
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা ভোট জালিয়াতির ইঙ্গিত দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হাসনাত এ অভিযোগ করেন। এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গীভূত আনসার বা সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য কেবল মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে হাসনাত লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও অ্যালাউড না। এটি স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
এ সিদ্ধান্তের কারণে ভোটের হারও কমতে পারে বলে আশঙ্কা হাসনাতের। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।
ভোটকেন্দ্রে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা থাকলেও তা জালিয়াতি ঠেকাতে যথেষ্ট হবে না উল্লেখ করে হাসনাত লিখেছেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দেবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবেন, তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে।
হাসনাতের আশঙ্কা এসব জালিয়াতি প্রকাশ করতে না দেওয়া ও ভোট চুরির সুযোগ দেওয়ার জন্যই ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও যেন কেউ করতে না পারে, সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটি সুস্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়া। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা ভোট জালিয়াতির ইঙ্গিত দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হাসনাত এ অভিযোগ করেন। এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গীভূত আনসার বা সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য কেবল মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে হাসনাত লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও অ্যালাউড না। এটি স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
এ সিদ্ধান্তের কারণে ভোটের হারও কমতে পারে বলে আশঙ্কা হাসনাতের। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।
ভোটকেন্দ্রে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা থাকলেও তা জালিয়াতি ঠেকাতে যথেষ্ট হবে না উল্লেখ করে হাসনাত লিখেছেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দেবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবেন, তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে।
হাসনাতের আশঙ্কা এসব জালিয়াতি প্রকাশ করতে না দেওয়া ও ভোট চুরির সুযোগ দেওয়ার জন্যই ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও যেন কেউ করতে না পারে, সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটি সুস্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়া। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

তিনি বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের বেকারত্ব ঘুচাতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল উল্লেখ করেন, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। এমতাবস্থায় ভোটারদের সচেতনতা ও তাৎক্ষণিক যোগাযোগের সুযোগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার ফলে কেন্দ্রের ভেতরের স্বচ্ছতা বাধা
৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে ভোটারদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বার্তা দিতেই রাজনৈতিক দলগুলোর এই ভাষণ আয়োজিত হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
পোস্টে তিনি লেখেন, ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা, যেখানে সাড়ে সাতটি থানা এবং প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার রয়েছে। নির্বাচনী ব্যয় অত্যন্ত বেশি হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তার এই সিদ্ধান্তে কেউ কষ্ট পেলে সে জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
৯ ঘণ্টা আগে