
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটেকে সামনে রেখে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোটারদের উদ্দেশে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ভাষণ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নির্বাচনি পরিবশে সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে দলীয় প্রধানের নির্বাচনী প্রচারের জন্যে স্লট বরাদ্দের বিষয়ে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছে ইসি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৬ (জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠান)-এর উপবিধি (গ)- এর অনুসরণে লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে স্লট নির্ধারণ করা; বিটিভি কর্তৃক প্রতি রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্য স্লট বরাদ্দ এবং স্লটের মেয়াদ নির্ধারণ করা; যেসব রাজনৈতিক দল বিটিভিতে প্রচারণার সুযোগ চাইবে তাদেরকে তাদের আবেদনের সময়ের ক্রমানুয়ায়ী বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেয়া (দলীয় প্রধানদের নামের তালিকা সংযুক্ত করা হলো); প্রচারণা রেকর্ডিংয়ের তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে বিটিভি নিষ্পত্তি করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেহেতু বিএনপি ছাড়া অন্য কোনও রাজনৈতিক দল হতে আবেদন পাওয়া যায়নি তাই বিএনপির দলীয় প্রধানকে তাদের চাহিদা মোতাবেক ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ স্লটে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া, বর্ণিতাবস্থায় উপরোল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার শেষ সময়ে প্রধান কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের ভাষণ বিটিভিতে প্রচার করা হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এ ধরনের ভাষণ সম্প্রচার হয়। সে সময় এ-সংক্রান্ত নীতিমালাও চাওয়া হয়েছিল বিটিভির পক্ষ থেকে। তবে একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই প্রথা আর অনুসরণ করা হয়নি। এবার দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তা চালু হতে যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটেকে সামনে রেখে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোটারদের উদ্দেশে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ভাষণ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নির্বাচনি পরিবশে সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে দলীয় প্রধানের নির্বাচনী প্রচারের জন্যে স্লট বরাদ্দের বিষয়ে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছে ইসি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৬ (জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠান)-এর উপবিধি (গ)- এর অনুসরণে লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে স্লট নির্ধারণ করা; বিটিভি কর্তৃক প্রতি রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্য স্লট বরাদ্দ এবং স্লটের মেয়াদ নির্ধারণ করা; যেসব রাজনৈতিক দল বিটিভিতে প্রচারণার সুযোগ চাইবে তাদেরকে তাদের আবেদনের সময়ের ক্রমানুয়ায়ী বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেয়া (দলীয় প্রধানদের নামের তালিকা সংযুক্ত করা হলো); প্রচারণা রেকর্ডিংয়ের তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে বিটিভি নিষ্পত্তি করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেহেতু বিএনপি ছাড়া অন্য কোনও রাজনৈতিক দল হতে আবেদন পাওয়া যায়নি তাই বিএনপির দলীয় প্রধানকে তাদের চাহিদা মোতাবেক ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ স্লটে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া, বর্ণিতাবস্থায় উপরোল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার শেষ সময়ে প্রধান কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতাদের ভাষণ বিটিভিতে প্রচার করা হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও এ ধরনের ভাষণ সম্প্রচার হয়। সে সময় এ-সংক্রান্ত নীতিমালাও চাওয়া হয়েছিল বিটিভির পক্ষ থেকে। তবে একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই প্রথা আর অনুসরণ করা হয়নি। এবার দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তা চালু হতে যাচ্ছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে