
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারীর ন্যায্য সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুর প্রতি বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে জামায়াত। আজ বুধবার জামায়াতের ঘোষিত ইশতেহারে এ কথা উল্লেখ করা হয়।
ইশতেহারে নারীদের জন্য বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে।
এক. নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা : জাতীয় নারী সুরক্ষা টাস্কফোর্স গঠন করে সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
দুই. ‘নারী চলবে নির্ভয়ে’ লক্ষ্য বাস্তবায়ন : ১) নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস (পিক আওয়ারে), ২) গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ৩) দোতলা বাসে আলাদা কম্পার্টমেন্ট চালু, ৪) ইমার্জেন্সি কল নম্বর চালু করা হবে, ও ৫) নারীর নিরাপত্তায় ইমার্জেন্সি পোল স্থাপন করা হবে ।
তিন. আমার আয়ে আমার সংসার : প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করা হবে। এর জন্য হাঁস-মুরগীর খামার, গবাদি পশু পালন, মাছ চাষ ইত্যাদি প্রকল্প তৈরীতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। নারীবান্ধব নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্রেস্টফিডিং কর্নার এবং নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট ও নামাজের ব্যবস্থা করা হবে।
চার. নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা : জীবনব্যাপী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সুযোগ চালু করে নারীদের কর্মজীবনে ফিরে আসার পথ তৈরি করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার সেন্টার (Day Care Centre) উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাড়ানো হবে।
পাঁচ. নারীর স্বাস্থ্য ও খেলাধুলা : মানসিক স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও ক্যান্সার সচেতনতায় প্রতিটি জেলায় নারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।
ছয়. আইন সংস্কার : নারীর সম্পত্তি অধিকার রক্ষায় ‘সম্পত্তি সুরক্ষা কমিটি’ গঠন করা হবে।
উত্তরাধিকার সম্পত্তির মামলা এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের দ্রুত বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। নারীর প্রতি সহিংসতায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার চালু করা হবে।
সাত. হিজড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন : প্রকৃত হিজড়া সনাক্ত করে পুনর্বাসন করা হবে ও তাঁদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও চাকরির কোটা সংরক্ষণ করা হবে।
আট. নারী, শিশু ও পরিবারের উন্নয়ন : পরিবার কাউন্সেলিং ও মোটিভেশন সেন্টার চালু করা, নিরাপদ বিদ্যালয় কর্মসূচি ও মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অনুদান ও সেবার পরিসর বাড়ানো হবে।
নয়. নারীর সম্পদের অধিকার নিশ্চিতে ধর্মীয় প্রচারণা বাড়ানো হবে।
দশ. ভিকটিম নারীর সকল প্রকার আইনি, মানসিক, আর্থিক সহায়তার জন্য প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। অভাবগ্রস্ত, সুবিধাবঞ্চিত সধবা ও বিধবা নারীদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্পের মাধ্যমে সাবলম্বী করার লক্ষ্যে এককালীন পুঁজি সরবরাহ করা ও তদারকি করা হবে। হাসপাতালে ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরিতে নারী ভিকটিম ও নারী আসামির জন্য নারী চিকিৎসকের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
এগারো. দরিদ্র গর্ভবতী ও প্রসূতি নারী এবং শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে। শিশু খাদ্যের ওপর মূল্য সংযোজন কর (VAT) থাকবে না।
বারো. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিকিৎসা, শিক্ষা, ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে।

নারীর ন্যায্য সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুর প্রতি বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে জামায়াত। আজ বুধবার জামায়াতের ঘোষিত ইশতেহারে এ কথা উল্লেখ করা হয়।
ইশতেহারে নারীদের জন্য বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছে।
এক. নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা : জাতীয় নারী সুরক্ষা টাস্কফোর্স গঠন করে সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
দুই. ‘নারী চলবে নির্ভয়ে’ লক্ষ্য বাস্তবায়ন : ১) নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস (পিক আওয়ারে), ২) গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ৩) দোতলা বাসে আলাদা কম্পার্টমেন্ট চালু, ৪) ইমার্জেন্সি কল নম্বর চালু করা হবে, ও ৫) নারীর নিরাপত্তায় ইমার্জেন্সি পোল স্থাপন করা হবে ।
তিন. আমার আয়ে আমার সংসার : প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করা হবে। এর জন্য হাঁস-মুরগীর খামার, গবাদি পশু পালন, মাছ চাষ ইত্যাদি প্রকল্প তৈরীতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। নারীবান্ধব নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্রেস্টফিডিং কর্নার এবং নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট ও নামাজের ব্যবস্থা করা হবে।
চার. নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা : জীবনব্যাপী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সুযোগ চালু করে নারীদের কর্মজীবনে ফিরে আসার পথ তৈরি করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার সেন্টার (Day Care Centre) উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাড়ানো হবে।
পাঁচ. নারীর স্বাস্থ্য ও খেলাধুলা : মানসিক স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও ক্যান্সার সচেতনতায় প্রতিটি জেলায় নারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।
ছয়. আইন সংস্কার : নারীর সম্পত্তি অধিকার রক্ষায় ‘সম্পত্তি সুরক্ষা কমিটি’ গঠন করা হবে।
উত্তরাধিকার সম্পত্তির মামলা এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের দ্রুত বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। নারীর প্রতি সহিংসতায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার চালু করা হবে।
সাত. হিজড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন : প্রকৃত হিজড়া সনাক্ত করে পুনর্বাসন করা হবে ও তাঁদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও চাকরির কোটা সংরক্ষণ করা হবে।
আট. নারী, শিশু ও পরিবারের উন্নয়ন : পরিবার কাউন্সেলিং ও মোটিভেশন সেন্টার চালু করা, নিরাপদ বিদ্যালয় কর্মসূচি ও মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অনুদান ও সেবার পরিসর বাড়ানো হবে।
নয়. নারীর সম্পদের অধিকার নিশ্চিতে ধর্মীয় প্রচারণা বাড়ানো হবে।
দশ. ভিকটিম নারীর সকল প্রকার আইনি, মানসিক, আর্থিক সহায়তার জন্য প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। অভাবগ্রস্ত, সুবিধাবঞ্চিত সধবা ও বিধবা নারীদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্পের মাধ্যমে সাবলম্বী করার লক্ষ্যে এককালীন পুঁজি সরবরাহ করা ও তদারকি করা হবে। হাসপাতালে ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরিতে নারী ভিকটিম ও নারী আসামির জন্য নারী চিকিৎসকের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
এগারো. দরিদ্র গর্ভবতী ও প্রসূতি নারী এবং শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে। শিশু খাদ্যের ওপর মূল্য সংযোজন কর (VAT) থাকবে না।
বারো. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিকিৎসা, শিক্ষা, ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে।

এ বিষয়ে তিতাস উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান সেলিম ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তারা দলের ক্ষতি করেছেন। তারা বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
সরকারি দলের উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ‘জুলাইকে সম্মান করতে হবে। ২৪ থাকলেই ২৬ থাকবে, না হলে ২৬-এর অস্তিত্ব থাকবে না। ২৪ কে অমান্য, অগ্রাহ্য করে, পাশ কাটিয়ে ২৬-এ আসা জাতির জন্য কোনো সুখকর বিষয় হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, যে চারটি বিষয় গণভোটে দেওয়া হয়েছে তার সর্বাত্মক বাস্তবায়ন হোক।’
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জামায়াত থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন দল বিএনপি যে মৌখিক প্রস্তাব দিয়েছিল, সেটি আপাতত নাকচ করেছে জামায়াত। ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর জানাবে।
২ দিন আগে
আগামীকাল বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে। এই সংসদেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। তাদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
২ দিন আগে