
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সামনের অর্থনৈতিক মন্দায় রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া সরকার টিকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ বলেন, ‘বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় আজকের ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ-সমাবেশে এনসিপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব শুরু। আমরা নতুন সংবিধান চেয়েছিলাম কিন্তু বিএনপি নির্বাচন চেয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ ভোট নিয়ে তারা ক্ষমতায়। বিএনপি গণভোট মানবেন না।’
গণভোটের রেফারেন্স পয়েন্ট গণভোট উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘গুম প্রতিকারসহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ তারা মানতে চায় না। এটা শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআইসহ সবার জন্য কলঙ্ক। এই অধ্যাদেশ বাতিল হলে কেউ ছাড় পাবে না।’
বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা গত ১৭ বছর নিপীড়িত ছিল, আন্দোলন করেছে। কিন্তু আস্থাহীনতায় মানুষ তাদের আন্দোলনে সাড়া দেয়নি।’
সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন দরকার বলেও জানান নাহিদ। তিনি বলেন, ‘সামনে যে অর্থনৈতিক মন্দা আসছে এ অবস্থায় রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া সরকার টিকতে পারবে না। অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তর করতে হবে। এসব অধ্যাদেশ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলদের কাজ করতে হবে। নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেলে হবে না।’
জাতীয় সংসদে একধরনের নাটক হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘সংসদে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিচ্ছেন। অথচ এই রাষ্ট্রপতির থাকারই কথা না। সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনে গণপরিষদ প্রয়োজন।’
নিয়ম কানুনের বেড়াজালে মূল আলোচনা থেকে সবাই সরে যাচ্ছে জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘এসব কারণে আমরা রাজপথে নেমেছি। সংসদে অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ার অর্থ বিএনপি সৈরশ্বাসক হয়ে উঠবে। কিন্তু জনগণ তা মানবে না।’

সামনের অর্থনৈতিক মন্দায় রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া সরকার টিকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ বলেন, ‘বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় আজকের ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ-সমাবেশে এনসিপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব শুরু। আমরা নতুন সংবিধান চেয়েছিলাম কিন্তু বিএনপি নির্বাচন চেয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ ভোট নিয়ে তারা ক্ষমতায়। বিএনপি গণভোট মানবেন না।’
গণভোটের রেফারেন্স পয়েন্ট গণভোট উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘গুম প্রতিকারসহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ তারা মানতে চায় না। এটা শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআইসহ সবার জন্য কলঙ্ক। এই অধ্যাদেশ বাতিল হলে কেউ ছাড় পাবে না।’
বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা গত ১৭ বছর নিপীড়িত ছিল, আন্দোলন করেছে। কিন্তু আস্থাহীনতায় মানুষ তাদের আন্দোলনে সাড়া দেয়নি।’
সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন দরকার বলেও জানান নাহিদ। তিনি বলেন, ‘সামনে যে অর্থনৈতিক মন্দা আসছে এ অবস্থায় রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া সরকার টিকতে পারবে না। অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তর করতে হবে। এসব অধ্যাদেশ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলদের কাজ করতে হবে। নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেলে হবে না।’
জাতীয় সংসদে একধরনের নাটক হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘সংসদে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিচ্ছেন। অথচ এই রাষ্ট্রপতির থাকারই কথা না। সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনে গণপরিষদ প্রয়োজন।’
নিয়ম কানুনের বেড়াজালে মূল আলোচনা থেকে সবাই সরে যাচ্ছে জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘এসব কারণে আমরা রাজপথে নেমেছি। সংসদে অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ার অর্থ বিএনপি সৈরশ্বাসক হয়ে উঠবে। কিন্তু জনগণ তা মানবে না।’

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে