
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে ব্যর্থ হয়ে এবার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মনিরা শারমিন। ইসিতে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই যুগ্ম আহ্বায়ক।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মনিরা এ আবেদন করেন। এ দিন দুপুরে নিজে হাইকোর্টে হাজির হয়ে রিট করেন তিনি।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনে বিরোধী দলীয় জোট থেকে দুটি আসনে প্রার্থী দিতে বলা হয় এনসিপিকে। দলটি মনিরা শারমিনের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতুকে মনোনয়ন দেয়। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। পরে ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাইয়ের সময় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
মনিরা শারমিনের হলফনামার তথ্য, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তার চাকরি ছাড়েন। অন্যদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচন করতে হলে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের পর অন্তত তিন বছর পূর্ণ হতে হবে।
ইসি জানায়, মনিরা শারমিন মাত্র সাড়ে চার মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কারণে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের তিন বছর মেয়াদ তিনি পূর্ণ করেন না। ফলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
মনিরা পরে ২৬ এপ্রিল ইসির মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন। পরদিন দীর্ঘ শুনানির পর নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ তার প্রার্থিতা বাতিল বহাল থাকে। এ অবস্থায় হাইকোর্টে রিট করলেন মনিরা।
এদিকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত বাকি ৪৯টি নারী আসনে যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন, তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। বিকল্প প্রার্থী না থাকায় তফসিলে উল্লেখ করা সময় অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে বুধবার (২৯ এপ্রিল) ওই ৪৯ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করে ইসি। বৃহস্পতিবার তাদের সংসদ সদস্য ঘোষণা করে গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে ব্যর্থ হয়ে এবার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মনিরা শারমিন। ইসিতে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই যুগ্ম আহ্বায়ক।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মনিরা এ আবেদন করেন। এ দিন দুপুরে নিজে হাইকোর্টে হাজির হয়ে রিট করেন তিনি।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনে বিরোধী দলীয় জোট থেকে দুটি আসনে প্রার্থী দিতে বলা হয় এনসিপিকে। দলটি মনিরা শারমিনের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতুকে মনোনয়ন দেয়। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। পরে ২৩ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাইয়ের সময় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
মনিরা শারমিনের হলফনামার তথ্য, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তার চাকরি ছাড়েন। অন্যদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচন করতে হলে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের পর অন্তত তিন বছর পূর্ণ হতে হবে।
ইসি জানায়, মনিরা শারমিন মাত্র সাড়ে চার মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কারণে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের তিন বছর মেয়াদ তিনি পূর্ণ করেন না। ফলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
মনিরা পরে ২৬ এপ্রিল ইসির মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন। পরদিন দীর্ঘ শুনানির পর নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ তার প্রার্থিতা বাতিল বহাল থাকে। এ অবস্থায় হাইকোর্টে রিট করলেন মনিরা।
এদিকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত বাকি ৪৯টি নারী আসনে যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন, তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। বিকল্প প্রার্থী না থাকায় তফসিলে উল্লেখ করা সময় অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে বুধবার (২৯ এপ্রিল) ওই ৪৯ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করে ইসি। বৃহস্পতিবার তাদের সংসদ সদস্য ঘোষণা করে গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে