
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে আবারও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দেশে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হলে প্রথমেই নির্বাচন কমিশনে ‘হাত দেওয়া হবে’ এবং প্রতিষ্ঠানটিকে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পরিবর্তন করা হবে।
সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে বিভিন্ন পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে প্রভাব খাটিয়ে ফলাফল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জাতীয় নির্বাচনের সময় নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। এনসিপির প্রধান সংগঠক বলেন, যখন আফরোজা আব্বাস বিভাগীয় কমিশনের সামনে ৫ থেকে ৬ হাজার লোক নিয়েছিলো, আমি ডাক দিলে সেখানে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ লোক আসতো। এতে সেখানে একটা রক্তাক্ত মারামারি হতো, অনেকগুলো লাশ পড়তো।
আমি শুধু একটা কারণে সরে আসছি, যদি ওই হাসপাতালে গিয়ে কোনো বাবার ছেলে মারা যেতো, আমি তাকে কোনো জবাব দিতে পারতাম না। তো ইনশাআল্লাহ এটা কিন্তু বাংলাদেশে বিচার হবে, এই নির্বাচনে যারা এই নির্বাচন কমিশনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের বিচার আমরা ইনশাআল্লাহ এই বাংলার মাটিতে করবো।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন ডিজিএফআই, এনএসআই এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে কীভাবে ডিসি অফিসে নগ্নভাবে একটা ইলেকশনের ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারে, সেটা এ বাংলাদেশ দেখেছে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকরা সবচেয়ে জটিল দায়িত্ব পালন করেন এবং তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি/একে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে আবারও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দেশে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হলে প্রথমেই নির্বাচন কমিশনে ‘হাত দেওয়া হবে’ এবং প্রতিষ্ঠানটিকে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পরিবর্তন করা হবে।
সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে বিভিন্ন পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে প্রভাব খাটিয়ে ফলাফল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জাতীয় নির্বাচনের সময় নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। এনসিপির প্রধান সংগঠক বলেন, যখন আফরোজা আব্বাস বিভাগীয় কমিশনের সামনে ৫ থেকে ৬ হাজার লোক নিয়েছিলো, আমি ডাক দিলে সেখানে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ লোক আসতো। এতে সেখানে একটা রক্তাক্ত মারামারি হতো, অনেকগুলো লাশ পড়তো।
আমি শুধু একটা কারণে সরে আসছি, যদি ওই হাসপাতালে গিয়ে কোনো বাবার ছেলে মারা যেতো, আমি তাকে কোনো জবাব দিতে পারতাম না। তো ইনশাআল্লাহ এটা কিন্তু বাংলাদেশে বিচার হবে, এই নির্বাচনে যারা এই নির্বাচন কমিশনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের বিচার আমরা ইনশাআল্লাহ এই বাংলার মাটিতে করবো।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন ডিজিএফআই, এনএসআই এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে কীভাবে ডিসি অফিসে নগ্নভাবে একটা ইলেকশনের ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারে, সেটা এ বাংলাদেশ দেখেছে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকরা সবচেয়ে জটিল দায়িত্ব পালন করেন এবং তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি/একে

বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, ‘আজকে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য শুনে মনে হলো আমি গতকাল ঠিকই বলেছিলাম, জামায়াতে ইসলামী একটা অমানুষের দল!’
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন সংসদ থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়বে।
২ দিন আগে
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে বলে অনেক সময় বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকেরা মনস্তাত্ত্বিক সংকটে ভোগেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে উপযুক্ত বিচ
৩ দিন আগে
এ সময় জামায়াত আমির বলেন, ভালো কাজ সরকারি দল, বিরোধী দল একসঙ্গে করলে দেশের উন্নয়ন হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে। আমরা সেই আস্থা তৈরিতে কাজ করতে চাই। আমরা শুধু বিরোধীদল হিসেবে কাগজে কলমে কিংবা সংসদে থাকতে চাই না। আমরা জনগণের কথা বলতে চাই।
৩ দিন আগে