐক্যজোট’, বামপন্থি শিক্ষার্থীদের ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’, ছাত্র অধিকার পরিষদের ‘ডাকসু ফর চেঞ্জ’, ইসালামী ছাত্র আন্দোলনের ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মাহিন সরকারের স্বতন্ত্র প্যানেল ‘ডিইউ ফার্স্ট’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে। ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ শিরোনামের এই প্যানেলের নেতৃত্বে রাখা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ও আবু বাকের মজুমদারকে।
বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেন জুলাই আন্দোলনের শহিদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া। এ সময় প্যানেলের প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিও তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মতো এই প্যানেলটিও গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে প্রার্থী দেয়নি। জুলাই আন্দোলনে আহত সানজিদা আহমেদ তন্বী স্বতন্ত্র হিসেবে এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বাগছাস তাকেই সমর্থন দিয়েছে।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে ডাকসু নির্বাচনের জন্য ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)। ছবি ফোকাস বাংলা
‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল থেকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী হয়েছেন বাগছাসের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এই প্যানেলের প্রার্থী বাগছাসের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার। সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রার্থী করা হয়েছে আশরেফা খাতুনকে। তিনি বাগছাসের কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন।
এই প্যানেল থেকে ১৩টি সদস্য পদেও প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মো. মাসউদুজ্জামান, ফেরদৌস আইয়াম, ইসমাঈল, তাপসী রাবেয়া, মো. আরমানুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, রিফতি আল জাবেদ, আশরাফ অনিক, রওনক জাহান, মাহফুজা নওয়ার নওরীন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আরিফুর রহমান ও ফেরদৌস আলম।
এর আগে ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে ৬৫৮টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। আর হল সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৮টি হলে বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৪২৭টি মনোনয়নপত্র। আজ বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন আগ্রহীরা। এ সময়ের মধ্যে ৫০৯ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ ছাড়াও আরও সাতটি প্যানেল বিভিন্ন নামে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে। বাকি সাত প্যানেল হলো— ছাত্রদল প্যানেল, ছাত্রশিবিরের ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’, উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র ঐক্যজোট’, বামপন্থি শিক্ষার্থীদের ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’, ছাত্র অধিকার পরিষদের ‘ডাকসু ফর চেঞ্জ’, ইসালামী ছাত্র আন্দোলনের ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’ এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মাহিন সরকারের স্বতন্ত্র প্যানেল ‘ডিইউ ফার্স্ট’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
১ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
২ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে