সব দলের সঙ্গে বসে মানবিক করিডোরের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল: ফখরুল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৫, ২৩: ১০

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা আরেকটা গাজায় পরিণত হতে চাই না। আর যুদ্ধ দেখতে চাই না।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের খাগড়াবাড়ী শেখ বাজারে গণসংযোগ কর্মসূচিতে রাখাইনে ‘মানবিক করিডর’ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি হিউম্যানিরিটিয়া প্যাসেজ সিদ্ধান্তে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন।

সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব একটা নির্বাচন করা৷ সবাই মিলে আমরা অধ্যাপক ইউনুস সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি অনেক জ্ঞানী ও নোবেলবিজয়ী মানুষ, তবে রাজনীতিবিদ নন৷ গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এখন একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে৷ দেশের স্বার্থে, মানুষের নিরাপত্তা স্বার্থে নির্বাচন দেওয়া দরকার৷ সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত৷

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে জাহান্নামে পরিণত করেছিল৷ হামলা-মামলা, গুম, খুন, নির্যাতনসহ কোটি কোটি টাকা লুট করেছে তারা৷ দেশের মানুষ অস্থির হয়ে জীবন দিয়ে রক্ত দিয়ে হাসিনাকে উৎখাত করেছে। গণ-অভ্যুত্থানের পরে বেগম জিয়া হাসপাতাল থেকে একটি বাণী দিয়েছিলেন৷ তিনি বলেছিলেন,অনেক নির্যাতন হয়েছে, রক্তপাত ঘটেছে। আসুন সব প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে আমরা একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ি। সবাই মিলে সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন, সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন তুহিনসহ দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

‘জিয়াউর রহমান আর ১০ বছর বাঁচলে বাংলাদেশ অনন্য দেশ হতো’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না

৩ দিন আগে

সরকার স্বস্তি দিতে চায়, বিরোধীদল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

৪ দিন আগে

প্রস্তাবিত বাজেট কথার ফুলঝুরি, রাজনৈতিক চমকবাজি: জাসদ

প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।

৬ দিন আগে

বড় ও ফাঁপা বাজেট, বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি

এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট অনেক বড় অঙ্কের, কিন্তু একই সঙ্গে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসার বা ফাঁকা বলে প্রতিভাত হচ্ছে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির কোনো আশাবাদ প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যাচ্ছে না। এই বাজেট বৈষম্য বৃদ্ধি করবে।

৬ দিন আগে
সব দলের সঙ্গে বসে মানবিক করিডোরের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল: ফখরুল