
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করাসহ ৫ দফা দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ৮টি রাজনৈতিক দল।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সোমবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল, আগামী ২৫ অক্টোবর সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং ২৭ অক্টোবর সব জেলা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের।
লিখিত বক্তব্যে আহমদ আব্দুল কাদের বলেন, জনগণের দাবিসমূহ কার্যকর করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। এমতাবস্থায় জনগণের দাবি আদায়ের জন্য গণ-আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করে তার আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে রাজপথের এই আন্দোলন।
পিআর পদ্ধতির যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটি-সম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দক্ষ আইনপ্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছি। আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে দাবি মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, এর মধ্য দিয়ে জুলাই চার্টারে থাকা সমস্ত সংস্কারমূলক প্রস্তাবে আমরা একমত প্রকাশ করেছি। কিন্তু এখন কাজ বাকি আছে। কাজগুলো হলো— ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করতে হবে। আর এটাকে আইনি ভিত্তি দিতে একটা গণভোট করতে হবে, তারপর জাতীয় নির্বাচন।
তিনি বলেন, গণভোট কখন হবে আর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশটা কখন হবে— জুলাই সনদে লিখিতভাবে অন্তর্ভুক্ত নেই। সনদ বাস্তবায়ন কবে হবে, কবে আদেশ জারি হবে, কবে গণভোট হবে? এই নিষ্পত্তি তো এখনো হয়নি।
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনের প্রধান এবং সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আমরা সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে সন্নিবেশিত করে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করব। নভেম্বরের মধ্যে গণভোট দিয়ে এটার আইনি ভিত্তি দিতে হবে। এর পরই জাতীয় নির্বাচন হবে। কেউ কেউ একই দিনে গণভোটের প্রস্তাব দেওয়ায় আমরা এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছি। এর পেছনে অনেক জটিলতা আছে।
অন্য দাবি হলো- আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাইম প্রমুখ।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করাসহ ৫ দফা দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ৮টি রাজনৈতিক দল।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সোমবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল, আগামী ২৫ অক্টোবর সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং ২৭ অক্টোবর সব জেলা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের।
লিখিত বক্তব্যে আহমদ আব্দুল কাদের বলেন, জনগণের দাবিসমূহ কার্যকর করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। এমতাবস্থায় জনগণের দাবি আদায়ের জন্য গণ-আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করে তার আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে রাজপথের এই আন্দোলন।
পিআর পদ্ধতির যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটি-সম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দক্ষ আইনপ্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছি। আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে দাবি মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, এর মধ্য দিয়ে জুলাই চার্টারে থাকা সমস্ত সংস্কারমূলক প্রস্তাবে আমরা একমত প্রকাশ করেছি। কিন্তু এখন কাজ বাকি আছে। কাজগুলো হলো— ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করতে হবে। আর এটাকে আইনি ভিত্তি দিতে একটা গণভোট করতে হবে, তারপর জাতীয় নির্বাচন।
তিনি বলেন, গণভোট কখন হবে আর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশটা কখন হবে— জুলাই সনদে লিখিতভাবে অন্তর্ভুক্ত নেই। সনদ বাস্তবায়ন কবে হবে, কবে আদেশ জারি হবে, কবে গণভোট হবে? এই নিষ্পত্তি তো এখনো হয়নি।
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনের প্রধান এবং সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আমরা সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে সন্নিবেশিত করে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করব। নভেম্বরের মধ্যে গণভোট দিয়ে এটার আইনি ভিত্তি দিতে হবে। এর পরই জাতীয় নির্বাচন হবে। কেউ কেউ একই দিনে গণভোটের প্রস্তাব দেওয়ায় আমরা এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছি। এর পেছনে অনেক জটিলতা আছে।
অন্য দাবি হলো- আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাইম প্রমুখ।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে নাহিদ বলেন, শেখ হাসিনা এবং শহীদ হাদি ভাইয়ের খুনিদের বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। এর পরই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হতে পারে। এছাড়া ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির সুযোগ নেই।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদুত মি. ইয়াও ওয়েন। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ডা. শফিকুর রহমানের রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
২ দিন আগে
উত্তপ্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে উভয় পক্ষের বেশ কিছু বহিরাগত হলের ভেতরে প্রবেশ করলে বিশৃঙ্খলা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার ও ছুরিকাঘাতের ঘটনাও ঘটে।
২ দিন আগে
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
৩ দিন আগে