
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান শ্রদ্ধা নিবেদনের তাদের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ২২ মিনিটে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ডা. শফিকুর। এ সময় তিনি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শহিদ মিনারে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাল। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও এই প্রথম শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন।
এর আগে ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের অন্যতম সঙ্গী ছিল জামায়াতে ইসলামী। সে সময় সরকারের শরিক জামায়াতের মন্ত্রীরা রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন। তবে সে সময় তারা শহিদ মিনারে যাননি।
এবার সংসদের বিরোধী দল হয়ে শহিদ মিনারে উপস্থিতি দেখা গেল জামায়াতের। এ সময় বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াত ও এনসিপির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন এবং ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান শ্রদ্ধা নিবেদনের তাদের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ২২ মিনিটে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ডা. শফিকুর। এ সময় তিনি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শহিদ মিনারে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাল। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও এই প্রথম শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন।
এর আগে ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের অন্যতম সঙ্গী ছিল জামায়াতে ইসলামী। সে সময় সরকারের শরিক জামায়াতের মন্ত্রীরা রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন। তবে সে সময় তারা শহিদ মিনারে যাননি।
এবার সংসদের বিরোধী দল হয়ে শহিদ মিনারে উপস্থিতি দেখা গেল জামায়াতের। এ সময় বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াত ও এনসিপির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন এবং ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৪ দিন আগে