
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘জুলাই অভ্যুত্থানের পরে এক শ্রেণির ক্ষমতালোভীরা এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখা শুরু করলো। তারা বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের জাল তৈরি করলো। ইসলামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে যারা শরিয়া আইনে দেশ পরিচালনা না করার ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইসলামপ্রিয় মানুষ ওদের ছেড়ে আমাদের সঙ্গে চলে এসেছে’— এমনটাই মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং আমতলি মাদ্রাসা মাঠে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে দলের প্রার্থী কে এম বিল্লাল হোসাইনের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামী আন্দোলন এখন একা নয়, ওরা একা হয়ে গেছে। আমরা দেশকে ভালোবাসি। আর ওরা এই দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে আরও যে ইসলামি দলগুলো ছিল, তাদের উল্লেখযোগ্য নেতাদের আসনে তারা প্রার্থী রাখেনি। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিটি আসনে তারা প্রার্থী দিয়েছেন। মানে তাদের আটকালো আর আমাদের বের করলো।
এ সময় তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী কে এম বিল্লাল হোসাইনের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

‘জুলাই অভ্যুত্থানের পরে এক শ্রেণির ক্ষমতালোভীরা এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখা শুরু করলো। তারা বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের জাল তৈরি করলো। ইসলামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে যারা শরিয়া আইনে দেশ পরিচালনা না করার ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইসলামপ্রিয় মানুষ ওদের ছেড়ে আমাদের সঙ্গে চলে এসেছে’— এমনটাই মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং আমতলি মাদ্রাসা মাঠে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে দলের প্রার্থী কে এম বিল্লাল হোসাইনের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামী আন্দোলন এখন একা নয়, ওরা একা হয়ে গেছে। আমরা দেশকে ভালোবাসি। আর ওরা এই দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে আরও যে ইসলামি দলগুলো ছিল, তাদের উল্লেখযোগ্য নেতাদের আসনে তারা প্রার্থী রাখেনি। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিটি আসনে তারা প্রার্থী দিয়েছেন। মানে তাদের আটকালো আর আমাদের বের করলো।
এ সময় তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী কে এম বিল্লাল হোসাইনের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে