
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণ আজ উৎফুল্ল, আনন্দিত। দীর্ঘ ১৫ বছর পর মানুষ ভোট দিতে পারবে। তাদের সরকার নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে। নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও জবাবদিহি থাকবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু চৌধুরী বলেন, সবচেয়ে বড় আনন্দ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, জনগণ তাদের মালিকানা ফিরে পাচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্দ্বিধায় মানুষ থাকতে পারবে, চলতে পারবে, স্কুল কলেজ, হাসপাতালে যেতে পারবে। নির্ভয়ে জীবনযাপন করতে পারবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার চরবস্তি, বিজয়নগর, ফুলছরি পাড়া, নিজাম মার্কেট, দক্ষিণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। গণসংযোগে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ জণগণ, নারী, তরুণের অংশগ্রহণ করেন।
আমীর খসরু বলেন, বিগত সরকারের আমলে মানুষ কষ্ট পেয়েছে। জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। জীবনের নিরাপত্তা ছিল না। মানুষ আশা করছে- নির্বাচিত সরকার আসলে আবার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে। নাগরিক জীবন, নাগরিক অধিকার ফিরে পাবে। সবার মধ্যে উৎফুল্লতা দেখা যাচ্ছে।
পোস্টাল ভোট নিয়ে বির্তকের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণের ওপর আস্থা হারিয়ে অন্য পন্থা অবলম্বন করলে দেশ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না। সবাইকে আহ্বান করছি অন্যপন্থা বাদ দিয়ে জনগণের কাছে যান, আস্থা অর্জন করেন, এটাইতো গণতন্ত্র। জণগণের আস্থা অর্জন না করে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করলে লাভ হবে না।
তিনি বলেন, দিন শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং টেকে না। শেখ হাসিনা ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। আজ সে কোথায় আছে। সেটা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। এরকম মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে কেউ এগিয়ে যেতে পারে না। কেউ সেটি চাইলে জনগণ হতে দিবে না, প্রতিহত করবে।
আমীর খসরু বলেন, যারা আগামী নির্বাচন বানচাল করতে চাই, যাদের মানুষের ওপর আস্থা নাই, তারা অনেক কিছু করতে চাইবে। এসব করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না। এসব কাজ জনগণের দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কাজ করবে। যারা এসব করবে তাদের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ডা. নূরুল আফসার, মো. ইসমাইল, আব্দুস সাত্তার, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও সদস্য সচিব মো. আজম প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণ আজ উৎফুল্ল, আনন্দিত। দীর্ঘ ১৫ বছর পর মানুষ ভোট দিতে পারবে। তাদের সরকার নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে। নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও জবাবদিহি থাকবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু চৌধুরী বলেন, সবচেয়ে বড় আনন্দ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, জনগণ তাদের মালিকানা ফিরে পাচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্দ্বিধায় মানুষ থাকতে পারবে, চলতে পারবে, স্কুল কলেজ, হাসপাতালে যেতে পারবে। নির্ভয়ে জীবনযাপন করতে পারবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার চরবস্তি, বিজয়নগর, ফুলছরি পাড়া, নিজাম মার্কেট, দক্ষিণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। গণসংযোগে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ জণগণ, নারী, তরুণের অংশগ্রহণ করেন।
আমীর খসরু বলেন, বিগত সরকারের আমলে মানুষ কষ্ট পেয়েছে। জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। জীবনের নিরাপত্তা ছিল না। মানুষ আশা করছে- নির্বাচিত সরকার আসলে আবার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে। নাগরিক জীবন, নাগরিক অধিকার ফিরে পাবে। সবার মধ্যে উৎফুল্লতা দেখা যাচ্ছে।
পোস্টাল ভোট নিয়ে বির্তকের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণের ওপর আস্থা হারিয়ে অন্য পন্থা অবলম্বন করলে দেশ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না। সবাইকে আহ্বান করছি অন্যপন্থা বাদ দিয়ে জনগণের কাছে যান, আস্থা অর্জন করেন, এটাইতো গণতন্ত্র। জণগণের আস্থা অর্জন না করে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করলে লাভ হবে না।
তিনি বলেন, দিন শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং টেকে না। শেখ হাসিনা ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। আজ সে কোথায় আছে। সেটা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। এরকম মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে কেউ এগিয়ে যেতে পারে না। কেউ সেটি চাইলে জনগণ হতে দিবে না, প্রতিহত করবে।
আমীর খসরু বলেন, যারা আগামী নির্বাচন বানচাল করতে চাই, যাদের মানুষের ওপর আস্থা নাই, তারা অনেক কিছু করতে চাইবে। এসব করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না। এসব কাজ জনগণের দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কাজ করবে। যারা এসব করবে তাদের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ডা. নূরুল আফসার, মো. ইসমাইল, আব্দুস সাত্তার, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও সদস্য সচিব মো. আজম প্রমুখ।

বিভিন্ন ধরনের ১০টি দল একসঙ্গে এলেও কীসের ভিত্তিতে ঐক্য হলো সেটা স্পষ্ট নয়। এই ঐক্যের উদ্দেশ্য কী, আদর্শিক ভিত্তি কী সেটা নিয়েও কোনো রূপরেখা নেই, বক্তব্য নেই।
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে ভোটের প্রচারে উত্তরবঙ্গের ৮ জেলা সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করার আগে সেখানের ডমেস্টিক লাউঞ্জে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ কথা বলেন।
১২ ঘণ্টা আগে