
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১২ আসনের বিএনপির সমর্থিত এবং বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, জনগণ ধর্মকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করবে। এ ছাড়া যারা ভোটের বিনিময়ে ‘জান্নাতের টিকিট’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের আগারগাঁও সরকারি কলোনি ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে গণসংযোগ এবং আগারগাঁও পাকা মার্কেটের ব্যবসায়ী ও ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা আধুনিক যুগে এসেও গুজব আর গজবের গল্প শুনছি। কেউ কেউ বলছেন, অমুক মার্কায় ভোট দিলে জান্নাতের টিকিট নিশ্চিত। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কথা বলে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। পরিষ্কার ও সৎ রাজনীতি করুন, গুজব ছড়াবেন না। মানুষ আপনাদের ইতিহাস জানে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা–১২ আসন সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, শুধু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছে।’ তার ভাষায়, এই আসনকে যদি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত করা যায়, তাহলে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
সাইফুল হক বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে প্রতি মাসে গণশুনানির আয়োজন করব। সবার কথা শুনব এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সকল সমস্যার সমাধান করব, ইনশাল্লাহ।’
ঢাকা–১২ আসনের এই প্রার্থীর গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এই আসনের প্রধান সমন্বয়কারী আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম, সদস্য তাসলিমা চৌধুরী রিতা, শেরেবাংলা নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ জালাল, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম তলাম, আবু হানিফ, নার্গিস বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম এবং এনডিপির মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সাইফুল হক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল, ওলামা দল এবং রিকশা, ভ্যান ও অটোচালক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নির্বাচনি কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১২ আসনের বিএনপির সমর্থিত এবং বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, জনগণ ধর্মকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করবে। এ ছাড়া যারা ভোটের বিনিময়ে ‘জান্নাতের টিকিট’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদের থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের আগারগাঁও সরকারি কলোনি ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে গণসংযোগ এবং আগারগাঁও পাকা মার্কেটের ব্যবসায়ী ও ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা আধুনিক যুগে এসেও গুজব আর গজবের গল্প শুনছি। কেউ কেউ বলছেন, অমুক মার্কায় ভোট দিলে জান্নাতের টিকিট নিশ্চিত। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কথা বলে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। পরিষ্কার ও সৎ রাজনীতি করুন, গুজব ছড়াবেন না। মানুষ আপনাদের ইতিহাস জানে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা–১২ আসন সম্ভাবনাময় এলাকা। এখানে প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, শুধু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছে।’ তার ভাষায়, এই আসনকে যদি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত করা যায়, তাহলে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
সাইফুল হক বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে প্রতি মাসে গণশুনানির আয়োজন করব। সবার কথা শুনব এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সকল সমস্যার সমাধান করব, ইনশাল্লাহ।’
ঢাকা–১২ আসনের এই প্রার্থীর গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এই আসনের প্রধান সমন্বয়কারী আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম, সদস্য তাসলিমা চৌধুরী রিতা, শেরেবাংলা নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ জালাল, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম তলাম, আবু হানিফ, নার্গিস বেগমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম এবং এনডিপির মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সাইফুল হক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল, ওলামা দল এবং রিকশা, ভ্যান ও অটোচালক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নির্বাচনি কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে