
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনমত উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবির মিছিলে ফ্যাসিবাদী কায়দায় পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। একই সঙ্গে গোপন চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়া একটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতা বলে মনে করছে সংগঠনটি।
এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলছে, গতকাল (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ ও জাতীয় গণফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের উদ্যোগে জনমত উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী যমুনা বরাবর বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সমাবেশ শেষ করে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে এলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিপেটা চালায়।
এতে আহত হন সিপিবির আবদুল্লাহ ক্বাফী আল রতন, কাজী রুহুল আমিন, জহুর লাল রায়, অন্ত অবিন্দম, ইমতিয়াজ আহমেদ রাফিন, রাসেল আহমেদ, শোয়েইব আহমেদ আসিফ, প্রিজম ফকির, বাসদ (মার্কসবাদী)'র সীমা দত্ত, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের শাহিনুর আক্তার সুমি, নাহিয়ান রেহমান রাহাত, পংকজনাথ সুর্য, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, স্কাইয়া ইসলাম, রাকিব আহমেদসহ প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি ন্যায্য দাবি দাওয়ার এই বিক্ষোভে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
এতে আরো বলা হয়, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি চলমান বন্দর চুক্তির বিরোধিতার প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে মনে করে জনমতকে উপেক্ষা করে গোপন চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়া একটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতা। এই চুক্তির সম্পর্কে সম্প্রতি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে অনেক অস্বচ্ছতার সংবাদ জনগণের নিকট প্রকাশিত হয়েছে। চুক্তির সময়সীমা নিয়ে লুকোচরি, কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং এ অর্থের হিসাবে ঘাটতি, বিদেশি ইজারাদার কোম্পানির সুবিধা গোপন, চুক্তির সাথে উপদেষ্টার আত্মীয় জড়িত থাকার মাধ্যমে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের সুচনা, এই ধরনের নানাবিধ দিক উন্মোচিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে যা জনমানসে প্রশ্ন তৈরি করছে। কিন্ত প্রশ্নের সুরাহা না করে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দিতে কেন অত্যধিক তাড়াহুড়া চালাচ্ছে তা এই দেশের জনগণের জানা দরকার। জনমত প্রতিষ্ঠিত ছাড়া এবং জাতীয় সক্ষমতাকে মূল্যায়ন না করে গোপনভাবে সম্পন্নকৃত বন্দর চুক্তিকে বাতিল করাই বরং অন্তর্বর্তী সরকারের এই মুহূর্তে অন্যতম দায়িত্ব মনে করে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
কিন্ত আমরা দেখতে পেলাম, বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ, জাতীয় গণফ্রন্ট, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট যখন এই কথাটি জানাতেই যমুনা অভিমুখে মিছিলটির আয়োজন করলো, তখন পুলিশ ফ্যাসিবাদী কায়দায় বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করলো। গত এক বছরে আমরা দেখেছি, বারবার পুলিশ সংস্কারের কথা বলা হলেও, পুলিশ বারবার ফ্যাসিবাদী কায়দার জনবিরোধী ভুমিকায় নামছে। নাগরিকরা তাদের অধিকারবলে সভা সমাবেশ এবং মিছিল করলে পুলিশকে অধিকারলঙ্ঘনকারী দমনকারীর ভূমিকাতেই দেখা যাচ্ছে। আমরা পুলিশের এই ধরনের দমনকারী ভূমিকার প্রতি তীব্র নিন্দা জানাই।

জনমত উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবির মিছিলে ফ্যাসিবাদী কায়দায় পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। একই সঙ্গে গোপন চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়া একটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতা বলে মনে করছে সংগঠনটি।
এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলছে, গতকাল (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ ও জাতীয় গণফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের উদ্যোগে জনমত উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী যমুনা বরাবর বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সমাবেশ শেষ করে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে এলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিপেটা চালায়।
এতে আহত হন সিপিবির আবদুল্লাহ ক্বাফী আল রতন, কাজী রুহুল আমিন, জহুর লাল রায়, অন্ত অবিন্দম, ইমতিয়াজ আহমেদ রাফিন, রাসেল আহমেদ, শোয়েইব আহমেদ আসিফ, প্রিজম ফকির, বাসদ (মার্কসবাদী)'র সীমা দত্ত, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের শাহিনুর আক্তার সুমি, নাহিয়ান রেহমান রাহাত, পংকজনাথ সুর্য, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, স্কাইয়া ইসলাম, রাকিব আহমেদসহ প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি ন্যায্য দাবি দাওয়ার এই বিক্ষোভে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
এতে আরো বলা হয়, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি চলমান বন্দর চুক্তির বিরোধিতার প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে মনে করে জনমতকে উপেক্ষা করে গোপন চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়া একটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতা। এই চুক্তির সম্পর্কে সম্প্রতি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে অনেক অস্বচ্ছতার সংবাদ জনগণের নিকট প্রকাশিত হয়েছে। চুক্তির সময়সীমা নিয়ে লুকোচরি, কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং এ অর্থের হিসাবে ঘাটতি, বিদেশি ইজারাদার কোম্পানির সুবিধা গোপন, চুক্তির সাথে উপদেষ্টার আত্মীয় জড়িত থাকার মাধ্যমে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের সুচনা, এই ধরনের নানাবিধ দিক উন্মোচিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে যা জনমানসে প্রশ্ন তৈরি করছে। কিন্ত প্রশ্নের সুরাহা না করে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দিতে কেন অত্যধিক তাড়াহুড়া চালাচ্ছে তা এই দেশের জনগণের জানা দরকার। জনমত প্রতিষ্ঠিত ছাড়া এবং জাতীয় সক্ষমতাকে মূল্যায়ন না করে গোপনভাবে সম্পন্নকৃত বন্দর চুক্তিকে বাতিল করাই বরং অন্তর্বর্তী সরকারের এই মুহূর্তে অন্যতম দায়িত্ব মনে করে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
কিন্ত আমরা দেখতে পেলাম, বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ, জাতীয় গণফ্রন্ট, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট যখন এই কথাটি জানাতেই যমুনা অভিমুখে মিছিলটির আয়োজন করলো, তখন পুলিশ ফ্যাসিবাদী কায়দায় বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করলো। গত এক বছরে আমরা দেখেছি, বারবার পুলিশ সংস্কারের কথা বলা হলেও, পুলিশ বারবার ফ্যাসিবাদী কায়দার জনবিরোধী ভুমিকায় নামছে। নাগরিকরা তাদের অধিকারবলে সভা সমাবেশ এবং মিছিল করলে পুলিশকে অধিকারলঙ্ঘনকারী দমনকারীর ভূমিকাতেই দেখা যাচ্ছে। আমরা পুলিশের এই ধরনের দমনকারী ভূমিকার প্রতি তীব্র নিন্দা জানাই।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে