
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেছেন, নারীদের মূল্যায়ন করলেই দেশ এগিয়ে যাবে ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। দেশের জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। বিগত ১৮ বছর আমরা নারীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছি। এখন যখন দেখি আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। তখন অনেক কষ্ট হয়।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত র্যালির আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আফরোজা আব্বাস বলেন, রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে নারীরা ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল, এখন একটা জায়গায় আমরা এসেছি। এখন যদি আমাদের মূল্যায়ন না করা হয়, তাহলে কষ্ট থেকেই যায়। আশা করি, সবাই মূল্যায়ন পাবে। নারীদের মূল্যায়ন করলে দেশের উন্নয়ন হবে। মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
তিনি বলেন, আজ নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, নারীর অধিকার ও সমতা, রাজনৈতিক ভারসাম্যের সমতা এবং উন্নয়নের নিশ্চয়তা। ২০২৬ সালে এসে এটা শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি একটি কঠিন বার্তা।
আফরোজা আব্বাস বলেন, রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান অনুধাবন করেছিলেন এ দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন কখনও সম্ভব নয়। তিনি প্রত্যেকটি নারীর মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সেক্টরে পদায়ন করেছিলেন।
মহিলা দলের সভাপতি আরও বলেন, আজ বাংলাদেশের যে মূল চালিকাশক্তি, গার্মেন্ট শিল্প সেটা নারীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। বেগম খালেদা জিয়াও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করেছেন। আবার তিনিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হন। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তন করেছেন, তাকে ধন্যবাদ।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফার সভাপতিত্বে ও মহিলা দলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন– মহিলা দলের সহসভাপতি নিলুফার চৌধুরী মনি, জাহান পান্না, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাহানা আকতার সানু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর নার্গিস, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলম, মহানগর উত্তরের সভাপতি রুনা লায়লা, দক্ষিণের সভাপতি রুমা আক্তার প্রমুখ।
পরে একটি র্যালি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল ও কাকরাইল মোড় হয়ে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেছেন, নারীদের মূল্যায়ন করলেই দেশ এগিয়ে যাবে ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। দেশের জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। বিগত ১৮ বছর আমরা নারীরা রাজপথে যুদ্ধ করেছি। এখন যখন দেখি আমাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে। তখন অনেক কষ্ট হয়।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত র্যালির আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আফরোজা আব্বাস বলেন, রাষ্ট্র ও দেশের প্রয়োজনে নারীরা ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল, এখন একটা জায়গায় আমরা এসেছি। এখন যদি আমাদের মূল্যায়ন না করা হয়, তাহলে কষ্ট থেকেই যায়। আশা করি, সবাই মূল্যায়ন পাবে। নারীদের মূল্যায়ন করলে দেশের উন্নয়ন হবে। মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
তিনি বলেন, আজ নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, নারীর অধিকার ও সমতা, রাজনৈতিক ভারসাম্যের সমতা এবং উন্নয়নের নিশ্চয়তা। ২০২৬ সালে এসে এটা শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি একটি কঠিন বার্তা।
আফরোজা আব্বাস বলেন, রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান অনুধাবন করেছিলেন এ দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন কখনও সম্ভব নয়। তিনি প্রত্যেকটি নারীর মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সেক্টরে পদায়ন করেছিলেন।
মহিলা দলের সভাপতি আরও বলেন, আজ বাংলাদেশের যে মূল চালিকাশক্তি, গার্মেন্ট শিল্প সেটা নারীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। বেগম খালেদা জিয়াও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করেছেন। আবার তিনিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হন। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তন করেছেন, তাকে ধন্যবাদ।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফার সভাপতিত্বে ও মহিলা দলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন– মহিলা দলের সহসভাপতি নিলুফার চৌধুরী মনি, জাহান পান্না, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাহানা আকতার সানু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর নার্গিস, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমতাজ আলম, মহানগর উত্তরের সভাপতি রুনা লায়লা, দক্ষিণের সভাপতি রুমা আক্তার প্রমুখ।
পরে একটি র্যালি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল ও কাকরাইল মোড় হয়ে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, হাসপাতালে কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেগুলো উত্তরণে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হসপিটালে যান্ত্রিক কিছু সমস্যা রয়েছে। ইসিজি মেশিন, ডিজিটাল এক্স-রে এরকম নানাবিধ সরঞ্জামের লিমিটেশন আছে। সেগুলো উত্তরণের জন্য আমাদের কিছু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা
৩ দিন আগে
তিনি আরও বলেন, জীবনের বিনিময়ে হলেও জুলাই অভ্যুত্থান রক্ষা করা হবে। জুলাই টিকে না থাকলে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জাতীয় নির্বাচন ও নবগঠিত সরকার কারোরই অস্তিত্ব থাকবে না।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।’
৩ দিন আগে
শোষণ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজতন্ত্রের সংগ্রাম আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
৩ দিন আগে