
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

হলফনামা সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, হলফনামায় আমার বার্ষিক আয়কর রিটার্নের তথ্যে অনিচ্ছাকৃত টাইপিং ভুল ছিল। সেটি আমরা নিয়ম মেনেই সংশোধন করে জমা দিয়েছি। হলফনামায় বাকি যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সব ঠিক আছে। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নানাভাবে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কিছু অ্যাক্টিভিস্ট রয়েছে যারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এখানে রাজনৈতিক দল হিসেবে হেয়প্রতিপন্ন করা, প্রার্থীকে বিতর্কিত করা কিংবা জুলাইয়ে যারা নেতৃত্বে ছিল তাদের প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং কীভাবে আওয়ামী লীগকে আবারও প্রাসঙ্গিক করা যায় এমন নানা উদ্দেশ্য রয়েছে তাদের। মিরজাহান নামে একজন অ্যাক্টিভিস্ট কিছুদিন আগে ওবায়দুল কাদের পালানো নিয়ে আমাকে জড়িয়ে পোস্ট করেছিল। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে এর কোনো ভিত্তি নেই। পরে ওই ব্যক্তি পোস্টটি তুলে নেয়।
তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন আগে আমি হাদি হত্যাকারীকে ফিরিয়ে দিতে এবং নির্বাচনে আগে রায় কার্যকরের একটি পোস্ট করেছিলাম। তার স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট ইলিয়াস হোসেন লেখেন- আমি নাকি সেনাপ্রধানকে সহযোগিতা করেছি গাড়ি দিয়ে ওবায়দুল কাদেরকে পার করতে। এদের মতো কিছু অ্যাক্টিভিস্ট উদ্দেশ্যমূলকভাবে বা অর্থের বিনিময়ে বা কারও এজেন্সি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। অভ্যুত্থানের আগের ভূমিকার জন্য তারা সম্মান পাবেন, তবে তার মানে যা তা করে তারা পার পেয়ে যেতে পারেন না। এমন অ্যাক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এনসিপির এই নেতা বলেন, বিএনপির লোকজন আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তারা বলছে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে এবং তারপরে তারা আমাদের নেতাকর্মীদের দেখে নিবে। নির্বাচনের আগে এখনই যদি তারা ক্ষমতা, পেশিশক্তি ও কালোটাকার দাপট দেখায় তাদের মাধ্যমে আগামীর নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলব। প্রয়োজনে আমরা জিডি ও মামলা করব। কিন্তু বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মী যদি মনে করে এই ধরনের আওয়ামী কালচার করে পার পেয়ে যাবে তা এই বাংলাদেশে হবে না।
তিনি আরও বলেন, যদি এই এক-দেড় বছরে কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে তাহলে যে শাস্তি দেবে আমি মেনে নিব। কিন্তু আওয়ামী লীগের পেইড এজেন্ট হিসেবে তাদের টাকায় যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে তা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। এর বড় উদাহরণ সুরভী। তার মামলার এজাহারে আছে ৫০ হাজার টাকা। সেটিকে ৫০ কোটি বলে প্রচার করা হলো। পরে জানা গেল সেটিও মিথ্যে। একজন সোকল্ড সাংবাদিকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এভাবে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে সমাজে তার মুখ দেখার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এগুলো বন্ধ করতে হবে।
সবশেষে সারজিস আলম বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি গণঅভ্যুত্থানে মিডিয়া যেভাবে আমাদের বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছে সেভাবেই নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখবে। গণমাধ্যমের সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হলফনামা সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, হলফনামায় আমার বার্ষিক আয়কর রিটার্নের তথ্যে অনিচ্ছাকৃত টাইপিং ভুল ছিল। সেটি আমরা নিয়ম মেনেই সংশোধন করে জমা দিয়েছি। হলফনামায় বাকি যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সব ঠিক আছে। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নানাভাবে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কিছু অ্যাক্টিভিস্ট রয়েছে যারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এখানে রাজনৈতিক দল হিসেবে হেয়প্রতিপন্ন করা, প্রার্থীকে বিতর্কিত করা কিংবা জুলাইয়ে যারা নেতৃত্বে ছিল তাদের প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং কীভাবে আওয়ামী লীগকে আবারও প্রাসঙ্গিক করা যায় এমন নানা উদ্দেশ্য রয়েছে তাদের। মিরজাহান নামে একজন অ্যাক্টিভিস্ট কিছুদিন আগে ওবায়দুল কাদের পালানো নিয়ে আমাকে জড়িয়ে পোস্ট করেছিল। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে এর কোনো ভিত্তি নেই। পরে ওই ব্যক্তি পোস্টটি তুলে নেয়।
তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন আগে আমি হাদি হত্যাকারীকে ফিরিয়ে দিতে এবং নির্বাচনে আগে রায় কার্যকরের একটি পোস্ট করেছিলাম। তার স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট ইলিয়াস হোসেন লেখেন- আমি নাকি সেনাপ্রধানকে সহযোগিতা করেছি গাড়ি দিয়ে ওবায়দুল কাদেরকে পার করতে। এদের মতো কিছু অ্যাক্টিভিস্ট উদ্দেশ্যমূলকভাবে বা অর্থের বিনিময়ে বা কারও এজেন্সি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করছে। অভ্যুত্থানের আগের ভূমিকার জন্য তারা সম্মান পাবেন, তবে তার মানে যা তা করে তারা পার পেয়ে যেতে পারেন না। এমন অ্যাক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এনসিপির এই নেতা বলেন, বিএনপির লোকজন আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তারা বলছে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে এবং তারপরে তারা আমাদের নেতাকর্মীদের দেখে নিবে। নির্বাচনের আগে এখনই যদি তারা ক্ষমতা, পেশিশক্তি ও কালোটাকার দাপট দেখায় তাদের মাধ্যমে আগামীর নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলব। প্রয়োজনে আমরা জিডি ও মামলা করব। কিন্তু বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মী যদি মনে করে এই ধরনের আওয়ামী কালচার করে পার পেয়ে যাবে তা এই বাংলাদেশে হবে না।
তিনি আরও বলেন, যদি এই এক-দেড় বছরে কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে তাহলে যে শাস্তি দেবে আমি মেনে নিব। কিন্তু আওয়ামী লীগের পেইড এজেন্ট হিসেবে তাদের টাকায় যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রোপাগান্ডা ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে তা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। এর বড় উদাহরণ সুরভী। তার মামলার এজাহারে আছে ৫০ হাজার টাকা। সেটিকে ৫০ কোটি বলে প্রচার করা হলো। পরে জানা গেল সেটিও মিথ্যে। একজন সোকল্ড সাংবাদিকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এভাবে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে সমাজে তার মুখ দেখার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এগুলো বন্ধ করতে হবে।
সবশেষে সারজিস আলম বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি গণঅভ্যুত্থানে মিডিয়া যেভাবে আমাদের বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছে সেভাবেই নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখবে। গণমাধ্যমের সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, দেশে বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ নানামুখী সংকটের মধ্যেও বিএনপি হাল ছাড়বে না। বর্তমান বিএনপি সরকার ব্যর্থ হওয়ার জন্য আসেনি।
২১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে যে দল যত আসন পায়, তার অনুপাতেই নারী আসনগুলোও বণ্টন হয়ে থাকে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী এবার ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি নারী আসন পাবে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। নির্বাচন পেছানোর কারণ হিসেবে ‘তীব্র জ্বালানি সংকট’ দেখানো হলেও সরকারের অবস্থানের সঙ্গে এর অসঙ্গতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি
২ দিন আগে
জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কারের লক্ষ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেত্বাতাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
২ দিন আগে