
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। উলটো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ তুলেছেন, তার সঙ্গে দুর্নীতি শব্দটি জুড়ে দিয়ে ‘ন্যারেটিভ’ তৈরির চেষ্টা চলছে, যার মূল উদ্দেশ্য তার চরিত্র হনন (ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে আসিফ এ কথা বলেন। ওই পোস্টের সঙ্গে আসিফ গত বুধবারের (৯ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনের একটি অংশের ভিডিও যুক্ত করেছেন, যে সংবাদ সম্মেলনটি তিনি করেছিলেন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অন্য একটি অভিযোগ দুদক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেওয়ার পর।
আসিফ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “‘আসিফ মাহমুদ’ ও ‘দুর্নীতি’ শব্দ দুটিকে বারবার পাশাপাশি বসিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা, জনমনে নেতিবাচক পারসেপশন তৈরি এবং চরিত্র হননই আসল উদ্দেশ্য।”
‘অভিযোগ বনাম বাস্তবতা’ শীর্ষক ওই সংবাদ সম্মেলনের যে অংশের ভিডিও আসিফ পোস্ট করেছেন তাতে তিনি বলেন, তিনি নিজেই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করেছেন। তার দাবি, ‘বিএনপির সময়ে হওয়া পদোন্নতি, বদলির জন্য আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান হচ্ছে। মানে সার্কাসেরও একটা সীমা থাকা উচিত। ক্লিয়ারলি মিডিয়া ট্রায়ালে ফেলা।’
নিউজ করানোর উদ্দেশ্যেই দুদক দুই দিন পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে রিপোর্ট বা নথি চাইছে উল্লেখ করে আসিফ বলেন, ‘অনুসন্ধানের দুই দিন পর পর, মনে করেন আজ নথি চাইলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে, কাল আরেক জায়গা থেকে নথি চাইবে। আরেকজনকে বলবে রিপোর্ট দাও।’
তিনি বলেন, ‘এই যে নিয়মিত নিউজ, আসিফ মাহমুদ ও দুর্নীতি এই শব্দ দুটিকে একসঙ্গে করে নিউজ করানো, এর উদ্দেশ্য একটি ন্যারেটিভ এস্টাব্লিশ করা, পারসেপশন তৈরি করা। ক্যারেকটার অ্যাসাসিনেশনটাই (চরিত্রহনন) উদ্দেশ্য।’
অভিযোগ অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসিফ বলেন, ‘যদি তদন্তের অনুসন্ধানের সদিচ্ছা থাকে এবং সেটা যদি ওই কমিটমেন্টটা আমি শুরু থেকে দেখতাম, তাহলে এটাকে সাধুবাদ জানাতে আমার নাগরিক হিসেবে অসুবিধা নাই এবং আমি সহযোগিতা করতে রাজি আছি।’
এর আগে রোববার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ এসেছে দুদকে, যা তার বিরুদ্ধে চলমান অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। দুদকে দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাইয়ে সাড়ে চার হাজার কোটি, সিঙ্গাপুরে তিন হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় দুই হাজার কোটি ও সুইজারল্যান্ডে দেড় হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে ৬০ কোটি টাকা ও সারা দেশে ৩৬ জন ডিসি পদায়নে দুই কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করেছেন আসিফ। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টেন্ডার বাণিজ্য, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন গ্রহণ এবং নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন আসিফ।
পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে আসিফ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতির টাকা দিয়ে আসিফ মাহমুদ পর্তুগালে জমি কিনেছেন এবং দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ ও সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা করেছেন। এ ছাড়া দুই বোন জামাই ও ভাগনের মাধ্যমে আসিফ বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায় দুদক। তবে অভিযোগ অস্বীকারের পাশাপাশি দুদকের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন আসিফ।
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন, দুদক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেবেন তিনি। পরে তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলামের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান।

সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। উলটো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ তুলেছেন, তার সঙ্গে দুর্নীতি শব্দটি জুড়ে দিয়ে ‘ন্যারেটিভ’ তৈরির চেষ্টা চলছে, যার মূল উদ্দেশ্য তার চরিত্র হনন (ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে আসিফ এ কথা বলেন। ওই পোস্টের সঙ্গে আসিফ গত বুধবারের (৯ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনের একটি অংশের ভিডিও যুক্ত করেছেন, যে সংবাদ সম্মেলনটি তিনি করেছিলেন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অন্য একটি অভিযোগ দুদক তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেওয়ার পর।
আসিফ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “‘আসিফ মাহমুদ’ ও ‘দুর্নীতি’ শব্দ দুটিকে বারবার পাশাপাশি বসিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা, জনমনে নেতিবাচক পারসেপশন তৈরি এবং চরিত্র হননই আসল উদ্দেশ্য।”
‘অভিযোগ বনাম বাস্তবতা’ শীর্ষক ওই সংবাদ সম্মেলনের যে অংশের ভিডিও আসিফ পোস্ট করেছেন তাতে তিনি বলেন, তিনি নিজেই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করেছেন। তার দাবি, ‘বিএনপির সময়ে হওয়া পদোন্নতি, বদলির জন্য আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান হচ্ছে। মানে সার্কাসেরও একটা সীমা থাকা উচিত। ক্লিয়ারলি মিডিয়া ট্রায়ালে ফেলা।’
নিউজ করানোর উদ্দেশ্যেই দুদক দুই দিন পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে রিপোর্ট বা নথি চাইছে উল্লেখ করে আসিফ বলেন, ‘অনুসন্ধানের দুই দিন পর পর, মনে করেন আজ নথি চাইলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে, কাল আরেক জায়গা থেকে নথি চাইবে। আরেকজনকে বলবে রিপোর্ট দাও।’
তিনি বলেন, ‘এই যে নিয়মিত নিউজ, আসিফ মাহমুদ ও দুর্নীতি এই শব্দ দুটিকে একসঙ্গে করে নিউজ করানো, এর উদ্দেশ্য একটি ন্যারেটিভ এস্টাব্লিশ করা, পারসেপশন তৈরি করা। ক্যারেকটার অ্যাসাসিনেশনটাই (চরিত্রহনন) উদ্দেশ্য।’
অভিযোগ অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসিফ বলেন, ‘যদি তদন্তের অনুসন্ধানের সদিচ্ছা থাকে এবং সেটা যদি ওই কমিটমেন্টটা আমি শুরু থেকে দেখতাম, তাহলে এটাকে সাধুবাদ জানাতে আমার নাগরিক হিসেবে অসুবিধা নাই এবং আমি সহযোগিতা করতে রাজি আছি।’
এর আগে রোববার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ এসেছে দুদকে, যা তার বিরুদ্ধে চলমান অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। দুদকে দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাইয়ে সাড়ে চার হাজার কোটি, সিঙ্গাপুরে তিন হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় দুই হাজার কোটি ও সুইজারল্যান্ডে দেড় হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে ৬০ কোটি টাকা ও সারা দেশে ৩৬ জন ডিসি পদায়নে দুই কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করেছেন আসিফ। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টেন্ডার বাণিজ্য, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন গ্রহণ এবং নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন আসিফ।
পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে আসিফ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতির টাকা দিয়ে আসিফ মাহমুদ পর্তুগালে জমি কিনেছেন এবং দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ ও সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা করেছেন। এ ছাড়া দুই বোন জামাই ও ভাগনের মাধ্যমে আসিফ বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায় দুদক। তবে অভিযোগ অস্বীকারের পাশাপাশি দুদকের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন আসিফ।
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন, দুদক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেবেন তিনি। পরে তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলামের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে। তাই, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চায়। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্
১ দিন আগে
অতীতে নুসরাত, তনু ও খাদিজার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার কথা স্মরণ করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
১ দিন আগে
অ্যানথ্রপিক বলেছে, ওই ব্যক্তি নিজেও জানতেন যে তিনি যে সংবাদ তৈরি করছেন সেগুলো মিথ্যা। তার নিজের নোট থেকে তদন্তকারীরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘no one knows the news is fake’— অর্থাৎ ‘কেউ জানে না খবরটি ভুয়া’।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত এই দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর বাংলাদেশে নির্বাচন করা তো দূরের কথা, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অধিকার নেই। যদি তারা তা করে, তাহলে আইনের আওতায় আসবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে
২ দিন আগে