
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে দেশবাসীকে তাদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। জামায়াতকে ‘ইসলামের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদরাসায় বোখারি শরিফ খতম উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
কড়া ভাষায় মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কোনো ইসলাম নয়। এদের লগে মদীনার ইসলামের কোনো সম্পর্ক নাই।’ তেঁতুলতলার মাদানি রহমতুল্লাহি আলাইহির উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি দাবি করেন, জামায়াতের অনুসারীরা ইসলামের ছদ্মবেশ ধরে আছে।
মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘এরা যখন মসজিদে যায়, ওজু করার ঢং খুঁজে পায় না। এরা ওখানে গিয়ে আলহামদু পড়ার ঢং খুঁজে পায় না। এরা কি মুসলমান, যারা ইসলামের সঙ্গে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের কোনো পার্থক্য খুঁজে পায় না?’
হেফাজতের আমির অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী কোরআনের বিধান তথা পর্দা প্রথা মানে না। তিনি বলেন, ‘তারা পর্দার বিরুদ্ধে। তারা শরিয়তের মধ্যে নাই। কোরআনে পর্দার কথা আছে, তারা পর্দা মানে না।’
রাজনৈতিকভাবে জামায়াতকে ‘একঘরে করা’র পাশাপাশি ‘জিহাদের’ ডাক দিয়ে বাবুনগরী বলেন, ‘সমস্ত মুসলমানকে বলব, এদের ভোট দেওয়া হারাম। জায়েজ হবে না। আমরা এদের বিরুদ্ধে জিহাদ করছি। কার বিরুদ্ধে? এই ভোটচোর জামায়াতের বিরুদ্ধে।’
হেফাজতের আমির আরও বলেন, এই ‘ভোটচোর’দের রুখতে পারলে বাংলাদেশের জমিনে ইসলামের প্রকৃত জয় হবে এবং ‘রক্তচোষার গুষ্টি’ শেষ হয়ে যাবে।

জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে দেশবাসীকে তাদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। জামায়াতকে ‘ইসলামের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীর হাট বড় মাদরাসায় বোখারি শরিফ খতম উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
কড়া ভাষায় মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কোনো ইসলাম নয়। এদের লগে মদীনার ইসলামের কোনো সম্পর্ক নাই।’ তেঁতুলতলার মাদানি রহমতুল্লাহি আলাইহির উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি দাবি করেন, জামায়াতের অনুসারীরা ইসলামের ছদ্মবেশ ধরে আছে।
মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘এরা যখন মসজিদে যায়, ওজু করার ঢং খুঁজে পায় না। এরা ওখানে গিয়ে আলহামদু পড়ার ঢং খুঁজে পায় না। এরা কি মুসলমান, যারা ইসলামের সঙ্গে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের কোনো পার্থক্য খুঁজে পায় না?’
হেফাজতের আমির অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী কোরআনের বিধান তথা পর্দা প্রথা মানে না। তিনি বলেন, ‘তারা পর্দার বিরুদ্ধে। তারা শরিয়তের মধ্যে নাই। কোরআনে পর্দার কথা আছে, তারা পর্দা মানে না।’
রাজনৈতিকভাবে জামায়াতকে ‘একঘরে করা’র পাশাপাশি ‘জিহাদের’ ডাক দিয়ে বাবুনগরী বলেন, ‘সমস্ত মুসলমানকে বলব, এদের ভোট দেওয়া হারাম। জায়েজ হবে না। আমরা এদের বিরুদ্ধে জিহাদ করছি। কার বিরুদ্ধে? এই ভোটচোর জামায়াতের বিরুদ্ধে।’
হেফাজতের আমির আরও বলেন, এই ‘ভোটচোর’দের রুখতে পারলে বাংলাদেশের জমিনে ইসলামের প্রকৃত জয় হবে এবং ‘রক্তচোষার গুষ্টি’ শেষ হয়ে যাবে।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে