
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সোমবার এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় বিএসএফের সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও ভারত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করছে না। ভারতের এ ধরনের একগুঁয়েমীর কারণেই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব চাইলে ভারত সরকারকে অবশ্যই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ২৭ এপ্রিল ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ জন বাংলাদেশী নাগরিক যথাক্রমে গোপালপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে মিকাইল ও হানিফ আলীর ছেলে মো. ওবায়দুল নিহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সাথে লক্ষ্য করছি যে, ভারতীয় বিএসএফ ঠাণ্ডা মাথায় অব্যাহতভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের পাখির মতো একের পর এক গুলি করে হত্যা করেই যাচ্ছে।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, গত ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফ ১৬ জন বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং ৪৮ জনকে আহত করেছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় বিএসএফের সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও ভারত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করছে না।
ভারতের এ ধরনের একগুঁয়েমীর কারণেই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের কোন উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব চাইলে ভারত সরকারকে অবশ্যই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ কতৃক বাংলাদেশিদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সোমবার এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় বিএসএফের সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও ভারত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করছে না। ভারতের এ ধরনের একগুঁয়েমীর কারণেই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব চাইলে ভারত সরকারকে অবশ্যই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ২৭ এপ্রিল ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ জন বাংলাদেশী নাগরিক যথাক্রমে গোপালপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে মিকাইল ও হানিফ আলীর ছেলে মো. ওবায়দুল নিহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সাথে লক্ষ্য করছি যে, ভারতীয় বিএসএফ ঠাণ্ডা মাথায় অব্যাহতভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের পাখির মতো একের পর এক গুলি করে হত্যা করেই যাচ্ছে।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, গত ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফ ১৬ জন বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং ৪৮ জনকে আহত করেছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় বিএসএফের সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও ভারত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করছে না।
ভারতের এ ধরনের একগুঁয়েমীর কারণেই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের কোন উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব চাইলে ভারত সরকারকে অবশ্যই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ কতৃক বাংলাদেশিদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

পোস্টে একটি রাজনৈতিক দলে নিজের ভূমিকা অস্বীকার করার অভিযোগ তুলে তিনি এমন মন্তব্য করেন, যা জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ইঙ্গিত করেই করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।
১ দিন আগে
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ফটকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১-দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে তিনি রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নীরবে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট। পৃথিবীর নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট ও নাৎসিরা জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকলেও শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে বলে জানান তিনি।
২ দিন আগে