
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনযাপন কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসন। এজন্য জামায়াতে ইসলামী আরাকানভিত্তিক স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জামায়াতের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।
সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, গত ডিসেম্বরে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল চীনা সরকারের আমন্ত্রণে বেইজিং সফর করেছিল। আজকের বৈঠক ছিল পার্টি টু পার্টি আলোচনার অংশ।
ডা. তাহের বলেন, চীন এখন বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই জামায়াতে ইসলামী সবার সাথে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সুসম্পর্ক স্থাপনের নীতিতে বিশ্বাস করে। সেই ধারাবাহিকতায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে এ বৈঠক।
তিনি জানান, তিস্তা ব্যারেজ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে চীনা প্রতিনিধিদের। ব্লু ইকোনমি প্রসারে চীনের ভূমিকা চাওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে ডা. তাহের বলেন, ১১-১২ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে অবস্থান সমস্যার সমাধান নয়। সমাধান হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমি আরাকানে পুনর্বাসন। এজন্য রোহিঙ্গা সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে একটি স্বাধীন মুসলিম আরাকান স্টেট গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি তাদের সরকারকে এ বিষয়ে অবহিত করবে এবং সম্ভাব্য উদ্যোগ নেবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত বা অনির্বাচিত সরকারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং মিউচ্যুয়াল ইন্টারেস্টের জায়গা থেকেই চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় জামায়াত কাজ করছে।
এছাড়া, চলমান রাজনৈতিক সংস্কার ও নির্বাচন বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। জামায়াত জানিয়েছে, নির্বাচন ডিসেম্বরে অথবা প্রয়োজন হলে জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
মতবিনিময় সভায় জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনযাপন কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসন। এজন্য জামায়াতে ইসলামী আরাকানভিত্তিক স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জামায়াতের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।
সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, গত ডিসেম্বরে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল চীনা সরকারের আমন্ত্রণে বেইজিং সফর করেছিল। আজকের বৈঠক ছিল পার্টি টু পার্টি আলোচনার অংশ।
ডা. তাহের বলেন, চীন এখন বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই জামায়াতে ইসলামী সবার সাথে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সুসম্পর্ক স্থাপনের নীতিতে বিশ্বাস করে। সেই ধারাবাহিকতায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে এ বৈঠক।
তিনি জানান, তিস্তা ব্যারেজ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে চীনা প্রতিনিধিদের। ব্লু ইকোনমি প্রসারে চীনের ভূমিকা চাওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে ডা. তাহের বলেন, ১১-১২ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে অবস্থান সমস্যার সমাধান নয়। সমাধান হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমি আরাকানে পুনর্বাসন। এজন্য রোহিঙ্গা সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে একটি স্বাধীন মুসলিম আরাকান স্টেট গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি তাদের সরকারকে এ বিষয়ে অবহিত করবে এবং সম্ভাব্য উদ্যোগ নেবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত বা অনির্বাচিত সরকারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং মিউচ্যুয়াল ইন্টারেস্টের জায়গা থেকেই চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় জামায়াত কাজ করছে।
এছাড়া, চলমান রাজনৈতিক সংস্কার ও নির্বাচন বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। জামায়াত জানিয়েছে, নির্বাচন ডিসেম্বরে অথবা প্রয়োজন হলে জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
মতবিনিময় সভায় জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘যারা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, যাদের কোনো অনুশোচনা নাই, বাংলাদেশের মানুষের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করে নাই, তাদের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না।’
২০ ঘণ্টা আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।’
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমার বলার একটাই কথা, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি বাংলাদেশকে খুন করেননি, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি খুন, গুম, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সেই সব সত্যের মুখোমুখি যদি তিনি হতে চান, তাহলে অবশ্যই তিনি আসবেন।
১ দিন আগে
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘দাবি নিয়ে সংসদে এসে কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যেভাবে বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে তাকে কোনোভাবেই গণতন্ত্র বলা যায় না।’
১ দিন আগে