
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকেই আলোচনা করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছিল সরকার। সে আলোচনা এগিয়ে নিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এ দিন রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মির্জা ফখরুল দলের নেতাদের এ বিষয়ে অবগত করেন।
বিএনপি ও জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির মহাসচিব ফোন পাওয়ার পর জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ তাহেরকে জানিয়েছেন, দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে তিন ধাপে মোট ৭৪টি বৈঠক করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এর মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত হয় জুলাই সনদ। কিছু বিষয় ‘অমীামংসিত’ থাকলেও গত ১৭ অক্টোবর সনদে সই করে বিএনপি-জামায়াতসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল। পরে আরও একটি দল এতে সই করে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সিপিবি-বাসদসহ বামপন্থি চার দল এতে সই করেনি।
এদিকে জুলাই সনদ সই হলেও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতভেদ ছিল। ২৮ অক্টোবর বাস্তবায়নের রূপরেখা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে ১৭ অক্টোবর সই করা সনদের সঙ্গে ওই প্রস্তাবের তফসিলে উল্লেখিত সনদের নানা অসঙ্গতি রয়েছে উল্লেখ করে আপত্তি তোলে বিএনপি।
এ ছাড়া সনদ বাস্তবায়নে গণভোট কবে হবে, তা নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। বিএনপি আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট করার পক্ষে। জামায়াতের দাবি, নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট করে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে সনদ অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে।
ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছিল, গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারায় সরকারই এর তারিখ নির্ধারণ করবে। তবে গত রোববার উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠক করে জানায়, রাজনৈতিক দলগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে— সম্ভব হলে এক সপ্তাহের মধ্যে— এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত সরকারকে জানাতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো এতে ব্যর্থ হলে সরকার নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকেই আলোচনা করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছিল সরকার। সে আলোচনা এগিয়ে নিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এ দিন রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মির্জা ফখরুল দলের নেতাদের এ বিষয়ে অবগত করেন।
বিএনপি ও জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির মহাসচিব ফোন পাওয়ার পর জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ তাহেরকে জানিয়েছেন, দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে তিন ধাপে মোট ৭৪টি বৈঠক করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এর মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত হয় জুলাই সনদ। কিছু বিষয় ‘অমীামংসিত’ থাকলেও গত ১৭ অক্টোবর সনদে সই করে বিএনপি-জামায়াতসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল। পরে আরও একটি দল এতে সই করে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সিপিবি-বাসদসহ বামপন্থি চার দল এতে সই করেনি।
এদিকে জুলাই সনদ সই হলেও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতভেদ ছিল। ২৮ অক্টোবর বাস্তবায়নের রূপরেখা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে ১৭ অক্টোবর সই করা সনদের সঙ্গে ওই প্রস্তাবের তফসিলে উল্লেখিত সনদের নানা অসঙ্গতি রয়েছে উল্লেখ করে আপত্তি তোলে বিএনপি।
এ ছাড়া সনদ বাস্তবায়নে গণভোট কবে হবে, তা নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। বিএনপি আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট করার পক্ষে। জামায়াতের দাবি, নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট করে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে সনদ অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে।
ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছিল, গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারায় সরকারই এর তারিখ নির্ধারণ করবে। তবে গত রোববার উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠক করে জানায়, রাজনৈতিক দলগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে— সম্ভব হলে এক সপ্তাহের মধ্যে— এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত সরকারকে জানাতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো এতে ব্যর্থ হলে সরকার নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেবে।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে