
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বাবার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। পরে কিছু সময় বাবার কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল পৌনে ৫টার কিছু আগে ঢাকার শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পৌঁছান তারেক রহমান। আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়া উদ্যানের পথে রওয়ানা হন তারেক রহমান। গতকাল তার দেশে ফেরার দিন যেমন যাত্রাপথের পুরোটা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে লোকারণ্যে পরিণত হয়, একই চিত্র ছিল আজও। ফলে গুলশান থেকে রওয়ানা দিয়ে আগারগাঁওয়ে বাবার কবর পর্যন্ত পৌঁছাতে তার সময় লাগে প্রায় দুই ঘণ্টা।
তারেক রহমান বিকেলে জিয়া উদ্যানে পৌঁছালেও সকাল থেকেই ওই এলাকায় বিএনপিসহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে সেখানে হাজির হন তারা। জুমার নামাজের পর গোটা এলাকা রীতিমতো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। রাস্তার দুপাশ তো বটেই, গোটা রাস্তা দখল করে রেখে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।
জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ছাড়াও আব্দুস সালাম, খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা মোনাজাতে অংশ নেন।
বাবার কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান রওয়ানা হয়েছেন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পথে। সেখানে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ১৭ বছর লন্ডনে থাকার পর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন তিনি।
দেশে ফিরেই বিমানবন্দর থেকে বিশেষ বাসে করে সরাসরি পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান মা খালেদা জিয়াকে দেখতে। রাতে ফেরেন গুলশানের বাসায়।

দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বাবার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। পরে কিছু সময় বাবার কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল পৌনে ৫টার কিছু আগে ঢাকার শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পৌঁছান তারেক রহমান। আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়া উদ্যানের পথে রওয়ানা হন তারেক রহমান। গতকাল তার দেশে ফেরার দিন যেমন যাত্রাপথের পুরোটা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে লোকারণ্যে পরিণত হয়, একই চিত্র ছিল আজও। ফলে গুলশান থেকে রওয়ানা দিয়ে আগারগাঁওয়ে বাবার কবর পর্যন্ত পৌঁছাতে তার সময় লাগে প্রায় দুই ঘণ্টা।
তারেক রহমান বিকেলে জিয়া উদ্যানে পৌঁছালেও সকাল থেকেই ওই এলাকায় বিএনপিসহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে সেখানে হাজির হন তারা। জুমার নামাজের পর গোটা এলাকা রীতিমতো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। রাস্তার দুপাশ তো বটেই, গোটা রাস্তা দখল করে রেখে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।
জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ছাড়াও আব্দুস সালাম, খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা মোনাজাতে অংশ নেন।
বাবার কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান রওয়ানা হয়েছেন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পথে। সেখানে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ১৭ বছর লন্ডনে থাকার পর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন তিনি।
দেশে ফিরেই বিমানবন্দর থেকে বিশেষ বাসে করে সরাসরি পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান মা খালেদা জিয়াকে দেখতে। রাতে ফেরেন গুলশানের বাসায়।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৪ দিন আগে