
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
আজ শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে' এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে গণভোট করেছিলেন এবং ১৯৭৮ সালে তা সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন। এর আগে এটি সংবিধানে ছিল না। পরবর্তীতে এরশাদও গণভোট করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওই গণভোটের মূল বিষয় ছিল তার নীতি ও আদর্শের প্রতি জনগণের সমর্থন যাচাই করা। জনগণ সেই নীতি ও আদর্শের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন এবং তা বাস্তবায়িত হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাবা যেখানে নিজের অবস্থানকে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে সুসংহত করার জন্য গণভোট দিয়েছিলেন, সেখানে আজ তার পুত্র (তারেক রহমান) সেই গণভোটকে প্রত্যাখ্যান করছেন। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং এর পরিণতি শুভ হতে পারে না। আমরা অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।’
জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের শহিদদের বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে, বিচারের নামে কোনো প্রহসন আমরা মেনে নেব না। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই, আমাদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমরা জুলাইয়ের গণরায়ের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জুলাইকে পদদলিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
আজ শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে' এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে গণভোট করেছিলেন এবং ১৯৭৮ সালে তা সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন। এর আগে এটি সংবিধানে ছিল না। পরবর্তীতে এরশাদও গণভোট করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওই গণভোটের মূল বিষয় ছিল তার নীতি ও আদর্শের প্রতি জনগণের সমর্থন যাচাই করা। জনগণ সেই নীতি ও আদর্শের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন এবং তা বাস্তবায়িত হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাবা যেখানে নিজের অবস্থানকে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে সুসংহত করার জন্য গণভোট দিয়েছিলেন, সেখানে আজ তার পুত্র (তারেক রহমান) সেই গণভোটকে প্রত্যাখ্যান করছেন। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং এর পরিণতি শুভ হতে পারে না। আমরা অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।’
জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের শহিদদের বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে, বিচারের নামে কোনো প্রহসন আমরা মেনে নেব না। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই, আমাদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমরা জুলাইয়ের গণরায়ের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে