
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ক্ষমতায় গেলে দেশের শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
হান্নান মাসউদ বলেন, শিক্ষাখাত সংস্কার না করা এবং শিক্ষকদের প্রতি বৈষম্য নিরসন না করা জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি। সরকারকে আহ্বান জানাই শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে যৌক্তিক দাবি মেনে নিন। হাসিনার মতো কোনো শিক্ষকের গায়ে হাত তুলবেন না।
তিনি আরও বলেন, পচে যাওয়া পুরনো রাজনৈতিক দলগুলো এনসিপিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। কিন্তু এনসিপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেবে এবং আগামী ১০ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় যাবে। ক্ষমতায় গেলে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ করা হবে।
উল্লেখ্য, দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষক কর্মসূচিতে যোগ দেন।
তারা বলেন, শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণিতে রেখে উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
শিক্ষক নেতারা আরও দাবি করেন, দশম গ্রেড প্রদান: সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান। উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান: ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত জটিলতা ও সমস্যার স্থায়ী সমাধান। শতভাগ পদোন্নতি: সহকারী শিক্ষকদের জন্য শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা প্রদান।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আর্থিক সক্ষমতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ক্ষমতায় গেলে দেশের শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
হান্নান মাসউদ বলেন, শিক্ষাখাত সংস্কার না করা এবং শিক্ষকদের প্রতি বৈষম্য নিরসন না করা জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি। সরকারকে আহ্বান জানাই শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে যৌক্তিক দাবি মেনে নিন। হাসিনার মতো কোনো শিক্ষকের গায়ে হাত তুলবেন না।
তিনি আরও বলেন, পচে যাওয়া পুরনো রাজনৈতিক দলগুলো এনসিপিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। কিন্তু এনসিপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেবে এবং আগামী ১০ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় যাবে। ক্ষমতায় গেলে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ করা হবে।
উল্লেখ্য, দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষক কর্মসূচিতে যোগ দেন।
তারা বলেন, শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণিতে রেখে উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
শিক্ষক নেতারা আরও দাবি করেন, দশম গ্রেড প্রদান: সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান। উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান: ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত জটিলতা ও সমস্যার স্থায়ী সমাধান। শতভাগ পদোন্নতি: সহকারী শিক্ষকদের জন্য শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা প্রদান।
শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আর্থিক সক্ষমতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

তিতুমীর বলেন, দেশে মোট গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফটি)। বর্তমানে সরবরাহ রয়েছে ২৬শ থেকে ২৭শ এমএমসিএফটি। এর মধ্যে ১৬শ এমএমসিএফটি আসে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার এমএমসিএফটি।
১ দিন আগে
দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের ইচ্ছা একই, তা হলো সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হিসেবে থাকা। আমরা সবসময় বলি, কেবল বর্ডার শেয়ার করি না, শেয়ার করি একই স্বপ্ন। দুটো দেশই স্বাধীন, সার্বভৌম ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’
১ দিন আগে
সাক্ষাতে সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চ্যালেঞ্জগুলো একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত। ঐতিহাসিক ভাবমূর্তি সংকট দলটির আদর্শিক অবস্থানকে অস্পষ্ট করে তুলেছে। সে অস্পষ্টতা তাদের মাঠের রাজনীতিকেই কেবল নয়, জোটগত রাজনীতিকেও কঠিন করেছে। এর সূত্র ধরেই ভাঙনের মুখেও রয়েছে তাদের নেতৃত্বাধীন জোট।
১ দিন আগে