
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দাফনের তৃতীয় দিনে ফের দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে ছুটে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। দাবির কবর জিয়ারত করেছেন তিনি, দোয়া করেছেন। তার সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরাও ছিলেন। তারা খালেদা জিয়ার জন্য কোরআন তেলওয়াতও করেছেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়ার কবরে যান জাইমা রহমান ও স্বজনরা। তাদের হাতে থাকা ফুল দিয়ে তারা খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
জাইমার সঙ্গে ছিলেন তার চাচি, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান। এ ছাড়া জাইমা রহমানের নানি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও এ সময় সঙ্গে ছিলেন।
এর আগে শুক্রবার ভোর থেকেই রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া করতে ভিড় জমে মানুষের। ফজরের নামাজের পরপরই অনেকে সেখান যান শ্রদ্ধা জানাতে। দুপুর ১২টা পর্যন্তও সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাসহ আশপাশের এলাকা জুড়ে তার জানাজা হয়। সারা দেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষের ঢলে বাংলামোটর, জাহাঙ্গীর গেট, কলেজ গেট, আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ছাড়িয়ে যায় জানাজাস্থল। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বাসার ছাদে ছাদে পর্যন্ত মানুষ তার জানাজা আদায় করেন।
জানাজার পর খালেদা জিয়ার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে শায়িত তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হয়। সেদিন নিরাপত্তার কারণে জিয়া উদ্যানে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরদিন বৃহস্পতিবারও সকালে বন্ধ ছিল জিয়া উদ্যানের প্রবেশপথ।
ততক্ষণে অনেকেই ভিড় জমিয়ে অপেক্ষা করছিলেন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে প্রবেশের জন্য। পরে দুপুর ১২টার দিকে সেটি সবার জন্য খুলে দেওয়া দিলে সেখানেও মানুষের ঢল নামে। এ দিন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরও উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানান খালেদা জিয়ার কবরে।

দাফনের তৃতীয় দিনে ফের দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে ছুটে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। দাবির কবর জিয়ারত করেছেন তিনি, দোয়া করেছেন। তার সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরাও ছিলেন। তারা খালেদা জিয়ার জন্য কোরআন তেলওয়াতও করেছেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়ার কবরে যান জাইমা রহমান ও স্বজনরা। তাদের হাতে থাকা ফুল দিয়ে তারা খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
জাইমার সঙ্গে ছিলেন তার চাচি, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান। এ ছাড়া জাইমা রহমানের নানি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও এ সময় সঙ্গে ছিলেন।
এর আগে শুক্রবার ভোর থেকেই রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া করতে ভিড় জমে মানুষের। ফজরের নামাজের পরপরই অনেকে সেখান যান শ্রদ্ধা জানাতে। দুপুর ১২টা পর্যন্তও সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাসহ আশপাশের এলাকা জুড়ে তার জানাজা হয়। সারা দেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষের ঢলে বাংলামোটর, জাহাঙ্গীর গেট, কলেজ গেট, আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ছাড়িয়ে যায় জানাজাস্থল। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বাসার ছাদে ছাদে পর্যন্ত মানুষ তার জানাজা আদায় করেন।
জানাজার পর খালেদা জিয়ার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে শায়িত তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হয়। সেদিন নিরাপত্তার কারণে জিয়া উদ্যানে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরদিন বৃহস্পতিবারও সকালে বন্ধ ছিল জিয়া উদ্যানের প্রবেশপথ।
ততক্ষণে অনেকেই ভিড় জমিয়ে অপেক্ষা করছিলেন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে প্রবেশের জন্য। পরে দুপুর ১২টার দিকে সেটি সবার জন্য খুলে দেওয়া দিলে সেখানেও মানুষের ঢল নামে। এ দিন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরও উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানান খালেদা জিয়ার কবরে।

দেশের রাজনীতিকদের ‘সবচেয়ে হীন ব্যক্তি’ বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আপনারা সকলে একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন, সেটা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া; যা খুশি তাই করা হয়। সমাজের কাছে রাজনীতিকদের একটা সবচেয়ে হীন ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।’
৩ দিন আগে
শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় বিচার, খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ঘটনার নেপথ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত উদ্ঘাটনের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। মিছিলে ‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা’, ‘ওসমান হাদি, বাংলাদেশের আজাদী, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ইত্যাদি স্লোগান দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
৪ দিন আগে
বন্ধ ও অলাভজনক সরকারি কারখানাগুলোতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে শিগগিরই রোড শো’র আয়োজন করবে সরকার। এ লক্ষ্যে চলতি মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৪ দিন আগে