
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে দলের মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টা ৫২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদের ছবিসহ একটি পোস্টার শেয়ার করা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে— ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী’।
এনসিপি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে চেয়ারম্যান এবং দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে সদস্য সচিব করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে এনসিপি। সেই কমিটিই দলের বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। রোববার রাতে এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আসিফ মাহমুদই এনসিপির প্রার্থী হবেন বলে জল্পনা ছিল আগে থেকেই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে জায়গা পান। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
ওই সময় আদালতের রায়ে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করা হয়। তবে স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ায়নি। ইশরাকের সমর্থকরা আদালতের আদেশে মেয়র হিসেবে শপথের দাবিতে নগর ভবন অবরোধ করে রাখেন দীর্ঘ দিন। একপর্যায়ে নিজেদের উদ্যোগেই তারা ইশরাককে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ান, ইশরাকও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন।
এ ঘটনা নিয়ে ইশরাক হোসেন ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার মধ্যে ব্যাপক বাগ্যুদ্ধ হয়েছে। দুজনই দুজনকে কথার তোপ দাগতে ছাড়েননি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আগে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ মাহমুদ। ওই সময় তিনি ঢাকা-১০ আসন থেকে নির্বাচনে আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন না করে যোগ দেন এনসিপিতে। তাকে এনসিপির মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দেওয়া হয় দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধানের দায়িত্ব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে দলের মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টা ৫২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদের ছবিসহ একটি পোস্টার শেয়ার করা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে— ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী’।
এনসিপি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে চেয়ারম্যান এবং দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে সদস্য সচিব করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে এনসিপি। সেই কমিটিই দলের বিভিন্ন স্তরে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। রোববার রাতে এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আসিফ মাহমুদই এনসিপির প্রার্থী হবেন বলে জল্পনা ছিল আগে থেকেই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে জায়গা পান। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
ওই সময় আদালতের রায়ে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করা হয়। তবে স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ায়নি। ইশরাকের সমর্থকরা আদালতের আদেশে মেয়র হিসেবে শপথের দাবিতে নগর ভবন অবরোধ করে রাখেন দীর্ঘ দিন। একপর্যায়ে নিজেদের উদ্যোগেই তারা ইশরাককে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ান, ইশরাকও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন।
এ ঘটনা নিয়ে ইশরাক হোসেন ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার মধ্যে ব্যাপক বাগ্যুদ্ধ হয়েছে। দুজনই দুজনকে কথার তোপ দাগতে ছাড়েননি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আগে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ মাহমুদ। ওই সময় তিনি ঢাকা-১০ আসন থেকে নির্বাচনে আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন না করে যোগ দেন এনসিপিতে। তাকে এনসিপির মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দেওয়া হয় দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধানের দায়িত্ব।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে