
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, কোনো ব্যবসায়ীর কাছ থেকে রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন চাঁদা বা অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালীতে গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে চাই। আমার এলাকায় কোনো যুবক-তরুণ যেন বেকার না থাকে। তাদের কীভাবে কর্মে যুক্ত করা যায়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোবো।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আজ দশমিনা-গলাচিপায় যদি আমি এমপি হতে না পারতাম, অনেকে এলাকায় থাকতে পারতো না। অনেকের বাড়িঘরে আগুন জ্বলতো, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটে ভাঙচুর হতো। অনেককে হাসপাতালে থাকতে হতো। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর, এলাকার পরিবেশ আগে যা ছিল তার চেয়েও ভালো হতে শুরু করেছে।’

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, কোনো ব্যবসায়ীর কাছ থেকে রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন চাঁদা বা অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালীতে গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে চাই। আমার এলাকায় কোনো যুবক-তরুণ যেন বেকার না থাকে। তাদের কীভাবে কর্মে যুক্ত করা যায়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোবো।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আজ দশমিনা-গলাচিপায় যদি আমি এমপি হতে না পারতাম, অনেকে এলাকায় থাকতে পারতো না। অনেকের বাড়িঘরে আগুন জ্বলতো, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটে ভাঙচুর হতো। অনেককে হাসপাতালে থাকতে হতো। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর, এলাকার পরিবেশ আগে যা ছিল তার চেয়েও ভালো হতে শুরু করেছে।’

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে