
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান সংসদে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমিরকে 'খোঁচা' দিয়ে এমন বক্তব্য দেন তিনি।
এ সময় তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
হট্টগোলের মধ্যেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না, আর শহিদ পরিবারের কেউ করলে তা ‘দ্বিগুণ অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এবং পরবর্তী সময়ে বিরোধী দলীয় নেতা নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন— এ প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, 'এ বাংলায় শুধু বেলি-চামেলি-জুঁই ফুল ফোটে না, রক্তজবাও ফোটে। এ দেশে শুধু কোকিল ডাকে না, রয়েল বেঙ্গল টাইগারও আছে। যতদিন টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধারা জিতবে— রাজাকাররা কোনোদিন জিততে পারবে না।'
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, '৫ আগস্টের পর কী হয়েছে সবাই জানেন। ইউনূস সরকারের সময় শিল্পকলার সামনে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই হতে পারেনি। সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।'
নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'আমার বাড়ির সামনে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মব হয়েছিল। পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত এসে আমাকে রক্ষা করেছে।'
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'অনেক চক্রান্তের মধ্য দিয়ে নির্বাচন হয়েছে। তারা দাবি করেছিল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। আমি বলেছিলাম, যদি তা হয়, আমি বিষ খাব। বাস্তবে তারা কখনোই যুদ্ধে জিততে পারেনি।'
রাজনীতি/একে

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান সংসদে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমিরকে 'খোঁচা' দিয়ে এমন বক্তব্য দেন তিনি।
এ সময় তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
হট্টগোলের মধ্যেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না, আর শহিদ পরিবারের কেউ করলে তা ‘দ্বিগুণ অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এবং পরবর্তী সময়ে বিরোধী দলীয় নেতা নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন— এ প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, 'এ বাংলায় শুধু বেলি-চামেলি-জুঁই ফুল ফোটে না, রক্তজবাও ফোটে। এ দেশে শুধু কোকিল ডাকে না, রয়েল বেঙ্গল টাইগারও আছে। যতদিন টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধারা জিতবে— রাজাকাররা কোনোদিন জিততে পারবে না।'
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, '৫ আগস্টের পর কী হয়েছে সবাই জানেন। ইউনূস সরকারের সময় শিল্পকলার সামনে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই হতে পারেনি। সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।'
নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'আমার বাড়ির সামনে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মব হয়েছিল। পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত এসে আমাকে রক্ষা করেছে।'
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'অনেক চক্রান্তের মধ্য দিয়ে নির্বাচন হয়েছে। তারা দাবি করেছিল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। আমি বলেছিলাম, যদি তা হয়, আমি বিষ খাব। বাস্তবে তারা কখনোই যুদ্ধে জিততে পারেনি।'
রাজনীতি/একে

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে