
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ এখনো ভোট সংকট থেকে বের হতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সুটকিকান্দি এলাকায় নির্বাচনী জনসভা ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, 'বাংলাদেশের জন্য ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে। অথচ সেই রাষ্ট্রেই আমরা ৫৪ বছর ধরে ভোট নিয়েই সংকটের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ভোট ব্যবস্থাকে কেউ নস্যাৎ করতে চাইলে বাংলাদেশের মানুষ তা মেনে নেবে না।
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হাজারো তরুণের রক্তের যে ঋণ, তা শোধ করতে হলে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আমরা মানুষের ভোটেই জয়ী হতে চাই। এই নির্বাচন আমাদের জন্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার একটি লড়াই।
নির্বাচন ও সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কার প্রয়োজন—এতে আমরা একমত। কিন্তু নির্বাচন ছাড়া সংস্কার কীভাবে হবে? জনগণের অংশগ্রহণ ও গণভোট ছাড়া সংবিধান পরিবর্তন কিংবা কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্ভব নয়। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, যারা নির্বাচনকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিল, তারা এখন জনগণের চাপে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচন বানচালের পথ খুঁজতে পারে। এ ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি নানা শক্তির মদদ থাকার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জোনায়েদ সাকিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪ জন।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ এখনো ভোট সংকট থেকে বের হতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সুটকিকান্দি এলাকায় নির্বাচনী জনসভা ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, 'বাংলাদেশের জন্য ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে। অথচ সেই রাষ্ট্রেই আমরা ৫৪ বছর ধরে ভোট নিয়েই সংকটের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ভোট ব্যবস্থাকে কেউ নস্যাৎ করতে চাইলে বাংলাদেশের মানুষ তা মেনে নেবে না।
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হাজারো তরুণের রক্তের যে ঋণ, তা শোধ করতে হলে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আমরা মানুষের ভোটেই জয়ী হতে চাই। এই নির্বাচন আমাদের জন্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার একটি লড়াই।
নির্বাচন ও সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কার প্রয়োজন—এতে আমরা একমত। কিন্তু নির্বাচন ছাড়া সংস্কার কীভাবে হবে? জনগণের অংশগ্রহণ ও গণভোট ছাড়া সংবিধান পরিবর্তন কিংবা কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্ভব নয়। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, যারা নির্বাচনকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিল, তারা এখন জনগণের চাপে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচন বানচালের পথ খুঁজতে পারে। এ ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি নানা শক্তির মদদ থাকার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জোনায়েদ সাকিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪ জন।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে