
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণসংহতি আন্দোলনের ‘প্রধান সমন্বয়কারী’ পদ থেকে সরে যাচ্ছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতা জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার হাতিরপুলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের করা হবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান সমন্বয়কারীর দলীয় দায়িত্ব বিষয়ে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন। ওই সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।

গণসংহতি আন্দোলনের ‘প্রধান সমন্বয়কারী’ পদ থেকে সরে যাচ্ছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতা জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার হাতিরপুলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের করা হবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান সমন্বয়কারীর দলীয় দায়িত্ব বিষয়ে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন। ওই সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে