
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পেছনে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই হামলার মাস্টারপ্লান এখন ধীরে ধীরে দিনের আলোতে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। শরিফ ওসমান হাদি এবং চট্টগ্রাম–৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং দ্রুত বিচার দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, একটি সংগঠিত মহল সুপরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায় চাপানোর উদ্দেশ্যে এই হামলার নকশা তৈরি করেছে। তিনি দাবি করেন, জনগণ যেমন বিষয়টি বুঝতে পারছে, তেমনি প্রশাসনও এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের সম্পর্কে অবগত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছি। কিন্তু কেউ কেউ ৫ আগস্টের পর দেশে জনতাতন্ত্র ও বিশৃঙ্খলার সংস্কৃতি তৈরি করতে চেয়েছে। উশৃঙ্খল জনতাতন্ত্র দিয়ে কখনো সুশাসন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘হাদির ওপর যারা হামলা চালিয়েছে, তারা যেই হোক না কেন—জনগণ তাদের চিনে ফেলেছে। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’
তিনি অভিযোগ করেন, হামলার মাত্র এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যেখানে কোনো তদন্ত ছাড়াই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই যদি সামাজিক মাধ্যমে দোষী নির্ধারণ করা হয়, তাহলে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা কোথায়?
রিজভী বলেন, শান্তিনগর, সাজানপুর ও খিলগাঁওসহ আশপাশের এলাকায় বহু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করলেও তারা কখনো এ ধরনের হামলার শিকার হননি। তাহলে হঠাৎ করে শরিফ ওসমান হাদিকেই কেন টার্গেট করা হলো—এই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, শরিফ ওসমান হাদি কখনোই মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেননি কিংবা রাজনৈতিকভাবে তাকে আক্রমণ করেননি। দেশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়াই কি তার অপরাধ—এমন প্রশ্ন রাখেন বিএনপির এই মুখপাত্র।
মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক জীবন তুলে ধরে রিজভী বলেন, প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে সহিংসতার কোনো অভিযোগ নেই। একজন অভিভাবকসুলভ ও সহনশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত মির্জা আব্বাস নিজের সন্তানের বয়সী একজন তরুণ প্রার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন—এটি বিশ্বাসযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, পুলিশ কমিশনার নিজেই গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে হামলার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে এবং তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এটি বিএনপির বক্তব্য নয়, বরং রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সমাবেশে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক মেয়র এবং ঢাকা–৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম সরফতুসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির বিভিন্ন আসনের প্রার্থী, নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক সমাবেশে অংশ নেন।

ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পেছনে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই হামলার মাস্টারপ্লান এখন ধীরে ধীরে দিনের আলোতে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। শরিফ ওসমান হাদি এবং চট্টগ্রাম–৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং দ্রুত বিচার দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, একটি সংগঠিত মহল সুপরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায় চাপানোর উদ্দেশ্যে এই হামলার নকশা তৈরি করেছে। তিনি দাবি করেন, জনগণ যেমন বিষয়টি বুঝতে পারছে, তেমনি প্রশাসনও এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কারিগরদের সম্পর্কে অবগত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছি। কিন্তু কেউ কেউ ৫ আগস্টের পর দেশে জনতাতন্ত্র ও বিশৃঙ্খলার সংস্কৃতি তৈরি করতে চেয়েছে। উশৃঙ্খল জনতাতন্ত্র দিয়ে কখনো সুশাসন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘হাদির ওপর যারা হামলা চালিয়েছে, তারা যেই হোক না কেন—জনগণ তাদের চিনে ফেলেছে। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’
তিনি অভিযোগ করেন, হামলার মাত্র এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যেখানে কোনো তদন্ত ছাড়াই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই যদি সামাজিক মাধ্যমে দোষী নির্ধারণ করা হয়, তাহলে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা কোথায়?
রিজভী বলেন, শান্তিনগর, সাজানপুর ও খিলগাঁওসহ আশপাশের এলাকায় বহু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করলেও তারা কখনো এ ধরনের হামলার শিকার হননি। তাহলে হঠাৎ করে শরিফ ওসমান হাদিকেই কেন টার্গেট করা হলো—এই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, শরিফ ওসমান হাদি কখনোই মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেননি কিংবা রাজনৈতিকভাবে তাকে আক্রমণ করেননি। দেশের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়াই কি তার অপরাধ—এমন প্রশ্ন রাখেন বিএনপির এই মুখপাত্র।
মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক জীবন তুলে ধরে রিজভী বলেন, প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে সহিংসতার কোনো অভিযোগ নেই। একজন অভিভাবকসুলভ ও সহনশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত মির্জা আব্বাস নিজের সন্তানের বয়সী একজন তরুণ প্রার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন—এটি বিশ্বাসযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, পুলিশ কমিশনার নিজেই গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে হামলার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে এবং তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এটি বিএনপির বক্তব্য নয়, বরং রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সমাবেশে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক মেয়র এবং ঢাকা–৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম সরফতুসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির বিভিন্ন আসনের প্রার্থী, নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক সমাবেশে অংশ নেন।

আগামীকাল বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে। এই সংসদেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। তাদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
১ দিন আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে