
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভেতরে চলছে প্রার্থিতা টিকিয়ে রাখার আইনি লড়াই, আর বাইরে নির্বাচন কমিশনের ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আচরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানির শেষ দিনে এমন চিত্রই দেখা গেছে আগারগাঁওয়ে।
পোস্টাল ব্যালট ও বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হস্তক্ষেপে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করেছে ছাত্রদল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল শুনানি চলছে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি শুরু হয়। আর নির্বাচন ভবনের বাইরে তিন ইস্যুতে ছাত্রদলের ঘেরাও কর্মসূচি চলছে।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগসহ তিনটি মূল দাবিতে নির্বাচন ভবনের সামনে এই অবস্থান নেয় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইসির বিরুদ্ধে যে তিনটি প্রধান অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো হলো:
১. পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাত: পোস্টাল ব্যালট-সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্তকে 'পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ' বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।
২. রাজনৈতিক চাপ ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত: বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে নতিস্বীকার করে কমিশন যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটি কমিশনের স্বাধীনতা এবং পেশাদারিত্বকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।
৩. শাবিপ্রবি ইস্যুতে বিতর্কিত ভূমিকা: কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে কমিশন নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ছাত্রদলের দাবি, এই প্রজ্ঞাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য এক অশনিসংকেত।

ভেতরে চলছে প্রার্থিতা টিকিয়ে রাখার আইনি লড়াই, আর বাইরে নির্বাচন কমিশনের ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আচরণের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানির শেষ দিনে এমন চিত্রই দেখা গেছে আগারগাঁওয়ে।
পোস্টাল ব্যালট ও বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হস্তক্ষেপে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করেছে ছাত্রদল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল শুনানি চলছে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি শুরু হয়। আর নির্বাচন ভবনের বাইরে তিন ইস্যুতে ছাত্রদলের ঘেরাও কর্মসূচি চলছে।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগসহ তিনটি মূল দাবিতে নির্বাচন ভবনের সামনে এই অবস্থান নেয় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ইসির বিরুদ্ধে যে তিনটি প্রধান অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো হলো:
১. পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাত: পোস্টাল ব্যালট-সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্তকে 'পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ' বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।
২. রাজনৈতিক চাপ ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত: বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে নতিস্বীকার করে কমিশন যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটি কমিশনের স্বাধীনতা এবং পেশাদারিত্বকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।
৩. শাবিপ্রবি ইস্যুতে বিতর্কিত ভূমিকা: কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে কমিশন নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ছাত্রদলের দাবি, এই প্রজ্ঞাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য এক অশনিসংকেত।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৪ দিন আগে