
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আলোচিত ঢাকা-১৫ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার সকালে নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
জামায়াতের আমির মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের নির্বাচন ফলাফল নিয়ে কারসাজির অভিযোগ করা হয়। ঢাকার অন্যান্য আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে আসলেও দীর্ঘসময় আটকে ছিল এই আসনের ফল ঘোষণা।
ঢাকা–১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন। এ আসনে তৃতীয় লিঙ্গের চারজন ভোটার আছেন।
আটজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা হলেন, শফিকুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), শফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), , সামসুল হক (লাঙ্গল), আহাম্মদ সাজেদুল হক (কাস্তে), খান শোয়েব আমান উল্লাহ (কলম), মোবারক হোসেন (একতারা), আশফাকুর রহমান (মোটরগাড়ি) ও নিলাভ পারভেজ (প্রজাপতি)।

আলোচিত ঢাকা-১৫ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার সকালে নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
জামায়াতের আমির মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের নির্বাচন ফলাফল নিয়ে কারসাজির অভিযোগ করা হয়। ঢাকার অন্যান্য আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে আসলেও দীর্ঘসময় আটকে ছিল এই আসনের ফল ঘোষণা।
ঢাকা–১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন। এ আসনে তৃতীয় লিঙ্গের চারজন ভোটার আছেন।
আটজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা হলেন, শফিকুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), শফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), , সামসুল হক (লাঙ্গল), আহাম্মদ সাজেদুল হক (কাস্তে), খান শোয়েব আমান উল্লাহ (কলম), মোবারক হোসেন (একতারা), আশফাকুর রহমান (মোটরগাড়ি) ও নিলাভ পারভেজ (প্রজাপতি)।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে