
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে বিএনপি সংস্কারের পক্ষে থাকা মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা (এনসিপি) শপথ নিয়েছি। কিন্তু শপথ গ্রহণের প্রথম দিন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল (বিএনপি) শপথগ্রহণ না করে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে, সংস্কারের পক্ষের মানুষদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিএনপিকে দ্রুত সংসদ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানান তিনি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নির্বাচনে ২০৯ আসনে জয় নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি। গণভোটেও ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়।
গত বছরের শেষভাগে রাষ্ট্রপতির জারি করা আদেশ অনুযায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যের নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হওয়ার কথা ছিল। তবে রাষ্ট্রপতির এ ধরনের আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিএনপি। ঐকমত্য কমিশনে কোনো ধরনের আলোচনা না করেও আদেশে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিধান রাখা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল দলটি।
নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে শুরুতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে তারা আর শপথ নেননি।
বিএনপি বলছে, এই পরিষদ সংবিধানে নেই। পরিষদের শপথ কী হবে, শপথ কে পড়াবেন, এসব নিয়েও সংবিধানে কিছু নেই। ফলে সংসদ বসলে এ সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ তফসিলে যুক্ত করে তারপর তারা শপথ নেবেন।
ওই দিন বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতেই বেঁকে বসেছিল বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ তাদের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পরে অবশ্য এ জোট থেকে নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
এর মধ্যে গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ও জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক রিট হয়েছে। অনেকে বলছেন, সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রবল হয়েছে।
গণভোট কোনো কারণে বাতিল হলে জাতীয় নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যদি গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তাহলে এই নির্বাচনও (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কারণ আপনি কোন সংবিধান অনুযায়ী এই নির্বাচন করেছেন?
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব পাওয়া নাহিদ ইসলাম দ্রুত সংসদ অধিবেশন ডাকতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানান। বলেন, দ্রুত জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা হোক। অধিবেশন ডাকা হোক। তার আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিক।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু হলেও নির্বাচনের ফলে কারচুপি করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। বলেন, তা সত্ত্বেও আমরা গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে এই ফলাফল মেনে নিয়ে এগোতে চেয়েছি।

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে বিএনপি সংস্কারের পক্ষে থাকা মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা (এনসিপি) শপথ নিয়েছি। কিন্তু শপথ গ্রহণের প্রথম দিন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল (বিএনপি) শপথগ্রহণ না করে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে, সংস্কারের পক্ষের মানুষদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকার বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিএনপিকে দ্রুত সংসদ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানান তিনি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নির্বাচনে ২০৯ আসনে জয় নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি। গণভোটেও ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়।
গত বছরের শেষভাগে রাষ্ট্রপতির জারি করা আদেশ অনুযায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যের নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হওয়ার কথা ছিল। তবে রাষ্ট্রপতির এ ধরনের আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিএনপি। ঐকমত্য কমিশনে কোনো ধরনের আলোচনা না করেও আদেশে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিধান রাখা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল দলটি।
নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে শুরুতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে তারা আর শপথ নেননি।
বিএনপি বলছে, এই পরিষদ সংবিধানে নেই। পরিষদের শপথ কী হবে, শপথ কে পড়াবেন, এসব নিয়েও সংবিধানে কিছু নেই। ফলে সংসদ বসলে এ সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ তফসিলে যুক্ত করে তারপর তারা শপথ নেবেন।
ওই দিন বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতেই বেঁকে বসেছিল বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ তাদের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পরে অবশ্য এ জোট থেকে নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
এর মধ্যে গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ও জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক রিট হয়েছে। অনেকে বলছেন, সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রবল হয়েছে।
গণভোট কোনো কারণে বাতিল হলে জাতীয় নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যদি গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তাহলে এই নির্বাচনও (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) প্রশ্নবিদ্ধ হবে। কারণ আপনি কোন সংবিধান অনুযায়ী এই নির্বাচন করেছেন?
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের দায়িত্ব পাওয়া নাহিদ ইসলাম দ্রুত সংসদ অধিবেশন ডাকতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানান। বলেন, দ্রুত জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা হোক। অধিবেশন ডাকা হোক। তার আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিক।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু হলেও নির্বাচনের ফলে কারচুপি করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। বলেন, তা সত্ত্বেও আমরা গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে এই ফলাফল মেনে নিয়ে এগোতে চেয়েছি।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে