
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দলের ভেতরে ও বাইরে ‘ষড়যন্ত্রে’র বিষয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। দীর্ঘদিন বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় আবেগঘন বক্তব্যে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মির্জা আব্বাস। এ সময় তার পাশে ছিলেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বক্তব্য দেওয়ার সময় কয়েকবার আবেগাপ্লুত হয়ে গলা ধরে আসে মির্জা আব্বাসের।
সাড়ে পাঁচ মাস দেশের বাইরে থাকার প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, এ সময়ে দেশের মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসা পেয়েছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও তার খোঁজখবর রেখেছেন।
তিনি বলেন, “একজন কর্মী দলের কাছ থেকে কী আশা করে, নেতারা খোঁজখবর রাখবেন, নেতারা ভালোবাসবেন, বিপদে পড়লে পাশে দাঁড়াবেন। অথবা সমবেদনা জানাবেন। সেটাই পেয়েছি।”
এরপর দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আজকে একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে এ দলের বিরুদ্ধে, অনেক ষড়যন্ত্র হবে এই দলের বিরুদ্ধে। অনেক ষড়যন্ত্র হবে মাননীয় নেতা (তারেক রহমান) আপনার বিরুদ্ধে, আপনাদের বিরুদ্ধে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, “আপনি দরকার হয় সাবধান থাকবেন এবং আপনি অনেক উদার আমি জানি, নিঃসন্দেহে। তবে সবসময় এমন হওয়া যাবে না। এটুকু আপনাকে আমি বলতে চাই।”
ঢাকা-৮ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, “বহু কর্মী আছেন, নেতা আছেন, যারা আপনার সামনে অনেক ভালো ভালো কথা বলেন, বাইরে কিন্তু ভালো কথা বলেন না।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সেসব কথা জানাবেন বলে উল্লেখ করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, “বিষয়গুলা সম্বন্ধে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, উনি, বলতে পারি আমরা যে, স্বাভাবিক। না, খালেদা জিয়ার মৃত্যু অন্তত আমার কাছে স্বাভাবিক নয়।”
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ওনার মৃত্যু, নিসন্দেহে কেউ হত্যা করেনি, এটা ঠিক আছে। কিন্তু উনি যেভাবে মারা গেছেন, তা আমাদের কাম্য ছিল না।”
তারেক রহমানের ভালো কাজগুলো খারাপ লোকের খারাপ কথা ও কর্মকাণ্ডের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য দলের চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে রাজনীতির শিক্ষা নেওয়া এবং খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠার কথা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যানের উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, “আপনার সঙ্গে রাজনীতি করেই আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ করতে চাই। এখানে আর কোনো কিছু সুযোগ নাই।… এখানে কোনো ষড়যন্ত্র কাজ করবে না।”
ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “যেগুলো আমি জানব, দলের জন্য ক্ষতিকর, দেশের জন্য ক্ষতিকর সেগুলো আপনাকে জানাবো ইনশাআল্লাহ।”
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দলটির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘কিছু নেতাকর্মীর জন্য বদনামি হচ্ছে’
মির্জা আব্বাস বলেন, “আমার অনেক নেতাকর্মী আছেন…কিছু মনে করবেন না আমি খোলাখুলি বলি… কিছু নেতাকর্মীর জন্য বদনাম হচ্ছে। আপনাদের বয়সটা আমাদের ছিল। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি, রাজনীতি শিখেছি, দেশনেত্রী বেগম খালে জিয়ার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি। কিন্তু আমাদের সময়ের দুই-একজন হাতে লোক ছাড়া এই দলের কোনো বদনাম আমাদের মাধ্যমে হয়নি।”
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে হত্যা, খালেদা জিয়ার কারাভোগ ও নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আমরা জেল খেটেছি… দলটা এখনো ঠিক আছে। দলটা আরও টিকে থাকবে। এ দলটা মরে যাওয়ার জন্য আসে নাই, ভেঙে যাওয়ার জন্য আসে নাই। দুই-একজন লোকের জন্য দলটা বদনাম হতে পারে না, এটা একটু আপনারা খেয়াল রাখবেন। আমি মনে করি আমি কি বলেছি এটা আমার নেতা বুঝেছেন এবং আপনারা ভালো করে বুঝেছেন।”
এ সময় বিএনপি ও দেশকে রক্ষায় দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অর্থনীতিবিদ মাহবুবউল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি এম মোনায়েম মুন্না, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, উত্তরের সদস্য সচিব মোস্তফা জামান এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

দলের ভেতরে ও বাইরে ‘ষড়যন্ত্রে’র বিষয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। দীর্ঘদিন বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় আবেগঘন বক্তব্যে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মির্জা আব্বাস। এ সময় তার পাশে ছিলেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বক্তব্য দেওয়ার সময় কয়েকবার আবেগাপ্লুত হয়ে গলা ধরে আসে মির্জা আব্বাসের।
সাড়ে পাঁচ মাস দেশের বাইরে থাকার প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, এ সময়ে দেশের মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসা পেয়েছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও তার খোঁজখবর রেখেছেন।
তিনি বলেন, “একজন কর্মী দলের কাছ থেকে কী আশা করে, নেতারা খোঁজখবর রাখবেন, নেতারা ভালোবাসবেন, বিপদে পড়লে পাশে দাঁড়াবেন। অথবা সমবেদনা জানাবেন। সেটাই পেয়েছি।”
এরপর দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আজকে একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে এ দলের বিরুদ্ধে, অনেক ষড়যন্ত্র হবে এই দলের বিরুদ্ধে। অনেক ষড়যন্ত্র হবে মাননীয় নেতা (তারেক রহমান) আপনার বিরুদ্ধে, আপনাদের বিরুদ্ধে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, “আপনি দরকার হয় সাবধান থাকবেন এবং আপনি অনেক উদার আমি জানি, নিঃসন্দেহে। তবে সবসময় এমন হওয়া যাবে না। এটুকু আপনাকে আমি বলতে চাই।”
ঢাকা-৮ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, “বহু কর্মী আছেন, নেতা আছেন, যারা আপনার সামনে অনেক ভালো ভালো কথা বলেন, বাইরে কিন্তু ভালো কথা বলেন না।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সেসব কথা জানাবেন বলে উল্লেখ করেন। মির্জা আব্বাস বলেন, “বিষয়গুলা সম্বন্ধে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, উনি, বলতে পারি আমরা যে, স্বাভাবিক। না, খালেদা জিয়ার মৃত্যু অন্তত আমার কাছে স্বাভাবিক নয়।”
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ওনার মৃত্যু, নিসন্দেহে কেউ হত্যা করেনি, এটা ঠিক আছে। কিন্তু উনি যেভাবে মারা গেছেন, তা আমাদের কাম্য ছিল না।”
তারেক রহমানের ভালো কাজগুলো খারাপ লোকের খারাপ কথা ও কর্মকাণ্ডের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য দলের চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে রাজনীতির শিক্ষা নেওয়া এবং খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠার কথা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যানের উদ্দেশে মির্জা আব্বাস বলেন, “আপনার সঙ্গে রাজনীতি করেই আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ করতে চাই। এখানে আর কোনো কিছু সুযোগ নাই।… এখানে কোনো ষড়যন্ত্র কাজ করবে না।”
ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “যেগুলো আমি জানব, দলের জন্য ক্ষতিকর, দেশের জন্য ক্ষতিকর সেগুলো আপনাকে জানাবো ইনশাআল্লাহ।”
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দলটির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘কিছু নেতাকর্মীর জন্য বদনামি হচ্ছে’
মির্জা আব্বাস বলেন, “আমার অনেক নেতাকর্মী আছেন…কিছু মনে করবেন না আমি খোলাখুলি বলি… কিছু নেতাকর্মীর জন্য বদনাম হচ্ছে। আপনাদের বয়সটা আমাদের ছিল। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি, রাজনীতি শিখেছি, দেশনেত্রী বেগম খালে জিয়ার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি। কিন্তু আমাদের সময়ের দুই-একজন হাতে লোক ছাড়া এই দলের কোনো বদনাম আমাদের মাধ্যমে হয়নি।”
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে হত্যা, খালেদা জিয়ার কারাভোগ ও নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আমরা জেল খেটেছি… দলটা এখনো ঠিক আছে। দলটা আরও টিকে থাকবে। এ দলটা মরে যাওয়ার জন্য আসে নাই, ভেঙে যাওয়ার জন্য আসে নাই। দুই-একজন লোকের জন্য দলটা বদনাম হতে পারে না, এটা একটু আপনারা খেয়াল রাখবেন। আমি মনে করি আমি কি বলেছি এটা আমার নেতা বুঝেছেন এবং আপনারা ভালো করে বুঝেছেন।”
এ সময় বিএনপি ও দেশকে রক্ষায় দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অর্থনীতিবিদ মাহবুবউল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি এম মোনায়েম মুন্না, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, উত্তরের সদস্য সচিব মোস্তফা জামান এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা দেশটিতে একটি নির্দিষ্ট ও সীমিত সময়ের যাত্রার জন্য সীমাবদ্ধ। সাধারণত ব্যবসায়িক কাজে ভ্রমণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ‘বি১’ ভিসা দিয়ে থাকে। আর পর্যটন ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ভ্রমণের জন্য ‘বি২’ ভিসা দেওয়া হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ-জ্বালানি-গ্যাস নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। ৬ মাসের সরকারের উপর ১৮-২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল।
১১ ঘণ্টা আগে
সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও ভাঁওতাবাজি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এ জন্য জনগণ সরকারকে ক্ষমা করবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
জনগণের অধিকার আজ লুণ্ঠিত হচ্ছে। দেশে গ্যাস নেই, পানি নেই—এসব বিষয় নিয়েও কথা বলা যাচ্ছে না। এসব বিষয়ে কথা বলার কারণেই সিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিফাতকে না ছাড়লে সব ওলটপালট হয়ে যেতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে