
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। ব্যাংকের আইনজীবী জানিয়েছেন, এর ফলে তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য হবেন এবং নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনি জোট হওয়ায় হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ সরে দাঁড়িয়েছেন নির্বাচন থেকে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত মঞ্জুরুল মুন্সীর খেলাপি ঋণ নিয়ে আদেশ দেন। আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের এই আইনজীবী পরে সাংবাদিকদের বলেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রতিষ্ঠান ২০০৫ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে একটি ঋণ নেয়। ওই ঋণের ৮৯ কোটি টাকা এখনো বকেয়া। চেম্বার আদালত বলেছেন, এ কারণে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে পারবেন না।
এর আগে ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
মঞ্জুরুল আহসানের আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ঋণখেলাপি হিসেবে ক্রেডিট ব্যুরো অফ ইনফরমেশনের (সিআইবি) তালিকা থেকে মঞ্জুরুল আহসানের কোম্পানির নাম অন্তর্ভুক্ত না করার জন্য হাইকোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা নেওয়া হয়েছিল। চেম্বার বিচারক সে আদেশ স্থগিত করেছেন। তবে আদালত এমন কোনো আদেশ দেননি যে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্ত ঋণখেলাপি হলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তবে গত ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মঞ্জুরুল আহসানকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।
ওই সময় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় বাগ্বিতণ্ডা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের নিয়ম অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন।

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। ব্যাংকের আইনজীবী জানিয়েছেন, এর ফলে তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য হবেন এবং নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনি জোট হওয়ায় হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ সরে দাঁড়িয়েছেন নির্বাচন থেকে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত মঞ্জুরুল মুন্সীর খেলাপি ঋণ নিয়ে আদেশ দেন। আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের এই আইনজীবী পরে সাংবাদিকদের বলেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রতিষ্ঠান ২০০৫ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে একটি ঋণ নেয়। ওই ঋণের ৮৯ কোটি টাকা এখনো বকেয়া। চেম্বার আদালত বলেছেন, এ কারণে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে পারবেন না।
এর আগে ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
মঞ্জুরুল আহসানের আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ঋণখেলাপি হিসেবে ক্রেডিট ব্যুরো অফ ইনফরমেশনের (সিআইবি) তালিকা থেকে মঞ্জুরুল আহসানের কোম্পানির নাম অন্তর্ভুক্ত না করার জন্য হাইকোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা নেওয়া হয়েছিল। চেম্বার বিচারক সে আদেশ স্থগিত করেছেন। তবে আদালত এমন কোনো আদেশ দেননি যে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্ত ঋণখেলাপি হলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তবে গত ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মঞ্জুরুল আহসানকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান।
ওই সময় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার আইনজীবী। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় বাগ্বিতণ্ডা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের নিয়ম অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগ করতে বলেন।

সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেছেন, একজন মারা গেলে যেমন ফিরে আসে না, সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়ন না পাওয়াটা তার কাছে তেমনি ‘মৃত্যুর মতোই যন্ত্রণাময়’ অনুভূতি।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশে আর কোনো দিন মব হবে না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এমন ঘোষণা দেওয়ার পরেও একটির পর একটি মবের ঘটনা ঘটে চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
৬ ঘণ্টা আগে
মনোনয়ন তালিকায় একঝাঁক নতুন ও ত্যাগী নেত্রীর স্থান মিললেও বাদ পড়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একাধিক হেভিওয়েট নেত্রী ও তারকা প্রার্থী। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন, নানা আলোচনা-সমালোচনা।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মনোনয়ন পাওয়া তালিকায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী মানছুরা আক্তার।
১১ ঘণ্টা আগে