
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তুলনায় ৬৪ জন কম প্রার্থী দিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে খাতা-কলমের হিসাব বলছে, খরচের হিসাবে তারাই বিএনপির চেয়ে এগিয়ে। এ নির্বাচনে বিএনপির তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি জামায়াতের।
কেবল বিএনপির তুলনায় নয়, দলীয়ভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি খরচ করা দলও বর্তমান সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। মোট খরচে তাদের পরেই অবস্থান বিএনপির। আর দল হিসেবে কোনো খরচই করেনি— এমন দলের সংখ্যা ২৮টি!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি দল অংশ নিয়েছিল। তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে দলগুলো কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছে, তা বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। শুধু দলভিত্তিক মোট ব্যয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসির তথ্য বলছে, গত নির্বাচনে ২২৪ জন প্রার্থীর বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ব্যয় দেখিয়েছে চার কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা। সে হিসাবে একেকজন প্রার্থীর পেছনে তাদের গড় খরচ ২ লাখ ৬৬০ টাকা।
একই নির্বাচনে ২৮৮ আসনে প্রার্থী দেওয়া বিএনপি মোট খরচ দেখিয়েছে তিন কোটি ৮০ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৭ টাকা। সে হিসাবে তাদের প্রার্থীদের একেকজনের পেছনে গড় খরচ এক লাখ ৩২ হাজার ২৫৪ টাকা।
মোট হিসাব অনুযায়ী, এ নির্বাচনে বিএনপির তুলনায় মোট ৬৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮৩৫ টাকা বেশি খরচ করেছে জামায়াতে ইসলামী। প্রতি প্রার্থীর জন্যও তাদের গড় ব্যয় বিএনপির তুলনায় বেশি ৬৮ হাজার ৪০৬ টাকা।
প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২। দলটি মোট খরচ দেখিয়েছে ১২ লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ টাকা। সে হিসাবে একেকজন প্রার্থীর গড় খরচ ৪০ হাজার ১৩৭ টাকা।
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিপরিষদে থাকা নুরুল হক নুরের দল গণঅধিকার পরিষদ ৯০ জন প্রার্থী দিয়েছিল। দলটির ব্যয় ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। তবে বিএনপির মন্ত্রিসভার আরেক প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির দল গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচনে ১৭ জন প্রার্থী দিলেও কোনো টাকাই দলীয়ভাবে খরচ করেনি।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৩ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ দেখিয়েছে ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭১ টাকা। জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ১৯২ জন প্রার্থীর বিপরীতে খরচ পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার টাকা। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৬৫ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ দেখিয়েছে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ২৬৩ টাকা। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ৩৯ জন প্রার্থী দিয়েছিল, খরচ দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
এ ছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ২৬ জন প্রার্থীর পেছনে খরচ করেছে তিন লাখ ৩৫ হাজার টাকা। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ১১ জন প্রার্থী দিয়ে ব্যয় দেখিয়েছে দুই লাখ টাকা। জাতীয় পার্টি (জেপি) ১০ জন প্রার্থী দিয়ে ব্যয় করেছে ১৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। গণতন্ত্রী পার্টি মাত্র একজন প্রার্থী দিয়েছিল, যার পেছনে দলটির খরচ এক লাখ টাকা। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৯ জন প্রার্থী দিয়েছিল, খরচ এক লাখ ৪০ হাজার ১৫০ টাকা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে সাত লাখ ৩০ হাজার টাকা। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ২৬ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে এক লাখ টাকা। খেলাফত মজলিসের একটি অংশ ৩৪ জন ও আরেক অংশ ২১ জন প্রার্থী দিয়েছিল। মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার টাকা। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ছয়জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে তিন হাজার টাকা।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) ১৯ জন প্রার্থী দিয়েছিল, ব্যয় দুই লাখ ২৭ হাজার ১৫২ টাকা। আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩০ জন প্রার্থী দিয়েছিল, খরচ ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৭১০ টাকা। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ২৯ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে এক লাখ ৯ হাজার টাকা। আমজনতার দলের ১৫ প্রার্থীর পেছনে খরচ ৪২ হাজার ৫২০ টাকা। আর ২৮ প্রার্থীর পেছনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি খরচ করেছে ২০ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা।
যে ২৮টি দল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শূন্য ব্যয় দেখিয়েছে তারা হলো— লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) (প্রার্থী দিয়েছিল ১২ জন), জাকের পার্টি (সাতজন), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (৮ জন), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (১২ জন), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) (২৩ জন), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (চারজন), গণফোরাম (১৯ জন), গণফ্রন্ট (পাঁচজন), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) (একজন), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (পাঁচজন), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (১২ জন), ইসলামী ঐক্যজোট (১২ জন), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) (একজন), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি (সাতজন)।
এ তালিকায় আরও রয়েছে— বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) (আটজন), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) (আটজন), বাংলাদেশ কংগ্রেস (১৮ জন), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ (৪২ জন), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) (১৯ জন), নাগরিক ঐক্য (১১ জন), গণসংহতি আন্দোলন ১৭ জন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) (দুজন), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (আটজন), বাংলাদেশ লেবার পার্টি (১৫ জন), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) (১২ জন), জনতার দল (১৯ জন) ও বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) (একজন)।
এর বাইরে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিও (বিজেপি) শূন্য হিসাব দিয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া তা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তুলনায় ৬৪ জন কম প্রার্থী দিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে খাতা-কলমের হিসাব বলছে, খরচের হিসাবে তারাই বিএনপির চেয়ে এগিয়ে। এ নির্বাচনে বিএনপির তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি জামায়াতের।
কেবল বিএনপির তুলনায় নয়, দলীয়ভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি খরচ করা দলও বর্তমান সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। মোট খরচে তাদের পরেই অবস্থান বিএনপির। আর দল হিসেবে কোনো খরচই করেনি— এমন দলের সংখ্যা ২৮টি!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি দল অংশ নিয়েছিল। তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে দলগুলো কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছে, তা বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। শুধু দলভিত্তিক মোট ব্যয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসির তথ্য বলছে, গত নির্বাচনে ২২৪ জন প্রার্থীর বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ব্যয় দেখিয়েছে চার কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা। সে হিসাবে একেকজন প্রার্থীর পেছনে তাদের গড় খরচ ২ লাখ ৬৬০ টাকা।
একই নির্বাচনে ২৮৮ আসনে প্রার্থী দেওয়া বিএনপি মোট খরচ দেখিয়েছে তিন কোটি ৮০ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৭ টাকা। সে হিসাবে তাদের প্রার্থীদের একেকজনের পেছনে গড় খরচ এক লাখ ৩২ হাজার ২৫৪ টাকা।
মোট হিসাব অনুযায়ী, এ নির্বাচনে বিএনপির তুলনায় মোট ৬৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮৩৫ টাকা বেশি খরচ করেছে জামায়াতে ইসলামী। প্রতি প্রার্থীর জন্যও তাদের গড় ব্যয় বিএনপির তুলনায় বেশি ৬৮ হাজার ৪০৬ টাকা।
প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২। দলটি মোট খরচ দেখিয়েছে ১২ লাখ ৮৪ হাজার ৪০০ টাকা। সে হিসাবে একেকজন প্রার্থীর গড় খরচ ৪০ হাজার ১৩৭ টাকা।
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিপরিষদে থাকা নুরুল হক নুরের দল গণঅধিকার পরিষদ ৯০ জন প্রার্থী দিয়েছিল। দলটির ব্যয় ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। তবে বিএনপির মন্ত্রিসভার আরেক প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির দল গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচনে ১৭ জন প্রার্থী দিলেও কোনো টাকাই দলীয়ভাবে খরচ করেনি।
অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৩ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ দেখিয়েছে ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭১ টাকা। জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ১৯২ জন প্রার্থীর বিপরীতে খরচ পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার টাকা। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৬৫ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ দেখিয়েছে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ২৬৩ টাকা। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ৩৯ জন প্রার্থী দিয়েছিল, খরচ দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
এ ছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ২৬ জন প্রার্থীর পেছনে খরচ করেছে তিন লাখ ৩৫ হাজার টাকা। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ১১ জন প্রার্থী দিয়ে ব্যয় দেখিয়েছে দুই লাখ টাকা। জাতীয় পার্টি (জেপি) ১০ জন প্রার্থী দিয়ে ব্যয় করেছে ১৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। গণতন্ত্রী পার্টি মাত্র একজন প্রার্থী দিয়েছিল, যার পেছনে দলটির খরচ এক লাখ টাকা। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৯ জন প্রার্থী দিয়েছিল, খরচ এক লাখ ৪০ হাজার ১৫০ টাকা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে সাত লাখ ৩০ হাজার টাকা। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ২৬ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে এক লাখ টাকা। খেলাফত মজলিসের একটি অংশ ৩৪ জন ও আরেক অংশ ২১ জন প্রার্থী দিয়েছিল। মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার টাকা। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ছয়জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে তিন হাজার টাকা।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) ১৯ জন প্রার্থী দিয়েছিল, ব্যয় দুই লাখ ২৭ হাজার ১৫২ টাকা। আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩০ জন প্রার্থী দিয়েছিল, খরচ ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৭১০ টাকা। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ২৯ জন প্রার্থী দিয়ে খরচ করেছে এক লাখ ৯ হাজার টাকা। আমজনতার দলের ১৫ প্রার্থীর পেছনে খরচ ৪২ হাজার ৫২০ টাকা। আর ২৮ প্রার্থীর পেছনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি খরচ করেছে ২০ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা।
যে ২৮টি দল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শূন্য ব্যয় দেখিয়েছে তারা হলো— লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) (প্রার্থী দিয়েছিল ১২ জন), জাকের পার্টি (সাতজন), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (৮ জন), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (১২ জন), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) (২৩ জন), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (চারজন), গণফোরাম (১৯ জন), গণফ্রন্ট (পাঁচজন), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) (একজন), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (পাঁচজন), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (১২ জন), ইসলামী ঐক্যজোট (১২ জন), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) (একজন), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি (সাতজন)।
এ তালিকায় আরও রয়েছে— বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) (আটজন), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) (আটজন), বাংলাদেশ কংগ্রেস (১৮ জন), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ (৪২ জন), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) (১৯ জন), নাগরিক ঐক্য (১১ জন), গণসংহতি আন্দোলন ১৭ জন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) (দুজন), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (আটজন), বাংলাদেশ লেবার পার্টি (১৫ জন), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) (১২ জন), জনতার দল (১৯ জন) ও বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) (একজন)।
এর বাইরে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিও (বিজেপি) শূন্য হিসাব দিয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া তা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
১ দিন আগে
বৈঠকের পর সার্জিও গর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, বাংলাদেশে আমার প্রথম সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করে আমি আনন্দিত। অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
২ দিন আগে
সিলেটের গোলাপগঞ্জে সারজিস আলমের গাড়িতে হামলার ঘটনায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘সরকার যদি সন্ত্রাসের পথে হাঁটে, তাহলে জনগণ প্রতিরোধের পথে হাঁটবে। আমরা এখন গোলাপগঞ্জ যাব। সেখানে আমরা দাঁড়াব, দেখব কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের, তারা আমাদের কতটুকু প্রতিরোধ করতে পারে করবে।
২ দিন আগে