
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াত ইসলামীসহ আন্দোলনরত আটটি রাজনৈতিক দল। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আন্দোলনরত দলগুলোর ব্যানারে আট দলের নেতারা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনূস আহমদ। তিনি বলেন, এরই মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা জমা দিয়েছেন। তারা বাস্তবায়নের উপায় হিসেবে সরকারকে তিন ভাগে সুপারিশ করেছেন। এ সুপারিশের মধ্যে যেসব বিষয় সংবিধান সংশ্লিষ্ট নয় তা সরকার অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে করতে পারে। সংবিধান সংশ্লিষ্ট ৪৮টি বিষয় ও জুলাই জাতীয় সনদ সংক্রান্ত সরকার একটি আদেশ জারির পর জনগণের ম্যান্ডেন্ট নেওয়ার জন্য গণভোট হবে।
তিনি বলেন, আমরা আন্দোলনরত দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, আগামী নভেম্বরে গণভোট আয়োজন ও ফেব্রুয়ারি-২০২৬ এ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে পাঁচদফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন করে আসছি। আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে আগামী ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান ও ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনূস আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাগপার সহসভাপতি ও মূখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াত ইসলামীসহ আন্দোলনরত আটটি রাজনৈতিক দল। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আন্দোলনরত দলগুলোর ব্যানারে আট দলের নেতারা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনূস আহমদ। তিনি বলেন, এরই মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা জমা দিয়েছেন। তারা বাস্তবায়নের উপায় হিসেবে সরকারকে তিন ভাগে সুপারিশ করেছেন। এ সুপারিশের মধ্যে যেসব বিষয় সংবিধান সংশ্লিষ্ট নয় তা সরকার অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে করতে পারে। সংবিধান সংশ্লিষ্ট ৪৮টি বিষয় ও জুলাই জাতীয় সনদ সংক্রান্ত সরকার একটি আদেশ জারির পর জনগণের ম্যান্ডেন্ট নেওয়ার জন্য গণভোট হবে।
তিনি বলেন, আমরা আন্দোলনরত দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, আগামী নভেম্বরে গণভোট আয়োজন ও ফেব্রুয়ারি-২০২৬ এ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে পাঁচদফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন করে আসছি। আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে আগামী ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান ও ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনূস আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাগপার সহসভাপতি ও মূখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে