
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেশে থেকেই রাজনৈতিক পরিবর্তনের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, একটি নির্বাচনে জয়-পরাজয় চূড়ান্ত নয়; দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনই তার মূল লক্ষ্য।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তাসনিম জারা।
পোস্টে তাসনিম জারা বলেন, অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব। তবে আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমার শেকড় এই দেশে, আমার কাজও এখানেই।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্যই আমার পথচলা শুরু। এটি কোনো একক নির্বাচনী লড়াই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতন নাগরিকত্বের চর্চাই ভবিষ্যৎ রাজনীতির ভিত্তি হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রচারণাকালে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণকে বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীদের উপস্থিতি আলোচনার মান বদলে দেয়। তরুণী ও কিশোরীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্বপ্ন দেখতে ভয় পেও না। ক্ষমতার কেন্দ্রে তোমাদেরও অধিকার রয়েছে।
স্বেচ্ছাসেবকদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের সংগঠিত ও সক্রিয় থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
আমাদের সেরা সময় এখনো সামনে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, নির্বাচনে আমার প্রাপ্ত বিপুল ভোট ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। জনগণ পরিচ্ছন্ন ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রতি আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। প্রতিটি কেন্দ্রে সচেতন নাগরিক ও সাহসী প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হবে।

নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেশে থেকেই রাজনৈতিক পরিবর্তনের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, একটি নির্বাচনে জয়-পরাজয় চূড়ান্ত নয়; দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনই তার মূল লক্ষ্য।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তাসনিম জারা।
পোস্টে তাসনিম জারা বলেন, অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব। তবে আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমার শেকড় এই দেশে, আমার কাজও এখানেই।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্যই আমার পথচলা শুরু। এটি কোনো একক নির্বাচনী লড়াই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতন নাগরিকত্বের চর্চাই ভবিষ্যৎ রাজনীতির ভিত্তি হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রচারণাকালে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণকে বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীদের উপস্থিতি আলোচনার মান বদলে দেয়। তরুণী ও কিশোরীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্বপ্ন দেখতে ভয় পেও না। ক্ষমতার কেন্দ্রে তোমাদেরও অধিকার রয়েছে।
স্বেচ্ছাসেবকদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের সংগঠিত ও সক্রিয় থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
আমাদের সেরা সময় এখনো সামনে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, নির্বাচনে আমার প্রাপ্ত বিপুল ভোট ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। জনগণ পরিচ্ছন্ন ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রতি আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। প্রতিটি কেন্দ্রে সচেতন নাগরিক ও সাহসী প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হবে।

সেখানে বলা হয়, অনেক জায়গায় আমাদের প্রার্থীরা অল্প ভোটে রহস্যজনকভাবে হেরে গেছেন। ফলাফলে বারবার গরমিল ও সাজানো দেখা যাচ্ছে এবং প্রশাসনও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি বলে মনে হচ্ছে। এসব কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯ আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে বিজয়ী হয়েছে। ১১ দলীয় জোট থেকে আরো কয়েকজন প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার পাশে ছিল সাধারণ মানুষ। তাদের সমর্থন ও আস্থার কারণেই আমি বিজয়ী হয়েছি।
৫ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোটের প্রার্থীরা ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন।
৬ ঘণ্টা আগে